বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তালায় নবাগত ইউএনও তারেক হাসান এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শেখ নজরুল ইসলাম, তালা সাতক্ষীরা তালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা,জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ,সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাসান এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷ সোমবার(০৮ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারেক হাসান ৷ সভায় উপস্হিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি রাহাত খান, তালা থানার ওসি […]

তালায় নবাগত ইউএনও তারেক হাসান এর সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২০:১৯

শেখ নজরুল ইসলাম, তালা

সাতক্ষীরা তালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা,জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, উপজেলার সকল দপ্তরের কর্মকর্তাগণ,সাংবাদিক ও সূধীজনদের সাথে নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাসান এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ৷

সোমবার(০৮ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারেক হাসান ৷ সভায় উপস্হিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি রাহাত খান, তালা থানার ওসি তদন্ত মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি অফিসার কৃষিবীদ হাজিরা খাতুন,প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মাসুম বিল্লা, সাতক্ষীরা জেলা জামায়তের নায়েবে আমির ডাঃ মাহমুদুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃনাল কান্তি রায়,

উপজেলা জামায়তের উপজেলা আমির মাওলানা মফিদুল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শেখ সফিকুল ইসলাম,উপজেলা জামায়তের সাধারন সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কমান্ডের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মফিজ উদ্দীন, মুক্তিযুদ্ধ কমান্ডের সাবেক ডিপুটি কমান্ডার আলাউদ্দিন জোয়াদ্দার,

তালা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজের অধ্যক্ষ এনামুল ইসলাম, মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান, তালা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ আকবর হোসেন,জালালপুর ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু, ইসলামকাটি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক,

খলিশখালী ইউপি চেয়ারম্যান সাব্বির আহমেদ, ধানদিয়া চেয়ারম্যান জাহাংগীর হোসেন, তেতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, তালা প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকসহ প্যানেল চেয়ারম্যানগন, মৎস্য অফিসার সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা মোঃ তারিক ইমাম , প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গাজী সাইফুল ইসলাম, , প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশরাফ হোসেন, সমবায় কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, একাডেমী সুপারভাইজার প্রভাষ কুমার দাশসহ উপজেলার 

সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক কামরুজ্জামান মিঠু, যুব নেতা ও তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান সাঈদ, শিক্ষাক ও সাংবাদিক গাজী জাহিদুর রহমান, উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক মীর মিল্টন, 

কোষাধাক্ষ এইচএম এনামুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলম শিক্ষক নাহিদ নাসিরসহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ বণিক সমিতির নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকমন্ডলী, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের ছাত্রনেতা নেতা মির্জা সাকিব, রাকিবুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ৷ 

মতবিনিময় সভায় আইন শৃংখলা পরিস্হিতি সাভাবিক রাখতে সকলের সহযোগীতার আহবান করা হয়, এছাড়া তালা হাসপাতাল সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চুরি, জলাবদ্ধতা নিরাসন, অবৈধ নেট পাটা অপসারণ, 

দূর্নীতি,জুয়া,মাদক,ইফটিচিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়, এছাড়াও তালা উপজেলা অনুন্নত উপজেলা হওয়ার কারণে সাতক্ষীরা জেলায় ১৯৩০ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্য থেকে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তালা উপজেলায় বেশি বরাদ্দ পাওয়ার জন্য ডিসি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয় ৷

নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক হাসান বলেন, আমি আমার সাধ্যমত তালা উপজেলাকে গড়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে একটি দৃষ্টিনন্দন উপজেলা করতে চাই, আসুন আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে,

দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে কাজ করি, দুর্নীতি, মাদক জুয়া সহ অবৈধ কার্যক্রম পরিহার করে , আল্লাহর নির্দেশিত আইন মেনে চলে , সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে পারলে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করা সম্ভব হবে, ইনসাল্লাহ

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।