মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

উৎসবমুখর পরিবেশে ফকিরবাজার ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর উদ্বোধন

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে সুস্থ ও ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্ণি ইউনিয়ন ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে ফকিরবাজার ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৩৪

মাহিনুর ইসলাম মাহিন, বড়লেখা

খেলাধুলার মাধ্যমে যুবসমাজকে সুস্থ ও ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে বড়লেখা উপজেলার ১নং বর্ণি ইউনিয়ন ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে ফকিরবাজার ফুটবল টুর্নামেন্ট–২০২৬ এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (০৪ জানুয়ারি) বিকেলে ফকিরবাজার সরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ফয়ছল আহদের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন রেদোয়ান-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক ফুটবলার আলহাজ্ব শফিকুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা আব্দুল হামিদ, সুনাম উদ্দিন, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, মাস্টার কায়েদে আজম, টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি আবুল হোসেন ও শেরুজাম্মান চৌধুরী বেনু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রুহেল আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুলু মিয়া, আবুল কালাম লুলাই, আক্তার হোসেন ও বিশ্বজিৎ চন্দন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিমেল আহমদ, এমরান হোসেন, ঝন্টু দাস, প্রচার সম্পাদক মাহিনুর ইসলাম মাহিন, সহ-প্রচার সম্পাদক হাবিবুর রহমান ও রাবিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল আলম, সহ-কোষাধ্যক্ষ নিজাম উদ্দিন ও আব্দুল কাদির, দপ্তর সম্পাদক রুবেল আহমদ, সহ-দপ্তর সম্পাদক হেনু মিয়া, মিডিয়া সম্পাদক মাহবুবুর রহমান এবং সহ-মিডিয়া সম্পাদক সইব উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মুসলেহ উদ্দিন, আলম উদ্দিন, ইসমাইল হোসেন, আলতাই হোসেন, জায়েদ হোসেন, আনোয়ার উদ্দিন, রুবেল হোসেন, শাহিন আলম, জবরুল হোসেন, রানু মিয়া, ফয়ছল আহমদ, এনু মিয়া, সরওয়ার আহমদ, হোসেন আহমদ, সোহেল আহমদ, মনসুর আহেদ, জুম্মান হোসেন, এনায়েত হোসেন, অহিদ আহমদ, নাহিদ হোসেন, আলমগীর হোসেন, সুমন আহমদ, আনোয়ার হোসেনসহ আরও অনেকে।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, “খেলাধুলা যুবসমাজকে মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ক্রীড়া চর্চা একটি সুস্থ ও সচেতন সমাজ গঠনে সহায়ক।”

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফিতা কেটে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়। পরে উদ্বোধনী ম্যাচে বাগলা ফুটবল একাদশ, গোলাপগঞ্জ ও আহমেদ জালাল ফুটবল একাডেমি, বড়লেখা মুখোমুখি হয়। উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে ১–০ গোলে আহমেদ জালাল ফুটবল একাডেমি, বড়লেখা জয়লাভ করে।

এবারের টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করছে। টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে একটি ১০০ সিসি মোটরসাইকেল, যার দাতা লন্ডনপ্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক আব্দুল বাছিত (গ্রাম—উজিরপুর)।

রানার্সআপ দল পাবে একটি উন্নতমানের বড় ফ্রিজ, যার দাতা ফ্রান্সপ্রবাসী ক্রীড়া সংগঠক খায়রুল ইসলাম খয়রুল (গ্রাম—মনারাই)।

এছাড়া প্রতিটি খেলায় ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার প্রদান করা হবে, যার দাতা আলী এন্টারপ্রাইজ-এর পরিচালক সাহেদ আহমেদ আলী।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।