মোহাম্মদ তারেক, রামগঞ্জ প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জের এক নিভৃত গ্রামের শান্ত পরিবেশ এখনো কেঁপে ওঠে জুলেখা বেগম আর তাঁর মেয়ে তানহা আক্তার মীমের আর্তচিৎকারের স্মৃতিতে। ক্যালেন্ডারে আট দিন পেরিয়ে গেছে, কিন্তু রক্তাক্ত সেই রাতের রহস্য এখনো অন্ধকারে।
চন্ডিপুর ইউনিয়নের উত্তর খামারবাড়ির মানুষ আজও বিশ্বাস করতে পারছে না—একজন সাবেক সেনা সদস্যের ঘরে এমন ভয়ংকর ঘটনা ঘটতে পারে! ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় মা–মেয়ের নিথর দেহ, চারপাশ ছড়িয়ে ছিল রক্তের দাগ। লুপ্ত হয় স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ প্রায় অর্ধকোটি টাকার মালামাল।
হত্যার পরদিন থেকেই তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেপ্তার হয় পরিবারের ভাতিজা সোহেল রানা ও এলাকার কুখ্যাত চোর সোহেল মান্না। দুজনেরই রিমান্ড শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে—এরা কি প্রকৃত খুনি, না কি কেবল নাটকের পার্শ্বচরিত্র?
ওসি মো. আবদুল বারী বললেন, “তদন্তে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। ডিএনএ রিপোর্ট হাতে পেলেই সব রহস্য পরিষ্কার হয়ে যাবে।” কিন্তু নিহতদের পরিবার বলছে ভিন্ন কথা— “আমরা শুধু ন্যায়বিচার চাই, সময় নয়। প্রতিদিনই মনে হয় খুনিরা এখনো আমাদের আশপাশে হাঁটে,” বলেন নিহত জুলেখার স্বামী মিজানুর রহমান, চোখে অশ্রু নিয়ে।