শেখ সজীব,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলাযর মঘিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী মো রকিবুল ইসলামকে বেধরক মারধরের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।
শনিবার ( ১০ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার মঘিয়া ব্রিজ সংলগ্ন ‘শাপলা স্টোর’ নামের একটি মুদি দোকানের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত যুবদল নেতা মো রকিবুল ইসলাম বলেন, বিকেলে স্থানীয় একটি দোকানের সামনে বসে ছিলাম। হঠাৎ করে হেলমেট ও মাস্ক পড়া তিনটা ছেলে পিছন থেকে সামনে আসে। এসময় মাদারতলার গ্রামের শুভ নামের একজন আমাকে দেখিয়ে দেয়।
পরে রড ও পাইপ দিয়ে আমাকে আঘাত করে। এসময় আমি মাটিতে পড়ে গেলে আরও বেশি মারধর করে। পরে স্থানীয় জনতা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনে।ডাক্তার বলেছে আমার হাত পা ভেঙে গেছে।
তিনি আরও বলেন, হামলা করার পর পালানোর সময় সদর উপজেলার দেপাড়া বাজার থেকে হামলাকারীদের দুজনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। আরেকজন পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে শুনেছি, বিএনপির কিছু নেতার হস্তক্ষেপে তাদের ছেড়ে দিয়েছে। কচুয়া থানা পুলিশকে জানালেও, পুলিশ আর দেপাড়া এলাকায় আসেনি।
রকিব আরও বলেন, মূলত কয়েকদিন আগে যুবদলের একটি সভায় কচুয়া উপজেলা ছাত্রদল নেতা রিয়াজের সাথে জটিলতা হয়েছিল।
সেই জেরে তখন শুভ আমার উপর হামলা করেছিল। আমি মনেকরি রিয়াজের নির্দেশে শুভ ও ওই দুইজন আমার উপর হামলা করেছে। আমি এই হামলার বিচার দাবি করছি।
রাকিবের অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ছাত্রদল নেতা রিয়াজ বলেণ, ৫ আগস্টের পরে আমাকে প্রতিপক্ষরা মারপিট করেছিল। আমি নিজেই খুব অসুস্থ্য, এখনও স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারি। আমার সাথে রাকিবের সাথে কোন রাজনৈতিক সমস্যা নেই।
আর শুভ মূলত আমাদের গ্রুপের রাজনীতি করে না। আমি যে গ্রুপের রাজনীতি করি, শুভ তার বিপরীত গ্রুপে রাজনীতি করে। শুভ কেন হামলা করেছে বা করেনি এ বিষয়ে আমি জানি না। এই হামলার সাথে নিজের কোন সম্পৃক্তা নেই বলে দাবি করেন রিয়াজ।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, একটি হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে রাকিবের পরিবার এখনও কোন অভিযোগ দেয় নাই। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
হামলাকারীদের দুইজনকে দেপাড়া বাজারে আটকালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করলনা কেন এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, দেপাড়া আমার থানার বাইরে হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি।