সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঐক্য না বিদ্রোহ, মুন্সিগঞ্জে বিএনপির কঠিন সমীকরণ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জ জেলায় বিএনপির রাজনীতিতে স্পষ্ট বিভক্তি প্রকাশ্যে এসেছে। দীর্ঘদিন পর আসন পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হলেও দলীয় কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে বিএনপির নির্বাচনি সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত জোটভুক্ত দলগুলো নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে। মুন্সিগঞ্জ জেলায় মোট তিনটি সংসদীয় আসন রয়েছে—মুন্সিগঞ্জ-১, […]

ঐক্য না বিদ্রোহ, মুন্সিগঞ্জে বিএনপির কঠিন সমীকরণ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩:৪৭

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জ জেলায় বিএনপির রাজনীতিতে স্পষ্ট বিভক্তি প্রকাশ্যে এসেছে। দীর্ঘদিন পর আসন পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হলেও দলীয় কোন্দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে বিএনপির নির্বাচনি সমীকরণ জটিল হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত জোটভুক্ত দলগুলো নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।

মুন্সিগঞ্জ জেলায় মোট তিনটি সংসদীয় আসন রয়েছে—মুন্সিগঞ্জ-১, মুন্সিগঞ্জ-২ ও মুন্সিগঞ্জ-৩। এর মধ্যে মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি তুলনামূলকভাবে স্বস্তিতে থাকলেও বাকি দুই আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিদ্রোহ ও আঞ্চলিক সমীকরণ

মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। তবে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. মমিন আলী। এতে করে ঐতিহ্যবাহী বিএনপি ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনে দলীয় ভোট বিভাজনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এই আসনটি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব ডা. এ কিউ এ বদরুদ্দোজা চৌধুরীর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক এলাকা হিসেবে পরিচিত। তার পরবর্তী সময় থেকেই এলাকায় বিএনপির রাজনীতিতে বিভাজন দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।

এদিকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী অধ্যাপক এ কে এম ফখরুদ্দীন রাজীসহ একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীও সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির সুবিধাজনক অবস্থান

মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ দলীয় প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ আসনে বিএনপির কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় তিনি তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।

তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জামায়াত সমর্থিত ১০ দলীয় জোটের এনসিপি প্রার্থী মাজেদুল ইসলাম। পাশাপাশি কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিচ্ছেন।

মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনে অন্তঃকলহ প্রকট

জেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও শহরকেন্দ্রিক আসন মুন্সিগঞ্জ-৩-এ বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সবচেয়ে স্পষ্ট। এখানে দলীয় প্রার্থী কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান রতনের বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সদস্য সচিব মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই একাংশের নেতাকর্মীদের বিক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসে। এতে করে এ আসনে বিএনপির ভোটব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এই সুযোগ কাজে লাগাতে সক্রিয় হয়েছে জামায়াত জোট। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নুর হোসাইন নুরানী ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও রাজনৈতিক সমীকরণকে গুরুত্ব দিয়ে ভোটের মাঠে নিজেদের অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা করছেন।

ঐক্যই বড় চ্যালেঞ্জ

সব মিলিয়ে মুন্সিগঞ্জে বিএনপির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে দলীয় ঐক্য নিশ্চিত করা। বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও ভোটের মাঠে এর বাস্তব প্রভাব কতটা পড়ে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। অভ্যন্তরীণ বিভক্তি কাটিয়ে উঠতে না পারলে ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটিতে অন্য দলগুলোর ভাগ বসানোর আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।