মেহেদী হাসান রাতুল , (সিলেট)
দৈনিক সকালের নিজস্ব জরিপ অনুযায়ী সিলেট-১ আসনের ভোটের লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত এগিয়ে রয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
জরিপে দেখা গেছে, সাধারণ ভোটারদের বড় একটি অংশ তার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন। সিলেট-১ আসনে মূলত হেভিওয়েট দুই প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন— বিএনপি মনোনীত খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান।
উভয় প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণা জোরালো হলেও মাঠপর্যায়ে খন্দকার মুক্তাদির বেশি সাড়া পাচ্ছেন। তিনি সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যা, প্রত্যাশা ও ভোগান্তির কথা শুনছেন এবং সে অনুযায়ী তার নির্বাচনী ইশতেহার ও উন্নয়ন রোডম্যাপ উপস্থাপন করছেন।
এদিকে, সরাসরি গণসংযোগের পাশাপাশি খন্দকার মুক্তাদির পরিচালনা করছেন একটি ব্যতিক্রমী ও আধুনিক অনলাইন ক্যাম্পেইন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অ্যাপ ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ভোটারদের কাছে পৌঁছানো, ইশতেহার প্রচার এবং তাৎক্ষণিক জনমত সংগ্রহে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
তবে সিলেট-১ আসনে মাওলানা হাবিবুর রহমানের প্রথম দিকে বেশ জনপ্রিয়তা থাকলেও শেষের দিকে তা অনেকটাই থমকে গিয়েছে। ৭ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন ওঠেছে, এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অভিযোগ তুলেছেন যে মাওলানা হাবিবুর রহমানের হলফনামায় উল্লেখ নেই ইবনেসিনা হাসপাতালের মালিক হিসেবে তার অংশীদারিত্ব, এবং ব্যাংকে প্রায় ২০০ কোটির মতো ঋণ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে প্রশাসন কিংবা হাবিবুর রহমানের কাছ থেকে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা মেলেনি।
সর্বশেষ জরিপ ও গত সাত দিনের মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে সম্ভাব্য ভোটের হার প্রায় ৬৫ শতাংশ, আর জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর পক্ষে প্রায় ৩০ শতাংশ বলে ধারণা করা হচ্ছে।