মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাসপাতালে তালা আর মাকড়সার জাল, ৪০ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি

চৌবাড়ী বাজার পেরিয়ে সলপের আঞ্চলিক সড়কের দিকে হাঁটতে হাঁটতেই হঠাৎ চোখে পড়ে দোতলা সাদা একটি ভবন। দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি একটি হাসপাতাল। কাছে যেতেই লোহার গেটে ঝোলানো পুরাতন তালা আর মাকড়সার জাল জানান দেয় এখানে মানুষের আনাগোনা নেই বহুদিন।

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:১৭

মাসুম হোসেন অন্তু, সিরাজগঞ্জ

চৌবাড়ী বাজার পেরিয়ে সলপের আঞ্চলিক সড়কের দিকে হাঁটতে হাঁটতেই হঠাৎ চোখে পড়ে দোতলা সাদা একটি ভবন। দূর থেকে দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি একটি হাসপাতাল। কাছে যেতেই লোহার গেটে ঝোলানো পুরাতন তালা আর মাকড়সার জাল জানান দেয় এখানে মানুষের আনাগোনা নেই বহুদিন।

ফটকের ওপর লেখা,চৌবাড়ী ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল। নাম আছে, ভবন আছে, অথচ নেই চিকিৎসাসেবা।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ,বেলকুচি ও উল্লাপাড়া উপজেলার পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার কথা ভেবে এখানে নির্মাণ করা হয়েছিল ২০ শয্যার এই হাসপাতাল। প্রায় তিন একর জমির ওপর গড়ে ওঠা ভবনটির কাজ শেষ করে হস্তান্তর হয় ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বরে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রায় আড়াই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালটির দরজা আজও সাধারণ মানুষের জন্য খোলেনি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহায়তায় তালা খুলে ভেতরে ঢুকতেই চোখে পড়ে এক ভিন্ন চিত্র। হাসপাতাল চত্বর জুড়ে আগাছার দাপট। কোথাও ঘাস কোমর সমান।

মূল ভবনের প্রবেশপথে ময়লা জমে আছে। মাকড়সার জালে ঢেকে আছে করিডোর। জানালার কাচ ভাঙা। দেয়ালে ধুলোর আস্তরণ। যেখানে থাকার কথা রোগীর শয্যা, সেখানে এখন ফাঁকা কক্ষ আর নিস্তব্ধতা।

হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় এখানে কোনো জনবল বা নিরাপত্তা প্রহরী নেই। আর এই শূন্যতাকেই কাজে লাগিয়েছে চোরচক্র।

কামারখন্দ উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, চৌবাড়ির ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের রান্না ঘরের পেছন গেটের উপর দিয়ে ঢুকে দরজা ভেঙে চুরি হয়েছে ৫৫টি সিলিং ফ্যান, ৯০টি লাইট, প্রতিটি ইউনিটের সার্কিট ব্রেকার, ওয়াশরুমের স্যানিটারি ফিটিংস, একটি এসির আউটডোর ইউনিট, পাওয়ার স্টেশনের ট্রান্সফরমার, জেনারেটরের কয়েল, ব্যাটারি ও তামার তার সব মিলিয়ে আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার সরঞ্জাম উধাও হয়েছে।

কামারখন্দ উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন উদ্দিন জানান,ভবন খালি থাকায় প্রায় ৪০ লাখ টাকার চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও জনবন সংকট এজন্য ওইখানে নাইটগার্ড দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি আমি শোনার পরে সরেজমিনে পরিদর্শন করি। কামারখন্দ থানার পুলিশকে বেশ কয়েকবার মৌখিক অভিযোগ দেয় এরপর লিখিত অভিযোগ করি। পরে সেটি মামলা হয়। আর এটা যখন হস্তান্তর করা হয় তখন আমি এখানে ছিলাম না।

সিরাজগঞ্জ প্রকৌশল অধিদপ্তর (এইচইডি) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতাটির প্রাকল্পিত মূল্য ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা। হাসপাতালটির কাজ শুরু হয় গত ২০১৮ সালের ২৪ নভেম্বর আর কাজ শেষ হয় ২০২২ সালের জুন মাসে। আর এ কাজটি করেন DMCL AND PC -JV নামের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান।

সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, এখানে রয়েছে দুটি স্টাফ কোয়ার্টার, একটি দোতলা ডক্টরস কোয়ার্টার, ড্রাইভার গ্যারেজসহ বাসা, পাওয়ার স্টেশন, রান্নাঘর ও মূল দোতলা ভবন। কিন্তু এখন এসব ভবনে ডাক্তার নয়, বাসা বেঁধেছে নীরবতা।

একটি স্টাফ কোয়ার্টার ও মূল ভবনেও ফাটল দেখা গেছে, আরেকটিতে জানালার কাচ নেই। রান্নাঘরটি পরিত্যক্ত থাকায় সেটিই হয়ে উঠেছে চোরদের প্রবেশপথ। মূল ভবনের ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, হাসপাতালের চেয়ার টেবিল, বিদ্যুৎ লাইনের তার কাটা, অপারেশন থিয়েটার, জরুরী সেবা, মেডিকেল ডক্টরস চেম্বার, রিসিপশনসহ বিভিন্ন আসবাবপত্রে ধুলাবালির আস্তরণ ও এলেমেলোভাবে রয়েছে।

কামারখন্দ উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. আবু সাঈদ বলেন, নিয়মিত চুরি হচ্ছে। ঘটনার স্থলে পুলিশ পরিদর্শন করেছে। সেখানে আমি গিয়েছিলাম। স্থানীয়রাও আমাদের অভিযোগ করেছে হাসপাতালে ভিতরে ঢুকে মাদকসেবন করা হয়। সার্বিক বিষয়েও স্যারদেরকে জানিয়েছি।

চৌবাড়ি গ্রামের গোলাম আজম চৌধুরী বলেন, হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় আমরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি অন্যদিকে সরকারি সম্পদ চুরি হচ্ছে। এখানে নানান ধরনের মাদক সেবনসহ অসামাজিক কার্যকলাপ হয় বলেও গ্রামের মানুষের কাছে থেকে শুনেছি। কতৃপক্ষের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

চৌবাড়ী ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তোজ্জামেল হক বলেন, এই চৌবাড়ি এলাকায় দুইটি হাইস্কুল, তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দুটি কেজি স্কুল, একটি মাদ্রাসা ও একটি কলেজ রয়েছে। এখানে হাসপাতালটি চালু হলে এই শিক্ষার্থীরা চিকিৎসা নিতে পারতো।

হাসপাতালটি চালু না হওয়ায় শিক্ষার্থীও স্থানীয়রা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমরা চাই দ্রুত চালু করা হোক।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্বাস্থ্য সেল কেন্দ্রীয় সদস্য হুজাইফা সম্রাট রাব্বি বলেন, চৌবাড়ির ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। আমি কতৃপক্ষকে অনুরোধ করবো সিভিল সার্জন, ডিসি অফিস ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পূর্ণাঙ্গ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় এবং দ্রুত হাসপাতালটি যেন চালু করে। হাসপাতালটি চালু হলে কামারখন্দ,বেলকুচি ও উল্লাপাড়ার পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষজন সেবা পাবে। এটা নিয়ে আমিও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে লিখিত দিয়েছি।

কামারখন্দ থানার পুলিশের এসআই মো. বাবুল আক্তার বলেন , লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর সার্কেল স্যারকে নিয়ে পরিদর্শন করেছি। এখানে জনবল নিয়োগ না থাকার কারণে বিভিন্ন সময় চুরির ঘটনা ঘটেছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।

জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ নুরুল আমীন বলেন, কামারখন্দের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালেই জনবল সংকট রয়েছে। এজন্য চৌবাড়িতে ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে জনবল দেওয়া সম্ভব হয়নি। চুরির বিষয়ে মামলা হয়েছে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।