শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

লালমোহনে রাস্তার মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

মুশফিক হাওলাদার লালমোহন (ভোলা):  ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালমা গ্রামের আহমদ আলী মাতাব্বর বাড়ি এলাকার এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে থাকেন। একই সঙ্গে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। দশ বছর পার […]

লালমোহনে রাস্তার মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:৫৩

মুশফিক হাওলাদার লালমোহন (ভোলা): 

ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মাঝখানে পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি স্থাপনের কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কালমা গ্রামের আহমদ আলী মাতাব্বর বাড়ি এলাকার এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক মানুষ চলাচল করে থাকেন।

একই সঙ্গে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। দশ বছর পার হয়ে গেলেও খুঁটিটি সরানোর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়ে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকায় বড় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। ফলে পণ্য পরিবহন, কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া এমনকি ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ইট, বালু ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী পরিবহনেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

এলাকাবাসী জানান, ২০১৫ সালে কালমা এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় পল্লী বিদ্যুতের এক ঠিকাদার সড়কের মাঝখানেই খুঁটি স্থাপন করেন। সে সময় স্থানীয়রা বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।

এমনকি তখন লালমোহন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তৎকালীন ডিজিএমকে অবহিত করা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। ওই এলাকার বাসিন্দা আলামিন মাতাব্বর বলেন, “বিদ্যুৎ দেওয়ার সময় আমরা সবাই বাধা দিয়েছিলাম।

বলেছিলাম রাস্তার পাশে খুঁটি বসাতে। কিন্তু ঠিকাদার কোনো কথা শোনেনি। কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা কোনো সমাধান না দিয়ে জোর করে খুঁটি বসিয়ে দেয়।” 

তিনি আরও জানান, ওই সময় সড়কটি মাটির ছিল। পরবর্তীতে এলাকাবাসীর নিজস্ব উদ্যোগে ও অর্থায়নে রাস্তার ওপর ইটের গুড়ি ফেলে কিছুটা চলাচলের উপযোগী করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তার মাঝখানে থাকা বিদ্যুতের খুঁটিটি এখন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, খুঁটিটি শুধু যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে না, বরং সড়কের সৌন্দর্য নষ্ট করছে এবং যে কোনো সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে রাতে কিংবা বর্ষাকালে অল্প আলোতে চলাচলের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটিটি রাস্তার মাঝখান থেকে সরিয়ে সড়কের পাশে স্থাপন করা হোক। এতে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হবে, অন্যদিকে মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা কর্তপক্ষের কাছে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

লালমোহন পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএম মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি অনেক বছর আগের। হয়তো তখন রাস্তা সম্প্রসারিত ছিল না। খুঁটি সরানোর জন্য পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব বরাদ্দ থাকে না বলে তিনি জানান।

এখন যেহেতু রাস্তাটি সম্প্রসারিত হয়েছে, তাহলে অবশ্যই রাস্তা পাকা করা হবে। যেই বিভাগ থেকে রাস্তা পাকা করা হবে তখন ওই বিভাগ থেকে আবেদন দিয়ে নিজ খরচে খুঁটি সরাতে হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।