নোয়াখালী-২ (সেনবাগ–সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনে বিএনপি ঘোষিত মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মশাল মিছিল করেছে দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী, কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ কাজী মফিজুর রহমানের সমর্থকেরা।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সেনবাগ উপজেলা পরিষদ চত্বরের সামনে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয় থেকে মশাল মিছিলটি শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সেনবাগ পৌর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সেনবাগ পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র কামাল উদ্দিন বাবুল। বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী অংশ নেওয়ায় শুরু থেকেই এলাকায় উৎসাহ–উদ্দীপনার পরিবেশ তৈরি হয়।
মিছিলটি উপজেলা পরিষদ এলাকা থেকে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মোড়, সেনবাগ প্রেসক্লাব মোড় হয়ে দক্ষিণ বাজার সিনিয়র মাদ্রাসা পর্যন্ত অগ্রসর হয়। পরে এটি সেনবাগ থানার মোড় ঘুরে পুনরায় বিএনপি কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। মিছিলের আগে–পরে বিপুল জনসমাগমের কারণে কিছু সময়ের জন্য সেনবাগ–সোনাইমুড়ি প্রধান সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
মশাল মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা নোয়াখালী-২ আসনে বিএনপি ঘোষিত মনোনয়ন পরিবর্তনের জোরালো দাবি জানান। একই সঙ্গে সেনবাগের পরীক্ষিত, কর্মী–বান্ধব নেতা আলহাজ কাজী মফিজুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এসময় নেতা কর্মীরা বলেন কাজী মফিজুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সেনবাগ–সোনাইমুড়ি এলাকায় বিএনপির রাজপথের নির্ভরযোগ্য একজন নেতা হিসেবে পরিচিত। দুঃসময় ও কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রেখে তিনি সব আন্দোলনে অংশ নেন এবং বিভিন্ন সময়ে কারাবরণও করেন।
২০১৩ থেকে ২০১৮ সালের আন্দোলনপর্বে সেনবাগে বিএনপির মাঠ সংগঠনে নতুন গতি আনতে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। গ্রেফতার নির্যাতনের ঝুঁকি সত্ত্বেও দলীয় কর্মসূচিতে কর্মীদের সংগঠিত করা, দাবি আদায়ে ধারাবাহিক অবস্থান নেওয়া এবং দলের সংকটে সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করায় তার অবদান স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে আজও উল্লেখযোগ্য।
তৃণমূলের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, কর্মীদের ব্যক্তিগত সংকটে সহযোগিতা করা এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ রাজনীতি বজায় রাখার জন্য তিনি সেনবাগে একজন গ্রহণযোগ্য ও ত্যাগী নেতা হিসেবে পরিচিত। নোয়াখালী ২ আসনে বিএনপির ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত কর তে হলে কাজী মফিজের বিকল্প নেই।