বিশেষ প্রতিনিধি:
আগামীর সংসদ, আগামীর জনপদ স্বপ্নের আলো জ্বালাতে খুলনা-৬ (পাইকগাছা–কয়রা) জনপদে নতুন ভোরের বার্তা নিয়ে এগিয়ে এলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক, তরুণ রাজনৈতিক সংগঠক সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তিনি সংগ্রহ করেছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর মনোনয়নপত্র। রাজধানীর বাংলামটরের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বাপ্পির পক্ষে এই মনোনয়ন সংগ্রহ করেন খুলনা জেলা এনসিপির দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
শাপলা-কলির প্রতীক যেন তার স্বপ্নের নদীতে ভেসে ওঠা শুদ্ধ যাত্রার প্রতিশ্রুতি। বহুদিন ধরেই পাইকগাছা–কয়রার মাটিতে তাকে দেখা গেছে সংগ্রামী, তরুণদের পাশে দাঁড়ানো বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে। চাঁদখালী গ্রাম থেকে উঠে আসা এই তরুণের ৬/৭ বছরের ধারাবাহিক রাজনৈতিক পথচলা ইতোমধ্যে তরুণ ভোটারদের মাঝে তৈরি করেছে নিজস্ব এক বলয়, গ্রহণযোগ্যতার পরিষ্কার আস্থা।
২০২১ সালে খুলনা জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ সভাপতি থাকা অবস্থায় ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়ে যখন রক্তমাখা ছবিতে ভাইরাল হলেন তিনি, তখন থেকেই তার নাম উচ্চারিত হতে থাকে প্রতিরোধের রাজনীতির প্রতীক হিসেবে। জুলাই অভ্যুত্থানের উত্তাল মরশুমেও রেল অবরোধের মতো সাহসী কর্মসূচিতে খুলনার মানুষ দেখেছে তার দৃঢ়তা,দেখেছে তাজা রক্তের মতো স্পষ্ট অবস্থান। সমালোচনার ঢেউ আসলেও তাকে থামাতে পারেনি,কারণ মানুষের আস্থা সবসময় সত্যের সাথেই থাকে।
মানুষ আর প্রতারিত হতে চায় না,মনোনয়ন উত্তোলনের প্রতিক্রিয়ায় বাপ্পি বলেন,আমার পাইকগাছা ও কয়রার মানুষ আর প্রতারিত হতে চায় না। তারা এবার নিজেদের ভাই-সন্তানকে সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায়।দল-মত-ধর্মের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষ এক হয়েছে উন্নয়নের আশায়। দোয়া চাই দেশবাসীর কাছে,খুলনা-০৬ যেন শাপলা-কলির শান্তির প্রতীক হয়ে ওঠে।
২৩ নভেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মতবিনিময় সভায় বাপ্পিকে কাজের সুযোগ করে দিতে আহ্বান জানিয়েছেন দলীয় নেতারা। তাঁকে সামনে রেখে পাইকগাছা–কয়রার রাজনীতিতে পরিবর্তন আসুক তরুণ নেতৃত্বের হাতে, আগামীর বাংলাদেশ গড়ুক নতুন স্বপ্নের পথিক হয়ে।