ডিআইইউ ,
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির( ডিআইইউ) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৩ ব্যাচের (২য় শিফটের) মেধাবী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান(২৭) নিহতের ঘটনায় সঠিক তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করছে ডিআইইউ ছাত্রদল।
বুধবার (২১শে মে) বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে নতুন ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান চাঁদ সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান চাঁদ বলেন, ফোন খোঁজতে যে নিখোঁজ হওয়া এবং তার মৃত্যু কখনো স্বাভাবিক হতে পারে না। তার রক্তাক্ত দেহ পড়েছিল মেট্রোরেল ১২৫ নাম্বার পিলারের সামনে যেখানে অ্যাক্সিডেন্টের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তাহলে সে কিভাবে এক্সিডেন্টে মারা যায়?
তিনি আরো বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পরের তিনদিন সে কোথায় ছিল সেই প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে। আমরা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করা হোক এবং একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পাশে থাকাবে বলে আশা করি।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সোমবার) রাত ১২ টা থেকে ২ টার এর মধ্যে মাহমুদুল হাসানের রক্তাক্ত দেহ মেট্রো রেল ১২৫ নম্বরের পিলারে পাশে পাওয়া যায়। পরে পথচারীরা হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর এই মৃত্যুকে ঘিরে ক্যাম্পাসে চাঞ্চ্যেলের সৃষ্টি হয়েছে।
ডিআইইউ ,
ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির( ডিআইইউ) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৩ ব্যাচের (২য় শিফটের) মেধাবী শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান(২৭) নিহতের ঘটনায় সঠিক তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করছে ডিআইইউ ছাত্রদল।
বুধবার (২১শে মে) বিকেল ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে নতুন ভবনের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান চাঁদ সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল হাসান চাঁদ বলেন, ফোন খোঁজতে যে নিখোঁজ হওয়া এবং তার মৃত্যু কখনো স্বাভাবিক হতে পারে না। তার রক্তাক্ত দেহ পড়েছিল মেট্রোরেল ১২৫ নাম্বার পিলারের সামনে যেখানে অ্যাক্সিডেন্টের কোন আলামত পাওয়া যায়নি। তাহলে সে কিভাবে এক্সিডেন্টে মারা যায়?
তিনি আরো বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পরের তিনদিন সে কোথায় ছিল সেই প্রশ্ন বারবার উঠে আসছে। আমরা চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই মৃত্যুর রহস্য উন্মোচন করা হোক এবং একই সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের পাশে থাকাবে বলে আশা করি।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সোমবার) রাত ১২ টা থেকে ২ টার এর মধ্যে মাহমুদুল হাসানের রক্তাক্ত দেহ মেট্রো রেল ১২৫ নম্বরের পিলারে পাশে পাওয়া যায়। পরে পথচারীরা হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর এই মৃত্যুকে ঘিরে ক্যাম্পাসে চাঞ্চ্যেলের সৃষ্টি হয়েছে।