আবু তাহের, জাককানইবি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ‘মাদুর পেতে নজরুলিয়ানদের ইফতার–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসনিক ভবন সংলগ্ন মাঠে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল্লাহ রিমনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় ইউটিএল এর সদস্য সচিব মো. হারুনুর রশিদ, ইউটিএল এর যুগ্ম আহ্বায়ক মো. অলি উল্লাহ, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন হিরা এবং সাবেক অফিস সম্পাদক আমানউল্লাহ।
ইফতার মাহফিল নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে স্থানীয় সরকার ও নগর উন্নয়ন বিভাগের শিক্ষার্থী সেলিনা শেলী বলেন, “ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক মাদুর পেতে নজরুলিয়ানদের ইফতার আয়োজনটি খুবই সুন্দর ছিল।
সবাই মিলে একসাথে উৎসবমুখর পরিবেশে ইফতার করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। এই আয়োজনের মাধ্যমে ঈদ ঈদ আমেজ অনুভব করেছি। এত সুন্দর আয়োজনের জন্য ইসলামী ছাত্রশিবিরকে ধন্যবাদ জানাই।”
আরেক শিক্ষার্থী বলেন, “আজকের প্রোগ্রামটি খুবই সাজানো-গোছানো ছিল। অনেক শিক্ষার্থী একসাথে ইফতার করেছি। ছাত্রদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা এবং ছাত্রীদের জন্য পর্দার আড়ালে আলাদা ব্যবস্থা ছিল। খাবারের মানও বেশ ভালো ছিল, আমরা তৃপ্তিসহকারে উপভোগ করেছি। ছাত্রশিবিরের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”
ইউটিএল-এর সদস্য সচিব মো. হারুনুর রশিদ বলেন, “ইউটিএলের পক্ষ থেকে জাককানইবি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কাছে আমাদের প্রত্যাশা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক উন্নয়ন ও গবেষণার ক্ষেত্রে ছাত্রশিবির ভূমিকা রাখবে।
একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখা এবং নারী শিক্ষার্থীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যথাযথ অবদান রাখবে। মাহে রমজানের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকাশ্যে ও গোপনে আল্লাহভীতি অর্জন করা।”
ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুল্লাহ রিমন বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য ছিল একসাথে বসে সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে ইফতার করা। আমরা ছাত্রশিবির এমন একটি ক্যাম্পাস চাই, যেখানে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলা যাবে।
সবাই শিক্ষার্থীদের জন্য নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করবে। ছাত্রশিবির অতীতের মতো ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচি চালু রাখবে। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।”
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল মিয়া।