রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দাবি আদায়ে গলাচিপায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের কর্মবিরতি

২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা ও ১ হাজার ৫০০ টাকা মেডিক্যাল ভাতা প্রদানের দাবিতে ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:৫৪

২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া ভাতা ও ১ হাজার ৫০০ টাকা মেডিক্যাল ভাতা প্রদানের দাবিতে ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছেন।

সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও কলেজের শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে কর্মবিরতিতে অংশ নেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্মবিরতির ছবি ও অবস্থান কর্মসূচির দৃশ্য ছড়িয়ে দিচ্ছেন শিক্ষকরা। কর্মবিরতিতে ক্লাস বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের দাবির সাথে সংহতি জানিয়ে শিক্ষার্থীদের সমর্থন দিতে দেখা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কলাগাছিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বিপিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ, রতনদি তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বড় চত্রা দাখিল মাদ্রাসা, পানখালী পানজাতীয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উলানিয়া হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চিকনিকান্দী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ডাকুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম তাফালবাড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নলুয়াবাগী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এনজেড আলিম মাদ্রাসা, কালিকাপুর নুরিয়া কামিল মাদ্রাসা, কোটখালী সিনিয়র মাদ্রাসা, কালারাজা হাট হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, মুরাদনগর আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা, বোয়ালিয়া ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা, বড়বাঁধ মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, উত্তর চর বিশ্বাস ছালেহা খাতুন দাখিল মাদ্রাসা, মধ্য হরিদেপপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছোনখোলা পাতাবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পানপট্টি বালিকা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চর চন্দ্রাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গলাচিপা আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, পানপট্টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, হরিদেবপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, উত্তর চরখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চর আগস্তি স্কুল এন্ড কলেজ, সুহরী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গলাচিপা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, খারিজ্জমা ডিগ্রি কলেজ, বকুলবাড়িয়া ডিগ্রি কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি পালিত হয়েছে।

গলাচিপা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. রাজা মিয়া আন্দোলনের বিষয় কোন মন্তব্য দিতে রাজি হননি।

বেসরকরি কলেজ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম মিন্টু বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে কর্মবিরতি পালন করছি। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। আন্দলনের সাথে আমাদের সমর্থন আছে এবং শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি সরকারের মেনে নেয়া উচিত। গলাচিপায় সকল এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীরা আজকে কর্মবিরতি পালন করেছেন।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার বলেন, সারাদেশ ব্যাপী শিক্ষকদের কর্মবিরতি চলছে। গলাচিপায় এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা কর্মবিরতি পালন করছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে চেষ্টা করছি।

গলাচিপা আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল হোসেন বলেন, শিক্ষক- কর্মচারীরা তাদের ন্যায্য দাবির জন্য রাজপথে গিয়েছে। সম্মানিত শিক্ষকদের উপর পুলিশের হানলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

শিক্ষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বেসরকারি শিক্ষকরা ২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা ও ১ হাজার ৫০০ টাকা মেডিক্যাল ভাতার দাবি জানিয়ে আসছেন। শিক্ষা উপদেষ্টা আশ্বাস দিলেও সম্প্রতি সরকার মাত্র ৫০০ টাকা বাড়ি ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি করে। শিক্ষক সমাজ এ প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামেন। গত রোববার ঢাকা প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশ অতর্কিত হামলা চালায়। এর প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষক সংগঠন দেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই গলাচিপার শিক্ষকরা সোমবার থেকে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন।

উল্লেখ্য, গলাচিপা উপজেলায় এমপিও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪৪টি, মাদ্রাসা ৩৪টি ও বেসরকারি কলেজ রয়েছে ৭ টি। সোমবার সকাল থেকে এসকল প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতি হয়।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।