শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হলেন আজিজুর রহমান

জুয়েল রানা,কুড়িগ্রাম রৌমারী চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের ৫ সদস্যের এডহক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে রৌমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও যাদুরচর ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আজিজুর রহমান তিনি চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হিসাবে মনোনীত হয়েছে। বিদ্যোৎসাহী সদস্য হলেন, জহরুল ইসলাম মন্ডল, দাতা সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন, শিক্ষক প্রতিনিধি ইউনুছ আলী ও পদাধিকার বলে […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ২২:৫৮

জুয়েল রানা,কুড়িগ্রাম
রৌমারী চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের ৫ সদস্যের এডহক কমিটির অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এতে রৌমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও যাদুরচর ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আজিজুর রহমান তিনি চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের সভাপতি হিসাবে মনোনীত হয়েছে। বিদ্যোৎসাহী সদস্য হলেন, জহরুল ইসলাম মন্ডল, দাতা সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন, শিক্ষক প্রতিনিধি ইউনুছ আলী ও পদাধিকার বলে কলেজের অধ্যক্ষ কে সদস্য সচিব করা হয়।
গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ফরহাদ হোসেন। মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) উপজেলার চরশৌলমারী ডিগ্রি কলেজ এর আয়োজনে দুপুরের দিকে কলেজ হল রুমে এক আলোচনা সভার মাধ্যমে কলেজের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে এক আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী, শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত হিলেন।
উক্ত আলোচনা সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিজুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও চরশৌলমারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও অত্র কলেজের অধ্যাপক এম এ সাত্তারের সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রৌমারী উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মো: মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, রৌমারী উপজেরা যুবদলের আহবায়ক মনজুরুল ইসলাম মনজু , যাদুরচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মতিয়ার রহমান মতি, যাদুরচর ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক জিয়ার রহমান জিয়া, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ও সাবেক যুগ্ন আহবায়ক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রৌমারী উপজেলা শাখার নুর আলম খান হিরোসহ আরও অনেকে।
এসময় সভাপতির বক্তব্যে বলেন, সবার সহযোগীতায় কলেজের সকল সমস্যা দূর করে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। কলেজ থেকে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা যাতে সমাজের সার্বিক পরিবর্তন ও উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে এবং দক্ষতা অর্জন করে বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগাতে পারে, তার উপর জোর দিতে হবে।

শিক্ষাঙ্গন

গকসু নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পর নেতৃত্বে এলেন যাঁরা

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় কমিশনের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী […]

গকসু নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পর নেতৃত্বে এলেন যাঁরা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৩:৩৪

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (গকসু) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। এ সময় কমিশনের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের মো. রায়হান খান। সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে জয় পেয়েছেন সামিউল হাসান শোভন।

প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোটার অংশগ্রহণ করেছেন এবারের নির্বাচনে। ১১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৬৩ জন প্রার্থী, মোট ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ৭৬১ জন। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ চলে। ভোট গণনার দৃশ্য এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি দেখানো হলেও স্বচ্ছতা নিয়ে কিছু প্রার্থী প্রশ্ন তোলেন।

ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, গকসুর অন্যান্য পদে বিজয়ীরা হলেন— কোষাধ্যক্ষ পদে খন্দকার আব্দুর রহিম। ক্রীড়া সম্পাদক পদে ফয়সাল আহমেদ। সহ-ক্রীড়া সম্পাদক পদে আব্দুল্লাহ আল নোমান। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে মো. মারুফ। সহ-সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে লীশা চাকমা।

দপ্তর সম্পাদক পদে শারমিন আক্তার। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে মো. জান্নাতুল ফেরদৌস। সমাজকল্যাণ ও ক্যান্টিন সম্পাদক পদে মো. মনোয়ার হোসেন অন্তর।

কৃষি অনুষদে বিজয়ী হয়েছেন মহিউল আলম দোলন, ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদে জয় পেয়েছেন মো. হুমায়ুন কবির।

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে চারজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন শাকিল আহমেদ, মো. সেলিম আহমেদ অলি, মো. মেহেদি হাসান, মিনতুজ আক্তার মিম। 

বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদে দুজন নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন মেহেরুন খিলজি মিতু, মো. ইমদাদুল হক মিলন। স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদে দুজন বিজয়ী হয়েছেন। তারা হলেন নাশরুন সেঁজুতি অরণি ও পার্থ সরকার।

প্রসঙ্গত, দেশের একমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) চালু রয়েছে ছাত্র সংসদ। ২০১৩ সালে প্রথমবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ ২০১৮ সালে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে গঠিত হয়েছিল তৃতীয় কার্যনির্বাহী সংসদ।

তবে প্রশাসনের জটিলতায় নির্বাচিত সংসদ পুরো মেয়াদ কাজ করতে পারেনি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সেই সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর দীর্ঘ পাঁচ বছর গকসুর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ সংসদ নির্বাচন।

শিক্ষাঙ্গন

‘জাকসুতে ভোট কারচুপির প্রমাণ দিতে পারলেআমি চাকরি ছেড়ে চলে যাব,কোনো পেনশনের টাকাও গ্রহণ করব না

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপি কিংবা জাল ভোটের মতো কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব বলে মনে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ভোট কারচুপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন। মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা হলগুলোতে কয়েক স্তরে ভোটারদের তথ্য […]

‘জাকসুতে ভোট কারচুপির প্রমাণ দিতে পারলেআমি চাকরি ছেড়ে চলে যাব,কোনো পেনশনের টাকাও গ্রহণ করব না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:১৬

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে ভোট কারচুপি কিংবা জাল ভোটের মতো কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছেড়ে দেব বলে মনে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ভোট কারচুপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা হলগুলোতে কয়েক স্তরে ভোটারদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে ভোটগ্রহণ করেছি। সেখানে একাধিক প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট উপস্থিত ছিল। পোলিং অফিসার, রিটার্নিং কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করেছেন। সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ এবং জায়ান্ট স্ক্রিনে প্রদর্শন করা হয়েছে। সবার সামনেই ভোট হয়েছে। কেউ আমাকে ভোট কারচুপি কিংবা জালিয়াতির মতো কোনো অভিযোগ করেননি।’

তিনি বলেন, ‘কিছু মানুষের দাবির কারণে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ভোট গণনা করতে হয়েছে, যা ফল বিলম্বের একমাত্র কারণ। যারা পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তারাই দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়ে জাকসুকে বিতর্কিত করতে চেয়েছে।

যদি ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো সদস্যের অভিযোগ থাকে, তাহলে ভোটগ্রহণের দিন পদত্যাগ না করে আজ কেন তিনি পদত্যাগ করলেন? এ থেকেই বোঝা যায়, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই এমন করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোট গণনার কাজে একাধিক শিক্ষক সম্পৃক্ত রয়েছেন। এখানেও সবকিছু সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই হচ্ছে। ভালোমন্দ তারা বিচার করবেন। তবে ভোটগ্রহণের ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, কারচুপি কিংবা জালভোটের মতো কোনো ঘটনা প্রমাণ করতে পারলে আমি চাকরি ছেড়ে চলে যাব। কোনো পেনশনের টাকাও গ্রহণ করব না।’

শিক্ষাঙ্গন

ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় যবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি

যবিপ্রবি প্রতিনিধি ইসকনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তাহসিন আরাফাত নামের এক শিক্ষার্থীকে সোশাল মিডিয়ায় হত্যার হুমকি দিয়েছে ভারতীয় এক নাগরিক। ভুক্তভোগী তাহসিন আরাফাত যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) জুম’আর নামজের পরে যবিপ্রবি ইসলামিক কালচারাল সোসাইটি এবং যবিপ্রবি ইসলামিক নলেজ সিকার্স সোসাইটির যৌথ […]

ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়ায় যবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে হত্যার হুমকি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ২৩:৪৯

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

ইসকনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) তাহসিন আরাফাত নামের এক শিক্ষার্থীকে সোশাল মিডিয়ায় হত্যার হুমকি দিয়েছে ভারতীয় এক নাগরিক। ভুক্তভোগী তাহসিন আরাফাত যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) জুম’আর নামজের পরে যবিপ্রবি ইসলামিক কালচারাল সোসাইটি এবং যবিপ্রবি ইসলামিক নলেজ সিকার্স সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল করে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি পুরো ক্যাম্পাস ঘুরে যবিপ্রবির প্রসাশনিক ভবনের সামনে শেষ হয়। সেখানে ইসকনের বিরুদ্ধে বক্তব্য প্রদান করে তাহসিন আরাফাত। 

আরাফাতের সেই বক্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেলে তাকে পর দিন (২৬ অক্টোবর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জারে অশ্রাব্য ভাষায় গালিসহ হত্যার হুমকি দেয় এক ভারতীয় নাগরিক। সেই ভারতীয় নাগরিক এর ফেসবুক আইডির নাম দিপংকর বর্মন।

তাহসিন আরাফাত জানায়, উক্ত ফেসবুক আইডিটি সক্রিয় এবং এর নিজস্ব মালিক দিপংকর বর্মান। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সে শিলিগুরির বাসিন্দা। ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে ২০২১ সালের মার্চ মাসে এবং এতে ফলোয়ার সংখ্যা পাঁচ হাজার।

অধিক সত্যতা যাচাই এর জন্য ‘মাথাভাঙা শহর’ ফেসবুক গ্রুপে ২০২৪ সালের ২ আগস্ট দেওয়া এক পোস্টে তার মুঠোফোন নম্বর খুজে পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সেই নম্বর ‘টুকলার’ অ্যাপের মাধ্যমে অনুসন্ধান করলে দেখা যায় সেই নম্বর রেজিস্টারকৃত মালিক ‘ছি সিতাল কে দিপংকর বার্মান ২২’ এবং এটির অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আরোও জানা যায় সে ভারতের এক ছাত্র সংগঠন ‘এবিভিপি’ সংগঠনের স্টেইট সেক্রেটারি। 

এরই পরিপ্রেক্ষিতে যবিপ্রবির শিক্ষার্থী তাহসিন আরাফাত সোমবার (২৭ অক্টোবর) যশোরের কোতয়ালী মডেল থানায় অফিসার ইন চার্জ বরাবর একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন।

সাধারণ ডায়েরিতে (জি.ডি নাম্বার ২৪১২) আরাফাত উল্লেখ করেন, গত ২৪ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে শুক্রবার বাদ জুমা আমরা যবিপ্রবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশে ইসকন সংগঠনের সদস্য কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধর্ষণ, ইমাম গুম ইত্যাদির প্রতিবাদ জানিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল করে থাকি।

মিছিল শেষে আমরা কয়েকজন ক্যামেরার সামনে বাংলাদেশে ইসকনের এসব অপরাধমূলক কর্মকান্ডের কথা তুলে ধরে প্রতিবাদমূলক বক্তব্য দিয়ে থাকি।

তার মধ্যে আমিও কিছুক্ষণ বক্তব্য দিয়েছিলাম। আমার বক্তব্যের অংশটুকু নিয়ে আমি ৩ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ ফেইসবুকে আপলোড করি, যেটি এখন পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৯ শত শেয়ার হয়েছে, এবং ভিডিওটি দেখেছেন ৯৮ হাজার জন মানুষ। এরপর গত ২৬শে অক্টোবর সকাল ৮ টা ১৮ মিনিটে আমার ফেইসবুক মেসেঞ্জারে ‘Dipankar Barman’ (@dipankar.barman.884411) নামের একটি আইডি থেকে আমাকে হত্যা, আমার পরিবারের মহিলাকে ধর্ষণের হুমকি দেয়,

এবং এই আইডি থেকে আল্লাহর রাসূল (সাঃ), আম্মাজান আয়িশা (রাঃ)-কে নিয়ে অত্যন্ত বাজে ও নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে, এবং ইসলাম বিষয়েও প্রচুর গালিগালাজ করতে থাকে। ঐ ব্যাক্তি বলে সে ভারতীয়, বর্তমানে খুলনাতে অবস্থান করছে সেইসাথে আমাকে খুলনাতে যেতে বলে, এবং সেখানে আমাকে ‘বলি’ দেওয়ার হুমকি দেয়।

এই আইডি ঘুরে আমার নকল আইডি মনে হয় নি বরং পুরনো, একটিভ ও আসল আইডি মনে হয়েছে। সে তার প্রোফাইলে নিয়মিতই মুসলিমবিরোধী পোস্ট দেয় এবং নরেন্দ্র মোদির কথা শেয়ার করে। এসব হতে আমার মনে হয় এই লোক সহ কেউ বা কারা আমাকে অনুসরণ করছে। আমি আমার নিরাপত্তার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এমতাবস্থায় উপরোক্ত বিষয়টি বিবেচনা করে ভবিষ্যতের জন্য সাধারণ ডাইরীভূক্ত করে রাখি।