সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দুমকীতে অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ঘরহীন, বরাদ্দ গেল স্বচ্ছলদের হাতে

রাব্বিকুল ইসলাম ,দুমকী প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে— প্রকৃত অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে স্বচ্ছলদের অস্বচ্ছল দেখিয়ে আবাসনের বরাদ্দ নেওয়া হয‎২০২২ সালের ৩১ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পটুয়াখালী জেলার পাঁচটি উপজেলায় ১৪৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের পরিবারের অনুকূলে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ২০:৪১

রাব্বিকুল ইসলাম ,দুমকী প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকীতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসন নির্মাণ প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে— প্রকৃত অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে স্বচ্ছলদের অস্বচ্ছল দেখিয়ে আবাসনের বরাদ্দ নেওয়া হয‎২০২২ সালের ৩১ আগস্ট মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে পটুয়াখালী জেলার পাঁচটি উপজেলায় ১৪৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা বা তাঁদের পরিবারের অনুকূলে আবাসন বরাদ্দের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর মধ্যে দুমকী উপজেলার ১৮ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম অন্তর্ভুক্ত ‎প্রথম ধাপে ১২ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে তালিকার ১–৬ ক্রমিকের মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের (৩য় পর্যায়) ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বাদ পড়া ওই ৬ জন মুক্তিযোদ্ধার অনুকূলে বরাদ্দ আসে।

এ লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ২৮ এপ্রিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দরপত্র আহ্বান করেন এবং উপজেলার মুরাদিয়া এলাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তারিক ব্রাদার্সকে কাজের দায়িত‎প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ৬ হাজার ৭৪ টাকার প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০২৪ সালের ১০ জুন প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।

কিন্তু জুলাই আন্দোলনের পর আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা হারালে প্রকল্পে নাটকীয় পরিবর্তন দেখা দ‎পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে একটি চিঠিতে প্রকৃত অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধারা ঘর পেয়েছেন কি না তা যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ নির্দেশনার পর স্থানীয় একটি মুক্তিযোদ্ধা সিন্ডিকেট পূর্বের তালিকায় থাকা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মন্ত্রণালয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রভাব খাটিয়ে নতুন করে একটি মনগড়া তালিকা‎এর ফলেই দেখা দেয় অনিয়ম— ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর উপজেলা প্রশাসনের পাঠানো প্রতিবেদনে স্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের অস্বচ্ছল এবং অস্বচ্ছলদের স্বচ্ছল দেখানো হয়।

ওই তালিকায় দুইজন সরকারি কর্মকর্তা ও দুইজন মুক্তিযোদ্ধার স্বাক্ষর রয়ে‎এর জেরে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধার ঘর নির্মাণ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। ঠিকাদার মো. তারিকুল ইসলাম জানান, “প্রশাসনের মৌখিক নির্দেশে ওই ৪ জন মুক্তিযোদ্ধার ঘর নির্মাণ আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।‎এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পলি করের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ২০২৫ সালের ২৮ জানুয়ারি উল্লিখিত মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থ–সামাজিক অবস্থা পুনঃযাচাই করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও মৎস্য কর্মকর্তাকে সদস্য করে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। গত ৯ সেপ্টেম্বর কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল ক‎যাদের ‘অস্বচ্ছল’ দেখানো হয়েছে‎ তালিকার ১ নম্বরে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধা রহমান আকন— তাঁর দুইটি বাস ও গাড়ি রয়েছে; সেনানিবাস কর্তৃপক্ষ তাঁর নামে থাকা ১ একর জমি ৩ কোটি টাকায় অধিগ্রহণ করেছে‎৩ নম্বরে সুলতান হাওলাদার, অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক; চার ছেলে ও দুই মেয়ে সবাই কর্মরত।

‎৫ নম্বরে খন্দকার আবদুর রহিম, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা; দুই ছেলে সরকারি চাকরিজীবী।‎৬ নম্বরে রাজা অলিউল হক, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।৭ নম্বরে হোচেন আলী খান, ১ একর খাস জমি বরাদ্দ পেয়েছেন।‎৮ নম্বরে এস. এম. নূরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা।

‎১০ নম্বরে প্রয়াত আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান; সন্তানরা সরকারি-বেসরকারি চাকরিতে কর্মরত‎১৫ নম্বরে প্রয়াত আব্দুর রাজ্জাক মৃধা, সরকারি চাকরিজীবী ছিলেন; মেয়ে সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষক। যাদের ‘স্বচ্ছল’ দেখানো হয়ে‎১৩ নম্বরে আবদুল লতিফ মিয়া, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী; দুই ছেলে সরকারি চাকরিজীবী, নিজে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত, ঘর জরাজীর্ণ।‎

১৬ নম্বরে সফিজ উদ্দিন খান, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা; চলাচলে অক্ষম, এক ছেলে বেকার, বসবাস করেন ভাঙা টিনের ঘরে।১৭ নম্বরে টি. এম. আহমেদ, দুই স্ত্রী; এক ছেলে সরকারি চাকরিজীবী হলেও ঘরদোর অতি জীর্ণ। ‎১৮ নম্বরে প্রয়াত ডা. রাজেশ্বর হালদার, স্ত্রী বৃদ্ধ ও চলাচলে অক্ষম; ভাঙা ঘরে বসবাস, ঘরটি রশি দিয়ে গাছের সাথে বাঁধা অবস্থায় রয়েছ‎বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ মিয়া বলেন,

‎“কিছু মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ইউএনও শাহিন মাহমুদের সাথে মিলে আমাদের স্বাক্ষর দিতে বাধ্য করেন। আমি জানি না কীসে স্বাক্ষর দিয়েছি।”

‎প্রয়াত রাজেশ্বর হালদারের ছেলে রমেন হালদার বলেন, “ভাঙা ঘরে মা ও স্ত্রীকে নিয়ে কষ্টে আছি। ঘর পেতে তিন শতাংশ জমি বিক্রি করে ৭০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এখন শুনি আমি নাকি স্বচ্ছল!‎বীর মুক্তিযোদ্ধা সফিজ উদ্দিন খান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,“আমার কাছেও দুই লাখ টাকা চেয়েছিল একজন মুক্তিযোদ্ধা। আমি বলেছি, ঘুষ দিয়ে ঘর চাই না— ভাঙা ঘরেই থাকবো।”‎কমিটির সদস্যদের বক্তব্য

‎তালিকায় স্বাক্ষর করা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহিম বলেন,“আমাকে বলা হয়েছিল শুধু স্বাক্ষর দিতে। আমি জানতাম না আমি কমিটির সদস্য।”‎অন্য সদস্য আ. মানান হাওলাদার গুরুতর অসুস্থ থাকায় তাঁর মতামত পাওয়া যায়নি। ‎উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আলী জানান,“সেই সময় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ইউএনও অফিসে এসে আমাদের স্বাক্ষর করতে বলেন।

সরেজমিন যাচাই তাঁরা করেছেন।‎উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. অলিউল ইসলাম বলেন,“আমরা সরেজমিন যাচাই করিনি; মুক্তিযোদ্ধারা যাচাই করেছেন, আমরা শুধু স্বাক্ষর করেছি।”উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন,“গত বছরের ২৫ নভেম্বরের তদন্তে কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।