শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সংবেদনশীল উখিয়ায় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ৯ নারী

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ও বিশেষায়িত উপজেলা উখিয়ার প্রশাসন ও সেবাখাতের নয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে বর্তমানে নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের প্রশাসনিক বাস্তবতায় এটি এক নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ চিত্র, যা নারীর ক্ষমতায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। ‎দীর্ঘদিন ধরেই উখিয়াকে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট, সীমান্ত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পর্যটন, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তার মতো জটিল […]

সংবেদনশীল উখিয়ায় প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ৯ নারী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০১

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ও বিশেষায়িত উপজেলা উখিয়ার প্রশাসন ও সেবাখাতের নয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে বর্তমানে নারী কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের প্রশাসনিক বাস্তবতায় এটি এক নতুন ও তাৎপর্যপূর্ণ চিত্র, যা নারীর ক্ষমতায়নের দৃষ্টিকোণ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎দীর্ঘদিন ধরেই উখিয়াকে রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট, সীমান্ত নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা, ভূমি ব্যবস্থাপনা, পর্যটন, স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক সহায়তার মতো জটিল ও স্পর্শকাতর ইস্যু সামলাতে হচ্ছে।

এমন বাস্তবতায় প্রশাসন ও সেবাখাতের বেশির ভাগ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে একযোগে নারী কর্মকর্তাদের উপস্থিতিকে কেউ দেখছেন সময়োপযোগী ও পরিণত সিদ্ধান্ত হিসেবে, আবার কেউ বাস্তবতার নিরিখে একে চ্যালেঞ্জিং বলেও মন্তব্য করছেন।

‎বর্তমানে উখিয়ায় নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রিফাত আসমা। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাসরিন জেবিন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) যারীন তাসনিম তাসিন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা বেনজির ইকবাল, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হাবিবা জাহান, উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা শাহরিন সুলতানা,

উপজেলা তথ্য আপা আলো তংচংগা, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ইয়াছমিন আক্তার এবং ট্রাফিক ইন্সপেক্টর সালেহা আক্তার। প্রশাসন, ভূমি, স্বাস্থ্য, কৃষি, নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট এসব দপ্তর উখিয়ার সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

‎সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় একাংশের মত, সংকটপূর্ণ উখিয়ায় নারীদের নেতৃত্ব সুশাসন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে পারে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নিয়মতান্ত্রিকতা আরও শক্তিশালী হবে—এমন প্রত্যাশাও রয়েছে।

তবে অন্যদের মতে, হঠাৎ সংকট, আইনশৃঙ্খলার অবনতি বা রাজনৈতিক চাপের মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত ও দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা সময়ই প্রমাণ করবে।

‎‎এদিকে ১১ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উখিয়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বিত ভূমিকা এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‎বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মাধ্যমে নারী কর্মকর্তারা যদি সময়োপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাহলে উখিয়ার প্রশাসন ও সেবাখাতে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন সম্ভব।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সংকটসঙ্কুল এই উপজেলাকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও জনবান্ধবভাবে এগিয়ে নেবেন—এমন প্রত্যাশাই এখন সচেতন মহলের।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।