বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

২০২৫ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ‘পুশ-ইন’ সংকট ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের টানাপোড়েন

২০২৫ সালটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক কঠিন পরীক্ষার বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, অন্যদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযানের নামে ‘পুশ-ইন’ ও ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়া দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে এক বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:২৪

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট

২০২৫ সালটি ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক কঠিন পরীক্ষার বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একদিকে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন, অন্যদিকে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযানের নামে ‘পুশ-ইন’ ও ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়া দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে এক বড় ধরনের ফাটল সৃষ্টি করেছে।

ভারতের দাবি অনুযায়ী, কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশি সুরক্ষা বাহিনী (BGB) ভারতীয় নাগরিকদের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ভারতীয় পাশে থেকে জোর করে বাংলাদেশের ভেতরে ঠেলে দেয় একে পুশ-ইন বলা হয়।

২০২৫ সালের মে এবং জুন মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের মাত্রা তীব্র আকার ধারণ করে। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সীমান্ত নিরাপত্তা সূত্রের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালের মে মাসের শেষ পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনেই প্রায় ১,২২১ জন মানুষকে বাংলাদেশের ১৮টি জেলা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক পুশ-ইন করা হয়েছে। জুন মাসের শুরুতে এই সংখ্যা ২,০০০ ছাড়িয়ে যায়।

২০২৫ সালে (জানুয়ারি-নভেম্বর পর্যন্ত) ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী (BSF) সূত্র অনুযায়ী, প্রায় ৫,২০০ জন বাংলাদেশি নাগরিক ভারত থেকে পুশব্যাক করা হয়েছে।এর মধ্যে পুরুষ প্রায় ৪,১৫০ জন, নারী প্রায় ৭০০ জন এবং শিশু (১৮ বছরের কম)প্রায় ৩৫০জন। অন্যদিকে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৮০–২২০ জন “ভুলভাবে পুশ-ইন” করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।  

ভারতের গুজরাট, দিল্লি, হরিয়ানা এবং মহারাষ্ট্র থেকে তথাকথিত ‘অবৈধ অভিবাসী’ সন্দেহে লোকজনকে বিমানে বা ট্রেনে করে সীমান্তে নিয়ে আসা হয় এবং রাতের আঁধারে বিজিবিকে না জানিয়ে পুশ-ইন করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা উদ্বেগজনক। উদাহরণস্বরূপ, গত ৪ মে গুজরাট থেকে পাঠানো ৩০০ জনের মধ্যে ২০০ জনই ছিল নারী ও শিশু। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, আটককৃতদের মধ্যে পুরুষের তুলনায় নারী ও শিশুদের সংখ্যাই বেশি (প্রায় ৬০-৬৫%)।

২০২৫ সালের এই অভিযানের সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হলো প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের ভুলবশত বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ এবং মহারাষ্ট্রের অন্তত ৫ থেকে ৭ জন ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে যারা জন্মসূত্রে পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক এবং যাদের কাছে বৈধ ভারতীয় পরিচয়পত্র রয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে কলকাতা হাইকোর্টে ‘হেবিয়াস কর্পাস’ পিটিশন দাখিল করা হয় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হস্তক্ষেপে কয়েকজনকে ভারত ফিরিয়ে নেয়।

কেবলমাত্র বাংলা ভাষা বলা বা মুসলিম পরিচয় থাকার কারণে যাচাই-বাছাই ছাড়াই অনেককে আটক করা হয়, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এই পুশ-ইন এবং পুশব্যাকের প্রভাব দুই দেশের সম্পর্কের ওপর বহুমাত্রিক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

পুশ-ইনের এই প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী মনোভাবকে উসকে দিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং সাধারণ জনগণ একে একটি ‘একতরফা ও আগ্রাসী’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরের দিকে সম্পর্কের অবনতি এতটাই চরমে পৌঁছায় যে, নিরাপত্তা অজুহাতে ভারত তাদের অনেক ভিসা সেন্টার বন্ধ করে দেয় এবং বাংলাদেশও কয়েকটি মিশন থেকে কনস্যুলার সেবা স্থগিত করে।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর (সেভেন সিস্টার্স) নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশের সহযোগিতা অপরিহার্য। পুশ-ইন ইস্যুকে কেন্দ্র করে যদি গোয়েন্দা সহযোগিতা কমে যায়, তবে সেটি ভারতের নিজস্ব নিরাপত্তার জন্যই ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

জোরপূর্বক পুশ-ইন করার ফলে সীমান্তে নিয়মিত বিবাদ এবং উত্তজনা সৃষ্টি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এই ‘পুশব্যাক’ প্রক্রিয়াকে বিনা বিচারে নির্বাসন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে, যা ভারতের ‘আঞ্চলিক নেতা’র ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

২০২৫ সালের এই সীমান্ত সংকট কেবল একটি শরণার্থী ইস্যু নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে ভারতের আধিপত্য বনাম বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে। এই সংকট নিরসনে একটি সুনির্দিষ্ট ‘যাচাইকরণ প্রক্রিয়া’ এবং উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সংলাপ জরুরি। নতুবা, সীমান্ত দিয়ে প্রবাহিত এই মানবিক সংকট দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধনকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।