বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পূবাইলের রক্তদীপ্ত ডিসেম্বর: ১২ বছরেও ন্যায়বিচার শূন্য—রাষ্ট্রীয় গুলির দাগ আজও তাজা

শত শত ছরার গুলি একসঙ্গে তার শরীরে এসে পড়ে। তার দুই পা, কোমর, হাত—একাধিক জায়গায় গভীর ক্ষত। পায়ে তিনটি গুলি সরাসরি ঢুকে বের হয়ে যায়।মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায়ও তাকে ঘিরে থেকে ছরার গুলি চালানো হয়—এমন তথ্য জানিয়েছে ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী।

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:১১

মোঃআতেফ ভূঁইয়া, গাজীপুর সদর

২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর—গাজীপুরের পূবাইল।

ঘড়ির কাঁটা তখন সকাল ১০টা ছুঁইছুঁই। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহালের দাবিতে ঘোষিত অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপি নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে জড়ো হচ্ছিলেন মিরের বাজার এলাকায়।

কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ পরিণত হয় সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম নৃশংস রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায়—যা আজও পূবাইল থেকে গাজীপুর পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ভুলতে পারেনি।

সেদিনের সেই গুলির শব্দ, ছরার ঘায়ে চিৎকার আর রক্তাক্ত শরীরের দৃশ্য এখনো বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

১২ বছর পরেও ক্ষত শুকায়নি। বরং সময় যত গেছে, ব্যথার তীব্রতা তত গভীর হয়েছে।

ট্রাজেডির অন্যতম রক্তাক্ত আবুল হোসেন: যাকে বাঁচাতে গিয়ে হাসপাতাল থেকে মর্গের দরজা পর্যন্ত টানাটানি হয়েছিলঃ

পূবাইল থানা যুবদলের সদস্যসচিব আবুল হোসেন সেদিন মিছিলের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, শত শত ছরার গুলি একসঙ্গে তার শরীরে এসে পড়ে। তার দুই পা, কোমর, হাত—একাধিক জায়গায় গভীর ক্ষত। পায়ে তিনটি গুলি সরাসরি ঢুকে বের হয়ে যায়।মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায়ও তাকে ঘিরে থেকে ছরার গুলি চালানো হয়—এমন তথ্য জানিয়েছে ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী।

তাকে প্রথমে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা জানান—রোগীর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন। গুলির আঘাত এত বেশি যে সঠিকভাবে ছরা বের করাও ঝুঁকিপূর্ণ।

পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।পুলিশ পাহারায় তিন মাস চিকিৎসা, এরপর তিন মাস কারাগারে—মোট ছয় মাস পর তিনি জামিন পান ।

ভারতে উন্নত চিকিৎসায় গেলেও একটি আঙুল কেটে ফেলতে হয়। আজও তিনি ব্রেস, স্টিল সাপোর্ট ও ওষুধ ছাড়া হাঁটতে পারেন না। তার কথায়—আমি প্রতিদিন হাঁটি, কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপ আমাকে মনে করিয়ে দেয়—আমি স্বাধীন দেশে গুলিবিদ্ধ এক রাজনৈতিক বন্দী।

চোখ হারিয়ে নিভে গেছে পৃথিবীর আলো—জাহাঙ্গীর আলমের জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াই হিসাবে দেখছেন মিরের বাজার লড়াইকে। গাজীপুর মহানগর ছাত্রদলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম সেদিন সরাসরি পুলিশের গুলিতে একটি চোখ হারান। চিকিৎসকরা তখন জানান—এমন ক্ষত সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রে দেখা যায়।

জাহাঙ্গীর আজও বলেন—চোখের আলো হারিয়েছি, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের আলো নিভে যায়নি। তার জীবনযাপন আজও কঠিন, পেশাগত ও সামাজিক জীবন প্রতিদিন তাকে স্মরণ করিয়ে দেয় সেদিনের রাষ্ট্রীয় সহিংসতার নির্মমতা।

পূবাইল থানা সেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামারুজ্জামান কাজলের শরীরে সেদিন চারদিক থেকে ছরার গুলি লাগে।চোখের সামনে পড়ে থাকা লুটিয়ে পড়া সঙ্গীদের দেখে তিনি বলেছিলেন, আমাদের দিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছিল; সামনে বা পেছনে নয়—সরাসরি বুক বরাবর। তার শরীরে বহু গুলির ক্ষত এখনো দাগ হয়ে আছে।কাজলের রক্তাক্ত শরীর,পূবাইলে সেদিন মাটির রং লাল হয়ে উঠেছিল।যার ক্ষত তিনি বয়ে বেড়াচ্ছেন এখনো।

মিলন-বিকি-সুলতান-বকুল—সবাই গুলিবিদ্ধ: ইতিহাস বলবে, এটি ছিল রাষ্ট্রীয় অনুমোদিত আক্রমণঃ—

সেদিন আহত হন, বিএনপির গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী একে এম ফজলুল হক মিলন,নজরুল ইসলাম খান বিকি,সুলতান উদ্দিন চেয়ারম্যান,মনির হোসেন বকুলসহ আরও বহু নেতাকর্মী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান—এসআই হারিছের নির্দেশেই পুলিশ গুলি চালায়। বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ,এসআই হারিছ গুলিবর্ষণের পর দ্রুতস্থান ত্যাগ করেন।১২ বছর পরও জানা যায়নি তিনি কোথায়।এখনো পর্যন্ত কোনো তদন্তে তাকে জবাবদিহির মুখোমুখি করা হয়নি। তাক খুঁজে বের করে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।

সেইদিনের উল্টো মামলা—উল্টো শাস্তি: এই রাষ্ট্রযন্ত্র তখন কাদের হয়ে কাজ করছিল? এমন প্রশ্ন রেখে অনেকেই বলছেন, সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—যারা রক্তাক্ত, পঙ্গু, চোখ হারিয়েছে—তারা যখন মামলা করতে জয়দেবপুর থানায় যান,পুলিশ মামলা নেয়নি।বরং উল্টো আহতদেরই বিরুদ্ধে দায়ের হয় নাশকতা ও সন্ত্রাসের মামলা।

ভিকটিম প্রত্যেকের নামে ২০–৩০টি করে গায়েবি মামলা, যা ১২ বছর পরও অনেকের কাঁধে বোঝা হয়ে ঝুলে আছে। অনেকেই মাসের পর মাস কারাগারে কাটিয়েছেন,অনেকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রেখে নির্বাসনে থেকেছেন।এখনো অনেক মামলা আদালতে ঝুলে রয়েছে—যার কোনো সুষ্ঠু তদন্তই হয়নি।এই রাজনৈতিক মামলা থেকে তারা অব্যাহতি চান তারা দ্রুত।

শাসন পরিবর্তনের পরও ক্ষোভ রয়েই গেছেঃ-

শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পরে এক আহত নেতার করা মামলায় স্থানীয়দের দাবি—আ’লীগের যারা সরাসরি হামলায় জড়িত ছিল, তাদের অনেককেই বাদ দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার হওয়া কিছু নেতাকর্মী দ্রুত জামিনে বেরিয়ে এসেছে—এ নিয়ে ত্যাগী নেতাকর্মীদের ভেতরে অসন্তোষ এখন চরমে। তাদের প্রশ্ন—“আমাদের রক্ত কি ব্যর্থ হলো?”

১২ বছর পরও পূবাইলের মানুষের আকুতি—ন্যায়বিচার চাইঃ–

এই দীর্ঘ বছরের অবিচার, মামলার বোঝা, চিকিৎসাজনিত ঋণ ও দুঃখ নিয়ে অসংখ্য পরিবার আজও কাঁপছে। মায়েরা সন্তান হারানোর শোকে আজও কথা বলতে পারেন না।স্ত্রীরা স্বামীকে হাসপাতালে বাঁচিয়ে বাড়িতে এনেও ভাঙা জীবন নিয়ে সংগ্রাম করছেন।সন্তানরা বাবা পঙ্গু হয়ে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ হারিয়ে ফেলেছে। সেদিনের সময়-তারিখ, গুলি, ছরার আকার, পুলিশের অবস্থান, সাক্ষী, চিকিৎসকের বিবরণ—সবকিছুই আজো বলে দেয়: এটি পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন ছিল।

ভবিষ্যতের পথ—সংঘাত ভুলে ঐক্যের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন—এখন সময় ক্ষত ভুলে নয়, বরং ক্ষত থেকে শক্তি নিয়ে উঠ দাঁড়ানোর।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশের মানুষ নতুন করে স্বপ্ন দেখতে চাইছে।

৩১ দফা বাস্তবায়ন, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা,

রাষ্ট্রীয় জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ,এই প্রত্যয় নিয়েই তারা এগিয়ে যেতে চান। তাদের বিশ্বাস—মিরের বাজারের সেই রক্তের দাম একদিন অবশ্যই মিলবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।