মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

“দামে কম মানে ভালো” ভাইরাল কাকলী ফার্নিচারের মালিক দেউলিয়া হওয়ার পথে

ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি   গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় অবস্থিত স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘কাকলী ফার্নিচার’ ধ্বংসের নেপথ্যে স্বজনের প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও হিসাব গোপনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এস এম সোহেল রানা। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় কাকলী ফার্নিচার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপনের একপর্যায়ে তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে […]

“দামে কম মানে ভালো” ভাইরাল কাকলী ফার্নিচারের মালিক দেউলিয়া হওয়ার পথে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৯

ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 

 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার মাওনা চৌরাস্তায় অবস্থিত স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘কাকলী ফার্নিচার’ ধ্বংসের নেপথ্যে স্বজনের প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও হিসাব গোপনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এস এম সোহেল রানা।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ১১টায় কাকলী ফার্নিচার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপনের একপর্যায়ে তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় তিনি বর্ণনা করেন কিভাবে প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হওয়ার দ্বারপ্রান্তে। 

লিখিত বক্তব্যে এস এম সোহেল রানা বলেন, তার বোন জামাই আমান উল্লাহ (৪০) ও বোন কাকলী আমান (৩৫) পারিবারিক বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাকলী ফার্নিচারের অর্থ, জমি ও যানবাহন আত্মসাৎ করেছেন। তাদের অনিয়ম ও প্রতারণার কারণেই আজ একটি সম্ভাবনাময় শিল্পপ্রতিষ্ঠান ধ্বংসের মুখে।

তিনি জানান, তার বাবা মরহুম আবুল কাশেম ২০০০ সালের পর সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে কাকলী ফার্নিচার প্রতিষ্ঠা করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিষ্ঠানটি সুনাম অর্জন করে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে।

পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে আমান উল্লাহকে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত করা হলেও তিনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন। এরপরও পারিবারিক বিশ্বাসের কারণে তাকে অলিখিতভাবে অংশীদার করা হয়—যা পরবর্তীতে কাল হয়ে দাঁড়ায়।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ব্যবসার অর্থ দিয়ে ছয়টি জমি ক্রয় করা হলেও সেগুলোর কোনো স্বচ্ছ হিসাব আজ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। এছাড়া কাকলী ফার্নিচারের মালিকানাধীন একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি প্রাইভেটকার

যার আনুমানিক মূল্য ৩০ থেকে ৩৫ লাখ টাকা—জোরপূর্বক দখলে নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে যৌথ মালিকানাধীন একটি ফাউন্ডেশন বাড়ি এককভাবে বসবাস ও গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এস এম সোহেল রানা আরও বলেন, হিসাবের অনিয়মের কারণে বর্তমানে কাকলী ফার্নিচারের নামে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ এবং প্রায় ১ কোটি টাকা পাওনাদারের দায় সৃষ্টি হয়েছে। হিসাব চাইলে প্রতিপক্ষরা তালবাহানা ও হুমকির আশ্রয় নিচ্ছে।

কাকলি ফার্নিচারের কাউন্টারে আমান উল্লাহর বাবা জালাল উদ্দিন ফরাজি সম্প্রতি সোহেল রানাকে লাঠি দ্বারা অতর্কিত হামলা করে মারধর করেন। এসময় আমান উল্লাহ ও তার সহযোগীরা তেড়ে আসেন। 

তিনি বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাসের সময় ‘দামে কম, মানে ভালো’ স্লোগানে কাকলী ফার্নিচার দেশব্যাপী আলোচিত ও ভাইরাল হয়। অথচ আজ সেই প্রতিষ্ঠানই দেউলিয়ার পথে। দীর্ঘদিনের স্বজনের প্রতারণায় তিনি মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এস এম সোহেল রানা দেশবাসী, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন জানান।

তিনি তার পিতার সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠানের অধিকার উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে নীরবে এ দাবির প্রতি সমর্থন জানান।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।