শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ত্যাগী নেতা জালাল ফকিরের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চান আমতলীর তৃণমূল বিএনপি

আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ত্যাগী নেতা জালাল উদ্দিন ফকিরের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ অক্টোবর ২০২৫, ২২:৩২

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা 

আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ত্যাগী নেতা জালাল উদ্দিন ফকিরের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের সামনে তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছেও তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

জানাগেছে, ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি দলীয় কয়েকজন নেতার ষড়যন্ত্রে তুচ্ছ ঘটনায় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনে কেন্দ্রীয় কমিটি আমতলী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জালাল উদ্দিন ফকিরকে বহিষ্কার করে। তাকে বহিষ্কার করায় তৃণমূল নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হন। তিনি বহিষ্কৃত হয়েও ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সকল কার্যক্রমে সক্রিয় অংশ নেন। শেখ হাসিনার পতনের পর তিনি দলের সকল কর্মকাণ্ড চালিয়ে যান।

তিনি ডাক দিলেই তৃণমূলের হাজার হাজার নেতাকর্মী তার ডাকে দলীয় কার্যক্রমে অংশ নেন-এমন দাবি হালিম হাওলাদার, মতি মোল্লা, আবু সালেহ ও হানিফ বয়াতির। তারা বলেন, তিনি আমতলী উপজেলা বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রাণ। দলীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য তৃণমূল নেতাকর্মীরা তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চান।

আমতলী সদর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো. আবুল কালাম মাস্টার বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের কাছে জালাল ফকির একজন আদর্শবান নেতা। তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা দলীয় কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত হবে।

হলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক লিমন হাওলাদার বলেন, জালাল উদ্দিন ফকির আওয়ামী লীগ আমলে উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। কিন্তু দলের কিছু নেতাকর্মীর ষড়যন্ত্রের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়।

গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ও চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ফারুক হাওলাদার বলেন, জালাল উদ্দিন ফকির বহিষ্কার হলেও তিনি বসে নেই। সকল নেতাকর্মীকে নিয়ে তিনি দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। দ্রুত তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই।

পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কবির উদ্দিন ফকির বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে জালাল উদ্দিন ফকিরের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, একজন ত্যাগী নেতাকে বহিষ্কার করে দলীয় কার্যক্রম থেকে নিবৃত রাখলে দলের ক্ষতি হয়।

আমতলী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মো. জহিরুল ইসলাম মামুন ভিপি বলেন, তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রাণ জালাল উদ্দিন ফকির। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দলীয় নেতাদের রোষানলে পড়ে দুই ডজন মামলার আসামি হয়েছেন তিনি। অনেক দিন জেল খেটেছেন। বছরের পর বছর পালিয়ে থেকেছেন, তারপরও তিনি দল থেকে বিচ্যুত হননি।

বরগুনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, জালাল উদ্দিন ফকির একজন বিএনপির পরীক্ষিত নেতা। শেখ হাসিনার আমলে জেল-জুলুম ও অত্যাচারে তিনি ছিলেন জর্জরিত। তার মতো একজন ত্যাগী নেতা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় অতীব প্রয়োজন। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে জালাল উদ্দিন ফকিরের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবি জানাই।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।