বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

প্রশাসনকে ম্যানেজ করে কুমিল্লার গোমতীর পাড়ে চলছে মাটির হরিলুট

কুমিল্লার গোমতী নদীতে অবৈধভাবে মাটির ব্যবসার কারণে বাঁধ, সড়ক ও সেতু চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগে বাঁধের মাটি কেটে নেয়ায় পুরো এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। 

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:৪৮

রবিউল আলম, কুমিল্লা

কুমিল্লার গোমতী নদীতে অবৈধভাবে মাটির ব্যবসার কারণে বাঁধ, সড়ক ও সেতু চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের উদাসীনতার সুযোগে বাঁধের মাটি কেটে নেয়ায় পুরো এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। 

প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে মধ্যরাত পর্যন্ত গোমতী নদীর দুই পাশে চলে মাটি কাটা।

প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা না মেনেই প্রতিদিন শত শত ট্রাক ওঠানামা করছে নদীর বাঁধ দিয়ে। শীত আসার পরপরই দুই বাঁধজুড়ে শুরু হয় মাটি কাটার মহোৎসব।

গোমতী চরে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে বছরে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার ফসল উৎপাদন করা হয়ে থাকে। অথচ গোমতী নদীর চরে একটি চক্র নির্বিঘ্নে কেটে নিচ্ছে গোমতী পাড়ের ফসলি জমি। এতে হুমকির মুখে নদী পাড়ের কৃষিব্যবস্থাও। 

স্থানীয় রা বলেন,নদীর ‘জমিতে আমরা সবজি চাষাবাদ করতাম। সব জমি কেটে নিয়ে গেছে। এবার ৩ শতক জমিতে টমেটো চাষ করেছি। জমির জন্য চাষাবাদ করতে পারি না।’ 

স্থানীয়রা বলেন-‘যেভাবে মাটি কাটা হচ্ছে আর কিছুদিন পর নদীর বাঁধ থাকবে না। ব্রিজও ভেঙে পড়বে। সকাল থেকে শুরু হয় মাটি কাটা। সারা রাত মাটি কাটা চলে; শুধু ট্রাক আর ট্রাক। রাস্তাঘাটও শেষ। প্রশাসন যখন আসে তখন কেউ থাকে না। প্রশাসন চলে গেলে আবার কাটা শুরু হয়।’ 

গোমতীর অবৈধ মাটি কাটার ই মহোৎসবে যোগ দিয়েছেন ইটভাটার মালিকরাও। প্রায় ৯০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কাটা হচ্ছে মাটি। আর সেই মাটি নেয়া হচ্ছে জেলাজুড়ে গড়ে ওঠা বৈধ অবৈধ ইটভাটাগুলোতে। মাটি বহনকারী ট্রাকের চালকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার এমরান ব্রিকস ৮০ থেকে ৯০ ট্রাক মাটি কেটে নিয়ে যায়। 

গোমতীর তীরবর্তী কুমিল্লার বিবির বাজার ও গোলাবাড়ি সীমান্ত থেকে শুরু করে দাউদকান্দি পর্যন্ত প্রায় ৮৭টি পয়েন্টে থেকে প্রতিদিন ১৪শ থেকে ১৫শ ট্রাক মাটি অবৈধভাবে কেটে নেয়া হচ্ছে। 

প্রতিদিন শত শত ট্রাক এ রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করে। দিনরাত বালুর মধ্যে থাকতে হয়, এতে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি দেখা দিয়েছে অনেকের। এভাবে গোমতী নদী থেকে মাটি কেটে নেয়, প্রশাসন দেখে না?’ এ কাজে প্রশাসনের লোকও জড়িত আছে বলে অভিযোগ তার। 

কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ভূমি মাশিয়াত আকতার বলেন-অভিযান চলছে তবে পুরোপুরি সফল হতে পারিনি। প্রশাসনের সকলকে সম্পৃক্ত করে কমিটি গঠন করে মাটি কাটা প্রতিরোধ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন জেলা প্রশাসন।

‘তিনি বলেন-গোমতী নদীর পাড় থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা বন্ধে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা জেলার গোমতীর পাড়ের বিভিন্ন জায়গা প্রতিদিন অভিযান পরিচালনা করে জড়িতদের অর্থদণ্ড প্রদান করছে। গোমতী রক্ষার্থে প্রশাসনের সকলে মিলে কাজ করবে। 

কুমিল্লার ১৪১ কিলোমিটার গোমতী বাঁধের মধ্যে কুমিল্লা সদরের টিক্কার, জগন্নাথপুর, বিবির বাজার, চাঁন্দপুর ব্রীজ,পালপাড়া,আলেখারচর,আড়াইওরা, জেলার মুরাদনগর, দেবিদ্বারের কংশনগর,বুড়িচং,ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার গোমতী নদীর চর থেকে মাটি কেটে তা ট্রাক্টর যোগে বিক্রি করা হচ্ছে। 

কুমিল্লা নগরসহ ৪টি উপজেলাকে বাচাঁতে অবিলম্বে অবৈধ ভাবে গোমতীর বালূ উত্তোলনও মাটিকাটা বন্ধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা কুমিল্লাবাসীর।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।