সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আমি আমার জমির ধান কেটেছি, অন্যের নয় : হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :পটুয়াখালীর মহিপুর থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় মহিপুর থানাধীন ইউসুফপুর গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি এসব কথা বলেন।হাফেজ আবদুল বারেক […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৭:২৬

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি :পটুয়াখালীর মহিপুর থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার।

শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় মহিপুর থানাধীন ইউসুফপুর গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি এসব কথা বলেন।হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, তাঁর ভাতিজা সোলায়মান হাওলাদার ও বিপ্লব হাওলাদারের চাষ করা জমির ধান জোরপূর্বক লোকজন নিয়ে কেটে নেওয়ার যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। সাজেদা বেগম নামের এক নারী মহিপুর থানায় যে অভিযোগ দায়ের করেছেন, তার ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদে কোনো সত্যতার প্রমাণ নেই।

তিনি বলেন, তাঁকে অভিযুক্ত করে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে, তা পরিকল্পিতভাবে তাঁর সামাজিক সম্মান ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, তিনি কেবল নিজের চাষ করা জমির ধানই কেটেছেন। যে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি করা হচ্ছে, সেটি গত পাঁচ বছরে অন্তত দশবার মাপজোক করা হয়েছে। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ যেভাবে জমি মেপে বুঝিয়ে দিয়েছেন, সেই অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই জমি চাষ ও ভোগদখল করে আসতিনি অভিযোগ করে বলেন, ধান কাটার মৌসুম এলেই একটি স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে ঝামেলা সৃষ্টি করে তাঁকে হয়রানি করার চেষ্টা করে। প্রতি মৌসুমেই একই কৌশলে তাঁকে বিব্রত করা হয়।লিখিত বক্তব্যে আরও উল্লেখ করা হয়, তিনি আবদুস ছাত্তার ও আয়শা বেগমের কাছ থেকে সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি বৈধভাবে ক্রয় করেছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে জমি মেপে বুঝিয়ে দেওয়ার পর থেকেই তিনি শান্তিপূর্ণভাবে ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন। এবং এই মাপ যদি সোলায়মান না মানে তবে তাদের মাপ অনুযায়ী সোলায়মান সবার আগে ধান কেটে নিযেছে কেন? এটা আমার প্রশ্ন। 

এ বিষয়ে জমি বিক্রেতা সত্তার হাওলাদার বলেন, তিনি তাঁর জমি হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদারের কাছে বিক্রি করেছেন। ওই জমি হাফেজ বারেকই চাষ করেছেন এবং ধান কেটেছেন।স্থানীয় এক প্রতিবেশী জানান, ধান চাষাবাদ সম্পূর্ণভাবে হাফেজ বারেক নিজেই করেছেন এবং ধান রাতের আঁধারে নয়, দিনের বেলাতেই কাটা হয়েছে। প্রচারিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকরসংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে উত্থাপিত সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে হাফেজ আবদুল বারেক হাওলাদার বলেন, অনলাইন নিউজ পোর্টাল বরিশাল ক্রাইম ট্রেস ও আপন নিউজ বিভ্রান্তিকর ও অসত্য সংবাদ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রকাশিত সংবাদের সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হানিফ হাওলাদারের সঙ্গে অভিযোগকারীদের পরিবারের জমির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। সীমানা নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।।

উল্লেখ্য, সোলায়মান হাওলাদার এবং অভিযোগকারী সাজেদা বেগমও সংবাদ সম্মেলন চলার সময় পাশেই দাঁড়িয়েছিলো। তাদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।