রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তহসিলদারের ঘুষ–দুর্নীতির প্রতিবাদে রাঙ্গাবালীতে কৃষকদের মানববন্ধন

ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) কাজী মো. জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসী। রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা সদরের বাহেরচর বাজার সংলগ্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৫, ২৩:১১

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা (তহসিলদার) কাজী মো. জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক ও এলাকাবাসী। রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা সদরের বাহেরচর বাজার সংলগ্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, তহসিলদার কাজী মো. জাহিদুল ইসলাম ভূমি সংক্রান্ত প্রায় সব কাজেই ঘুষ দাবি করেন। নিজস্ব দালাল চক্রের মাধ্যমে অনলাইন ভূমি উন্নয়ন কর, হোল্ডিং অনুমোদন, মিউটেশন, সরকারি খাল–পুকুর খাস আদায়সহ বিভিন্ন সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে হতদরিদ্র কৃষকদের কাছ থেকে ফী’র অতিরিক্ত মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ হিসেবে নেন। টাকা না দিলে হয়রানি করা হয়, দালালদের মাধ্যমে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়, ফাইল আটকে রাখা হয় বা আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। অভিযোগ রয়েছে খাস জমি বন্দোবস্ত দেয়ার নামেও নিয়েছেন অনেকের কাছ থেকে টাকা।

পূর্ব বাহেরচরের কৃষক মো. নজরুল ইসলাম বলেন,

আমার ১২ কড়া জমির মিউটেশনের জন্য তহসিলদার ৮ হাজার টাকা চেয়েছে। টাকা না দেওয়ায় আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। উল্টো হুমকি দিয়েছে দলিল বাতিল করে দেবে।

কাউখালির কৃষক গোলাম রাব্বি অভিযোগ করেন,

জাহিদ তহসিলদার জমি রেকর্ড করে দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে এক লাখ টাকা নিয়েছে। পরে ভেকু ব্যবহারের কথা বলে আরও ৫০ হাজার টাকা নেয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েও কোনো ব্যবস্থা হয়নি।

বাহেরচর বাজারের ব্যবসায়ী কুদ্দুস মিয়া বলেন,

আমলিবাড়িয়া মৌজার একটি খাল লিজ দেওয়ার কথা বলে টাকা নেয়, কিন্তু খালও দেয়নি, টাকাও ফেরত দেয়নি। উল্টো হুমকি দেয় টাকা ফেরত চাইলে।

বাহেরচরের বাসিন্দা ইব্রাহিম মুন্সি বলেন, একটি ঘাট খাস আদায়ের নামে দুই পক্ষকে দিয়ে ঝামেলা তৈরি করছে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে। এখন দুই পক্ষই ঐ ঘাটের দখল নেয়ার জন্য মারামারি করে।

ছোটবাইশদিয়ার কৃষক জামাল মিয়া বলেন,

তরমুজ চাষের জমিতে লোনা পানি আটকাতে বেড়িবাঁধ দিতে গেলে বাধা দেয়। বলে, ‘তুমি যে ভেকু ব্যবহার করো, সেই ভেকুসহ ধরে নিয়ে চালান দিয়ে দেবো।’ আগে একরপ্রতি দাখিলা কাটতে ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকা লাগতো, এখন নিচ্ছে ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকা।

মানববন্ধনে বক্তারা দুর্নীতিবাজ তহসিলদারের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এতে স্থানীয় কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

এদিকে এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন ধরে চলছে দুর্নীতির একচ্ছত্র দৌরাত্ম্য। ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ হয় না বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। তহসিলদার জাহিদুল ইসলাম নিজের নিয়ন্ত্রিত দালাল চক্রের মাধ্যমে টাকা আদায় করেন বলে দাবি করেন তারা। দিনের বেলায় অফিসে তাকে সচরাচর না পাওয়া গেলেও রাতে দালালদের উপস্থিতিতে অফিসে লেনদেনের কার্যক্রম চলে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি সাংবাদিকরা যখন তার কর্মকাণ্ডের তথ্য–চিত্র ধারণ করতে যান, তখন তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটান বলে জানা গেছে। ঘুষ না দিলে সেবা প্রত্যাশীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করা তার নিত্যকার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এ দুর্নীতি অব্যাহত থাকলে সাধারণ কৃষকদের পক্ষে জমি সংক্রান্ত কোনো কাজ করা সম্ভব হবে না। তাই তারা প্রশাসনের কাছে দুর্নীতিবাজ তহসিলদারের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে কাজী মো. জাহিদুল ইসলাম কে ফোন করলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন,

আজকে কৃষকদের মানববন্ধনের বিষয়ে আমি অবগত নই, জেলা পরিষদের মিটিংয়ে ছিলাম। তহসিলদারের বিরুদ্ধে ওঠা পূর্বের অভিযোগের বিষয়ে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, তারা বিষয়টি দেখছেন। আজকের মানববন্ধন ও কৃষকদের অভিযোগের বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখব।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।