মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাসছে অবৈধ ইটভাটার মালিক , দূষণে ভারী হচ্ছে পরিবেশ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটা। উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ডিপা গুঞ্জা (টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে) দিয়ে ভাটা পরিচালনা করার দাবী মালিক পক্ষের। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবী মামলা জটিলতার কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না ইটভাটা। প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জেলার ৪০টি ইটভাটার মধ্যে এ বছর চালু আছে ৩২টি। মৌসুমের শুরুতে প্রশাসন […]

হাসছে অবৈধ ইটভাটার মালিক , দূষণে ভারী হচ্ছে পরিবেশ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৪৪

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটা। উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ডিপা গুঞ্জা (টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে) দিয়ে ভাটা পরিচালনা করার দাবী মালিক পক্ষের। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবী মামলা জটিলতার কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না ইটভাটা।

প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জেলার ৪০টি ইটভাটার মধ্যে এ বছর চালু আছে ৩২টি। মৌসুমের শুরুতে প্রশাসন ছয়টিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করেন। এগুলো এখন ইট পোড়ানোর কর্যক্রম চালুও আছে।

কিন্তু বন্ধ করার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। এতে হাঁসি থাকে অবৈধ ভাটার মালিকদের দূষণে ভারী হয় পরিবেশ। 

এদিকে স্থানীয় দপ্তর ম্যানেজ করে সরকারী ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির উপরিভাগ, খাস পতিত জমি, নদীর চর, বিল ও খালের মাটি নেওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। এসব মাটি পরিবহনে প্রতিনিয়ত ট্রাক্টর চলাচল করায় গ্রামীণ রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। ইটভাটার ধোঁয়ায় আশপাশের পরিবেশের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফসলি জমি হারাচ্ছে উর্বরতা। 

জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইটভাটার সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, জেলার নয়টি উপজেলায় ৪০টি ইটভাটা আছে। এবছর ৩২টি ভাটা ইট উৎপাদন কাজ করছে। এর মধ্যে ৪টি ভাটার পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র আছে। বাকী ২৮টি ভাটা অবৈধ থেকেই ইট তৈরির কাজ করছে। প্রতিটি ভাটায় ৩০০-৪০০ শ্রমিক কাজ করে। ফলে ১০-১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়। প্রতিটি ভাটায় ৬৫লাখ থেকে ১কোটি পিসের বেশী ইট উৎপাদন হয়। 

উচ্চ আদালতে আদেশের তথ্য মতে, পরিবেশবাদী সংগঠন “হিউম্যান রাইট’স অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ” এর পক্ষে ২০২৩ সালে ১০ নভেম্বর উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই বছর ১৩নভেম্বর দেশের অবৈধ সব ইটভাটা বন্ধ করতে আদেশ দেন।

এ আদেশে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিবেশ সচিবকে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিতে বলা হয়। অন্যান্য এলাকায় কিছু ইটভাটা বন্ধ করা হলেও নেত্রকোনার কোতাও প্রশাসন তা কার্যকর করেনি। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ৪ধারায় বলা আছে, ইটভাটা যে জেলায় অবস্থিত, সেখানকার জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত করতে পারবেন না।

ওই আইনের ৮(১) ধারায় বলা আছে, ছাড়পত্র থাকুক বা না থাকুক, আইন কার্যকরের পর আবাসিক বাণিজ্যিক ও সংরক্ষিত এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, সরকারি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন বন, অভয়ারণ্য, বাগান, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক,

গবেষণা প্রতিষ্ঠান, অনুরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ভাটা স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু এর নিয়ম মানা হয়নি ইটভাটা গুলোতে। এসব ইটভাটা থেকে জনবসতি, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব খুবই কম। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা সহ ৯টি উপজেলার অধিকাংশ ভাটার পাশেই ফসলি জমি, বিদ্যালয়, কলেজ, বাজার, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সড়ক, রেললাইন ও জনবসতি এগুলোর কোন একটি আছে। জেলার আটপাড়া মাটিকাটা গ্রামের কাঞ্চন ও স্কুল শিক্ষার্থী সাব্বির ও তাজবীদ সহ অনেকেই বলেন, নেহল ব্রিকস নামে ইটভাটার ধুলাবালিতে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি ইটভাটার মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বলেন, ভাটা পরিচালনা করতে অনেক কষ্ট হয়। সাংবাদিকদের টাকা না দিলে প্রশাসন দিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করে। আবার সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি অফিসকে ডিফা গুঞ্জা (টাকা) দিয়ে ম্যানেজ করে রাখতে হয়। 

কেন্দুয়ার ভগবতীপুর গ্রামের অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা ও বসতবাড়ির আশপাশে ইটভাটার ধুলাবালি ও কয়লার কণা ওড়ে। এতে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট সহ নানা রোগে ভুগছে। ফল গাছের ফলনও, ফসলী জমিতে ধান ও সবজীর ফলন কমে গেছে। গত বছর প্রশাসন “ঢাকা ব্রিক’স” নামের ইটভাটাটি বন্ধ করলেও পরদিন মালিক পক্ষ আবার চালু করে।

প্রশাসনকে জানিয়ে লাভ হয় না। উল্টো ভাটার মালিক পক্ষের হুমকি ধামকিতে এলাকা থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের নামে জনসাধারণের সাথে তামাশা করে। সরকারের উচ্চ মহল কাছে এসব অবৈধ ইটভাটা বন্ধে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

নেত্রকোনা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, জেলার ইটভাটায় প্রায় দশ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সাথে সমসংখ্যক পরিবারের জীবিকাও নির্বাহ হচ্ছে। আমি মনে করি সরকার নীতিমালা সহজ করে ইটভাটা শিল্পকে রক্ষা করতে উদ্যোগ নিবে। 

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির নেটওয়ার্ক (বেলা) সদস্য ও এআরএফবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার খান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিদি মোতাবেক যে সমস্ত ইটভাটা চলতে পারবে না সেগুলো প্রশাসনের বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

নেত্রকোনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জেলায় ৩২টি ইটভাটা চালু আছে। এর মধ্যে ৪টির পরিবেশের ছাড়পত্র রয়েছে। এ বছর কেন্দুয়া ৪টি, মদনে ২টি ও আটপাড়ায় ২টি ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। মামলা জটিলতার কারণে অবৈধ ভাটা গুলো বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে অবৈধ ঈদ বাটায় নিয়মিত ব্রাহ্মণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করছে। সরকারি জমি এবং নদী ও বিলের অংশ থেকে ইটভাটায় মাটি নেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।