বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনেই যেন বিএনপি নিতে মরিয়া

মেহেদী হাসান,বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে দুই আসনে জোট প্রার্থী জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬টি আসনে ৫৯ প্রার্থী পেয়েছেন বৈধতা। সুযোগ […]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনেই যেন বিএনপি নিতে মরিয়া

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৩৬

মেহেদী হাসান,বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনের মধ্যে দুই আসনে জোট প্রার্থী জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।

ফলে ওই দুই আসনে সুযোগ নিতে চায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। ৬টি আসনে ৫৯ প্রার্থী পেয়েছেন বৈধতা। সুযোগ নিতে চায় ১২ দলীয় সমমনা জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। দুটি আসনে বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়তে হবে বিএনপি ও জোট প্রার্থীদের।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর): এবার আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী এম এ হান্নান, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের এস এম শহীদউল্লাহ, জাতীয় পার্টির মো. শাহ আলম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হুসাইন আহম্মদ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. ইসলাম উদ্দিন,

ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. শরীফ মৃধা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এ কে এম কামরুজ্জামান ও ইকবাল চৌধুরী। এই আসনে বিএনপি ও ১২ দলীয় জোট প্রার্থীর মধ্যে লড়াই হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ): আসনটিতে বিএনপি প্রার্থী না দিয়ে সমর্থন দিয়েছে জোটসঙ্গী জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে। তবে তাঁকে নির্বাচন করতে হবে খেজুরগাছ প্রতীকে। জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মোবারক হোসেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

এ ছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহ্দী, জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেছার আহম্মেদ, খেলাফত মজলিসের আবুল ফাতাহ মো. মাসুক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের তৈমুর রেজা মো. শাহজাদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. মাইন উদ্দিন, আমজনতা দলের শরিফা আক্তার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন এস এ তরুণ দে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর): এই আসনে বিএনপি থেকে প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী থেকে অধ্যাপক জুনায়েদ হাসান, এনসিপি থেকে মো. আতাউল্লাহ, জাতীয় পার্টি থেকে অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া,

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে নিয়াজুল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. মুহসিনুল হাসান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আবু হানিফ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আয়েশা আক্তার এবং খেলাফত মজলিসের হাফেজ মো. এমদাদুল্লাহ মনোনয়ন পেয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া): এই আসনে বিএনপি থেকে দুজনকে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য ড. মুশফিকুর রহমান ও কবির আহাম্মেদ ভূঁইয়া। তবে শেষ পর্যন্ত কে নির্বাচনে থাকবেন, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে ২০ জানুয়ারি।

এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম থেকে মো. আতাউর রহমান সরকার, জাতীয় পার্টির মো. মো. জহিরুল হক খান, গণঅধিকার পরিষদের মো. জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. হাফেজ আলম, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের রাফি উদ্দিন এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহিন খান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর): এই আসনে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমজাদ হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নজরুল ইসলাম, গণফ্রন্টের নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া,

গণসংহতি আন্দোলনের নাহিদা জাহান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. আশরাফুল হক, জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. শাহিন খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন (বিএনপির বিদ্রোহী) কাজী নাজমুল হোসেন তাপস।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর): এই আসনে বিএনপি সমর্থন দিয়েছে জোটসঙ্গী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে। তাঁকে নির্বাচন করতে হবে মাথাল প্রতীকে। এ ছাড়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দেওয়ান মো. মহসিন,

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাঈদ উদ্দিন খান জাবেদ, গণঅধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলাম শুভ , ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মো. আবু নাছের, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের কে এম জাবির, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শফিকুল ইসলাম এবং বিএনপির বিদ্রোহী ড. মো. সায়দুজ্জামান কামাল স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।