মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শক্ত ঘাঁটিতেই ফাটল, মুন্সিগঞ্জে বিএনপির ভোটব্যাংক ঝুঁকিতে

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি এখন দ্বিধা ও দ্বন্দ্বে আবদ্ধ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির সামনে সম্ভাবনার দুয়ার খুললেও সেই সুযোগ কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়েছে দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতেই দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামায় বিএনপিরই […]

শক্ত ঘাঁটিতেই ফাটল, মুন্সিগঞ্জে বিএনপির ভোটব্যাংক ঝুঁকিতে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০:০৬

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মুন্সিগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি এখন দ্বিধা ও দ্বন্দ্বে আবদ্ধ। দীর্ঘ ১৭ বছর পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির সামনে সম্ভাবনার দুয়ার খুললেও সেই সুযোগ কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়েছে দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধের কারণে। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুটিতেই দলীয় সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামায় বিএনপিরই একাধিক নেতা। ফলে নির্বাচনী মাঠে বিএনপির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

ঢাকার সন্নিকটবর্তী এই জেলায় বিএনপির ঐতিহ্যগত সমর্থন থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই সমর্থন আর একমুখী নেই। মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে দলীয় প্রার্থী থাকলেও একই দলের আরও দুই নেতা ভোটের লড়াইয়ে নামায় কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় কোন্দলের পাশাপাশি উপজেলাভিত্তিক প্রভাব বিস্তার এবং পুরোনো রাজনৈতিক হিসাবও এখানে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের নেতৃত্ব সংকট ও অতীত বিভাজনের জের টেনে এনেছে বর্তমান দ্বন্দ্বকে।

একই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনেও। সদর আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থীর বিপরীতে দলেরই এক শীর্ষ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মাঠে নামায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই এলাকায় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ এবং পাল্টাপাল্টি অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এতে করে দলীয় প্রার্থী যেমন নির্বিঘ্নে প্রচারণা চালাতে পারছেন না, তেমনি সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এর বিপরীতে মুন্সিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির চিত্র তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল। এখানে দলীয় প্রার্থী এককভাবে মাঠে থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা যে সহজ হবে না, তা বলছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরাই। কারণ এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী প্রার্থী ধারাবাহিকভাবে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন।

বিএনপির এই অস্থিরতার সুযোগ নিতে ইতোমধ্যে তৎপরতা বাড়িয়েছে জামায়াত ও তাদের শরিক দলগুলো। তারা দলীয় কোন্দল, অসন্তুষ্ট নেতাকর্মী এবং বিভক্ত ভোটব্যাংককে লক্ষ্য করে কৌশল নির্ধারণ করছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির ভেতরের বিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এর সুফল বিরোধী জোট পেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, মুন্সিগঞ্জে এবারের নির্বাচন বিএনপির জন্য আত্মপরীক্ষার মতো। নিজেদের মধ্যে সমন্বয় ও ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে এই জেলার ফলাফল দলটির প্রত্যাশার বিপরীত হতে পারে। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—প্রতিদ্বন্দ্বী দল নয়, বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন নিজেদের ভেতরের বিভাজন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।