মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। শনিবার দুপুরে ছনবাড়ী বাসস্ট্যান্ডে হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু বলেন, “মসজিদে হামলা অ-মুসলিমরাও করে না। যারা নামাজরত মানুষদের ওপর হামলা চালায়, তাদের কেউ ছাড় পাবে না। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জন্য আল্টিমেটাম দিয়েছি। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তাহলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “জানাজার নামাজের আগে ও মাগরিবের নামাজ চলাকালে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। এই হামলায় কোন দলের কোন লোক জড়িত তা খুঁজে বের করতে হবে। সন্ত্রাসীদের পক্ষে কেউ সুপারিশ করলে তাকেও গ্রেপ্তার করতে হবে।”
মুন্সিগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আলহাজ্ব মোমিন আলী অভিযোগ করেন, “জানাজার নামাজ আদায়ের জন্য দোহাটায় গেলে মাগরিবের নামাজ চলাকালে তরিকুলের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তারা মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের খসড়া মনোনীত প্রার্থীর মদদে কাজ করছে। গত জানুয়ারিতে পুলিশ যখন তরিকুলকে গ্রেপ্তার করেছিল, তখন ওই প্রার্থীর লোকজন তাকে ছিনিয়ে নিয়েছিল। শ্রীনগরের মাটিতে এই ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড আর চলতে দেওয়া হবে না।”
বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল, দেলোয়ার হোসেন, জসিম মোল্লা, জেলা মহিলা দলের সভাপতি সেলিনা আক্তার বিনা, উপজেলা মহিলা দলের সদস্য সচিব কামরুন্নাহার চৌধুরী অনু,
জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রিন্স নাদিম, মাসুদ রানা, জেলা নারী ও শিশু অধিকার ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহামুদ হাসান ফাহাদ, সিরাজদিখান উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাফকাত হোসাইন রকি এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।