বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শাবিপ্রবিতে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি : অতিরিক্ত ভর্তি ফি, সেমিস্টার ও ক্রেডিট ফি কমানোসহ শিক্ষার্থী ভর্তিতে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি সমূহ হলো- যৌক্তিকভাবে ভর্তি, সেমিস্টার ও ক্রেডিট ফি […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ২৩:১০

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি :
অতিরিক্ত ভর্তি ফি, সেমিস্টার ও ক্রেডিট ফি কমানোসহ শিক্ষার্থী ভর্তিতে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে তাদের তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবি সমূহ হলো- যৌক্তিকভাবে ভর্তি, সেমিস্টার ও ক্রেডিট ফি কমিয়ে শিক্ষার্থীদের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে, পোষ্য কোটাসহ সকল ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল করতে হবে ও আগামী ২ সেমিস্টার ৪ মাস করে শেষ করা।
এসব ‘অযৌক্তিক’ সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন শিক্ষার্থীরা।
বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দেন।
উপাচার্য এএম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী বলেন, “শিক্ষার্থীদের এ ধরনের একটি স্মারকলিপি আমাদের কাছে পোঁছেছে। তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক। দাবি-দাওয়াগুলো নিয়ে আমরা বসব। তবে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এগুলো সমাধান করতে একটু সময় লাগবে।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলেন, ‘আমরা অনেক রক্তের বিনিময়ে নতুন স্বাধীনতা পেয়েছি, স্বাধীনতা পরবর্তী প্রশাসনের কাছে প্রত্যাশা করেছিলাম তারা শিক্ষার্থীবান্ধব হয়ে উঠবে। কিন্তু আমরা বারবার শিক্ষার্থীদের পক্ষে দাবি নিয়ে গেলেও এই প্রশাসন ভ্রূক্ষেপ করছেনা। তারা শিক্ষার্থীদের উপর আগের প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া পদ্ধতিগুলো এখনো বাতিল করেনি।’বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের উৎস শিক্ষার্থীরা হতে পারে না উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রশাসনকে বারবার বলেছি পূর্ববর্তী প্রশাসন শিক্ষার্থীদের উপর অযৌক্তিকভাবে ভর্তি, ক্রেডিট ও সেমিস্টার ফি চাপিয়ে দিয়েছিল। যা শিক্ষার্থীদের উপর জুলুম করে অর্থ নেওয়ার মতো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়ের উৎস বিশ্ববিদ্যালয় বের করবে কিন্তু আমরা দেখতে পাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এদিকে নজর না দিয়ে আয়ের উৎস হিসেবে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছে। আমরা প্রশাসনকে বলতে চাই অযৌক্তিক ফি বাতিল করে শিক্ষার্থীবান্ধব ফি নিশ্চিত করুন।’
এছাড়াও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন বলেন, “২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি ফি ছিল ৮ হাজার ১০০ টাকা। ক্রমান্বয়ে ফি বাড়িয়ে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে সে ভর্তি ফি দাড়িয়েছে ১৮ হাজার টাকায়। ভর্তি ফি’র পাশাপাশি কয়েকগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে সেমিস্টার ফি ও ক্রেডিট ফি। ২০২২ সালে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি ছিল ২ হাজার ৪৩০ টাকা। সেখানে ২ বছরের ব্যবধানে ২০২৪ সালে সেমিস্টার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৪৫ টাকা।”
“এছাড়াও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত তত্ত্বীয় প্রতি ক্রেডিট ফি ১০৫ টাকা ও ব্যবহারিক প্রতি ক্রেডিট ফি ছিল ১৬০ টাকা। সে ফি বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ১৪০ টাকা ও ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেমিস্টার শেষ করতে প্রায় ২ হাজার টাকা খরচ হয়। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে বছর বছর এরকম যথেচ্ছা ফি বৃদ্ধি করা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শোষণ করার নামান্তর।”

শিক্ষাঙ্গন

গকসু নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পর নেতৃত্বে এলেন যাঁরা

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় কমিশনের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী […]

গকসু নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পর নেতৃত্বে এলেন যাঁরা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৪

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় কমিশনের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের মো. রায়হান খান। সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে জয় পেয়েছেন সামিউল হাসান শোভন।

প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন এবারের নির্বাচনে। ১১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৬৩ জন প্রার্থী, মোট ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ৭৬১ জন। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনার দৃশ্য এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি দেখানো হলেও স্বচ্ছতা নিয়ে কিছু প্রার্থী প্রশ্ন তোলেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, গকসুর অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— কোষাধ্যক্ষ পদে খন্দকার আব্দুর রহিম। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ফয়সাল আহমেদ। সহ-ক্রীড়া সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আল নোমান। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. মারুফ। সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে লীশা চাকমা।

দপ্তর সম্পাদক পদে শারমিন আক্তার। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. জান্নাতুল ফেরদৌস। সমাজকল্যাণ ও ক্যান্টিন সম্পাদক পদে মো. মনোয়ার হোসেন অন্তর।

কৃষি অনুষদে বিজয়ী হয়েছেন মহিউল আলম দোলন, ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদে জয় পেয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির।

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে চারজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন শাকিল আহমেদ, মো. সেলিম আহমেদ অলি, মো. মেহেদি হাসান, মিনতুজ আক্তার মিম। 

বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদে দুজন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন মেহেরুন খিলজি মিতু, মো. ইমদাদুল হক মিলন। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদে দুজন বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন নাশরুন সেঁজুতি অরণি ও পার্থ সরকার।

প্রসঙ্গত, দেশের একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) চালু রয়েছে ছাত্র সংসদ। ২০১৩ সালে প্রথমবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল তৃতীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।

তবে প্রশাসনের জটিলতায় নির্বাচিত সংসদ পুরো মেয়াদ কাজ করতে পারেনি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর গকসুর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সংসদ নির্বাচন।

শিক্ষাঙ্গন

ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় যবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি

যবিপ্রবি প্রতিনিধি ইসকনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তাহসিন আরাফাত নামের এক শিক্ষার্থীকে সোশাল মিডিয়ায় হত্যার হুমকি দিয়েছে ভারতীয় এক নাগরিক। ভুক্তভোগী তাহসিন আরাফাত যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) জুম’আর নামজের পরে যবিপ্রবি ইসলামিক কালচারাল সোসাইটি এবং যবিপ্রবি ইসলামিক নলেজ সিকার্স সোসাইটির যৌথ […]

ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় যবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ২৩:৪৯

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

ইসকনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তাহসিন আরাফাত নামের এক শিক্ষার্থীকে সোশাল মিডিয়ায় হত্যার হুমকি দিয়েছে ভারতীয় এক নাগরিক। ভুক্তভোগী তাহসিন আরাফাত যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) জুম’আর নামজের পরে যবিপ্রবি ইসলামিক কালচারাল সোসাইটি এবং যবিপ্রবি ইসলামিক নলেজ সিকার্স সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল করে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে যবিপ্রবির প্রসাশনিক ভবনের সামনে শেষ হয়। সেখানে ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করে তাহসিন আরাফাত। 

আরাফাতের সেই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেলে তাকে পর দিন (২৬ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জারে অশ্রাব্য ভাষায় গালিসহ হত্যার হুমকি দেয় এক ভারতীয় নাগরিক। সেই ভারতীয় নাগরিক এর ফেসবুক আইডির নাম দিপংকর বর্মন।

তাহসিন আরাফাত জানায়, উক্ত ফেসবুক আইডিটি সক্রিয় এবং এর নিজস্ব মালিক দিপংকর বর্মান। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সে শিলিগুরির বাসিন্দা। ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে ২০২১ সালের মার্চ মাসে এবং এতে ফলোয়ার সংখ্যা পাঁচ হাজার।

অধিক সত্যতা যাচাই এর জন্য ‘মাথাভাঙা শহর’ ফেসবুক গ্রুপে ২০২৪ সালের ২ আগস্ট দেওয়া এক পোস্টে তার মুঠোফোন নম্বর খুজে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সেই নম্বর ‘টুকলার’ অ্যাপের মাধ্যমে অনুসন্ধান করলে দেখা যায় সেই নম্বর রেজিস্টারকৃত মালিক ‘ছি সিতাল কে দিপংকর বার্মান ২২’ এবং এটির অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আরোও জানা যায় সে ভারতের এক ছাত্র সংগঠন ‘এবিভিপি’ সংগঠনের স্টেইট সেক্রেটারি। 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে যবিপ্রবির শিক্ষার্থী তাহসিন আরাফাত সোমবার (২৭ অক্টোবর) যশোরের কোতয়ালী মডেল থানায় অফিসার ইন চার্জ বরাবর একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন।

সাধারণ ডায়েরিতে (জি.ডি নাম্বার ২৪১২) আরাফাত উল্লেখ করেন, গত ২৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে শুক্রবার বাদ জুমা আমরা যবিপ্রবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশে ইসকন সংগঠনের সদস্য কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধর্ষণ, ইমাম গুম ইত্যাদির প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে থাকি।

মিছিল শেষে আমরা কয়েকজন ক্যামেরার সামনে বাংলাদেশে ইসকনের এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে প্রতিবাদমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকি।

তার মধ্যে আমিও কিছুক্ষণ বক্তব্য দিয়েছিলাম। আমার বক্তব্যের অংশটুকু নিয়ে আমি ৩ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ ফেইসবুকে আপলোড করি, যেটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৯ শত শেয়ার হয়েছে, এবং ভিডিওটি দেখেছেন ৯৮ হাজার জন মানুষ। এরপর গত ২৬শে অক্টোবর সকাল ৮ টা ১৮ মিনিটে আমার ফেইসবুক মেসেঞ্জারে ‘Dipankar Barman’ (@dipankar.barman.884411) নামের একটি আইডি থেকে আমাকে হত্যা, আমার পরিবারের মহিলাকে ধর্ষণের হুমকি দেয়,

এবং এই আইডি থেকে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), আম্মাজান আয়িশা (রাঃ)-কে নিয়ে অত্যন্ত বাজে ও নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে, এবং ইসলাম বিষয়েও প্রচুর গালিগালাজ করতে থাকে। ঐ ব্যাক্তি বলে সে ভারতীয়, বর্তমানে খুলনাতে অবস্থান করছে সেইসাথে আমাকে খুলনাতে যেতে বলে, এবং সেখানে আমাকে ‘বলি’ দেওয়ার হুমকি দেয়।

এই আইডি ঘুরে আমার নকল আইডি মনে হয় নি বরং পুরনো, একটিভ ও আসল আইডি মনে হয়েছে। সে তার প্রোফাইলে নিয়মিতই মুসলিমবিরোধী পোস্ট দেয় এবং নরেন্দ্র মোদির কথা শেয়ার করে। এসব হতে আমার মনে হয় এই লোক সহ কেউ বা কারা আমাকে অনুসরণ করছে। আমি আমার নিরাপত্তার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এমতাবস্থায় উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডাইরীভূক্ত করে রাখি।

শিক্ষাঙ্গন

গকসু নির্বাচনে ভিপি ইয়াসিন, জিএস রায়হান

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: দীর্ঘ পাঁচ বছরের স্থবিরতা ভেঙে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রায়হান এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে সামিউল। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনের […]

গকসু নির্বাচনে ভিপি ইয়াসিন, জিএস রায়হান

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:৫৩

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

দীর্ঘ পাঁচ বছরের স্থবিরতা ভেঙে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে রায়হান এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে সামিউল।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফল থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

এর আগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কেন্দ্রে চলে ভোটগ্রহণ। এবারের নির্বাচনে মোট ১১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৬৩ জন প্রার্থী। ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ৭৬১ জন। গত ১১ আগস্ট তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়নপত্র বিতরণ,

যাচাই–বাছাই, প্রাথমিক ও চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশসহ সব নির্বাচনীয় প্রক্রিয়া শেষ হয় সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি। প্রার্থীদের ডোপ টেস্টও সম্পন্ন হয়েছে, যার রিপোর্ট পজিটিভ হলে প্রার্থিতা বাতিলের বিধান রাখা হয়।

গকসু নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র ফুয়াদ হোসেন জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং ৩৮ জন শিক্ষক পোলিং অফিসার ও সমানসংখ্যক সহকারী পোলিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শৃঙ্খলা রক্ষায় ৩০০ পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ডিজিএফআই, এনএসআই ও ডিবির কর্মকর্তারাও কাজ করেছেন।

প্রসঙ্গত, দেশের একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের কার্যক্রম রয়েছে। ২০১৩ সালে প্রথমবার গকসু নির্বাচন হয়, সর্বশেষ ২০১৮ সালে সরাসরি ভোটে তৃতীয় কার্যনির্বাহী সংসদ গঠিত হলেও প্রশাসনিক জটিলতায় সেটি পূর্ণ মেয়াদে কাজ করতে পারেনি।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। দীর্ঘ বিরতির পর এ নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সংসদ গঠনের পথ খুলে দিল।