মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কুয়েট প্রশাসন ও ছাত্রলীগের নির্যাতনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

‎খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) প্রশাসন ও ছাত্রলীগের নির্যাতনের বিচারহীনতা এবং তদন্ত রিপোর্ট গোপনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জাহিদুর রহমান। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

নিউজ ডেস্ক

০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:০০

মহরম হাসান মাহিম, (খুলনা)

‎খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) প্রশাসন ও ছাত্রলীগের নির্যাতনের বিচারহীনতা এবং তদন্ত রিপোর্ট গোপনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জাহিদুর রহমান। মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে খুলনা প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাহিদুর রহমান অভিযোগ করেন, ২০২২ সালের ১১ সেপ্টেম্বর কুয়েট ছাত্রলীগের হাতে তিনি বর্বর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হন। কিন্তু ওই সময় কুয়েট প্রশাসন তার পাশে দাঁড়ানোর পরিবর্তে উল্টো ছাত্রলীগের পক্ষ নেয় এবং প্রশাসন নিজেই বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

‎তিনি বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে খুলনা মেডিকেল কলেজের প্রিজন সেল থেকে আদালতের মাধ্যমে আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিনা অপরাধে আমাকে ৫২ দিন কারাভোগ করতে হয়। পরে ২ নভেম্বর ২০২২ সালে আমি জামিনে মুক্তি পাই।

‎জেল থেকে মুক্তির পর একাধিকবার নিরাপত্তা চাইলেও কুয়েট প্রশাসন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। ফলে প্রায় দুই বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরতে পারেননি এবং তার একাডেমিক জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

‎জাহিদুর রহমান আরও বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের পর তিনি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে কুয়েট প্রশাসন একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। দীর্ঘ পাঁচ মাস তদন্ত শেষে ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ সালে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ছাত্র শৃঙ্খলা কমিটি ১৩ জন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়, যার মধ্যে ১০ জনের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়। এই সিদ্ধান্তকে তিনি স্বাগত জানান।

‎তবে তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার মূল কারিগর হিসেবে অভিযুক্ত তৎকালীন ভিসি মিহির রঞ্জন হালদার, ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ইসমাইল সাইফুল্লাহ, হল প্রভোস্ট হামিদুল ইসলাম, সহকারী হল প্রভোস্ট সুনন্দ দাসসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকি তার বিরুদ্ধে করা মিথ্যা মামলার বাদী, কুয়েটের সিকিউরিটি ইনচার্জ সাদেক হোসেন প্রামাণিক এখনো দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রশাসন তাকে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের কপি দিতে বারবার অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যা তার আইনি লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করছে। এ বিষয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কুয়েট প্রশাসন কোনো জবাব দেয়নি।

‎তিনি বলেন, এই আচরণ প্রমাণ করে, প্রশাসন অপরাধী শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের রক্ষা করতে এবং আমাকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করতে সচেষ্ট।

‎সংবাদ সম্মেলন থেকে জাহিদুর রহমান তিনটি দাবি উত্থাপন করেন:

‎১) তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অবিলম্বে জনসমক্ষে প্রকাশ ও তাকে সত্যায়িত কপি সরবরাহ।

‎২) ঘটনায় জড়িত শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বরখাস্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে বাদী করে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের।

‎৩) তার একাডেমিক ক্ষতি, মানসিক ও আর্থিক ক্ষতির জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনের নিশ্চয়তা।

‎এ সময় তিনি কুয়েট প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট হস্তান্তর ও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হলে তিনি কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি বা উচ্চ আদালতে আইনি লড়াই শুরু করবেন বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।