সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম বন্ধ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলমান অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও জরাজীর্ণ ভবনের দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজন। এ সময় বক্তব্য প্রদান করেন, গলাচিপা […]

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অনিয়ম বন্ধ ও সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৭:১৭

গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলমান অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও জরাজীর্ণ ভবনের দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল ১০টায় গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ। মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং সুধীজন।

এ সময় বক্তব্য প্রদান করেন, গলাচিপা পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. জিয়াউর রহমান জিয়া, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের গলাচিপা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আরিফ বিল্লাহ, মাও. মো. মাহমুদুল হাসান,

গলাচিপা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, গলাচিপা উপজেলা ছাত্র অধিকার সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুন্না, রেড ক্রিসেন্ট গলাচিপা উপজেলা শাখার দলপ্রধান মো. ফিরোজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মো.শাহেদ হোসেন, মো.শাহেদ আহমেদ জয় প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাসেবায় নানা অনিয়ম চলছে। চিকিৎসক ও নার্সের সংকট, পর্যাপ্ত ওষুধের অভাব এবং ভবনের বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তারা আরও বলেন, গলাচিপা হাসপাতালের বর্তমানে এমন অবস্থা যে এখানে কেউ চিকিৎসা নিতে আসলে সে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাছাড়া এখানকার নার্স, ডাক্তাররা এমন আচরণ করে যেন রোগীরা মানুষই না। একটি উপজেলার প্রধান স্বাস্থ্য কেন্দ্র যদি অচল হয়ে পড়ে, তাহলে তা স্থানীয়দের জন্য এটি ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনবে। তাই দ্রুত সংস্কার ও পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ এখন সময়ের দাবি।

পরে গলাচিপা সরকারি কলেজের ছাত্রী নাইমা হক মেঘলা ও তরিকুল ইসলাম মুন্না গলাচিপা সরকারি হাসপাতাল সংস্করণে ৯ দফা দাবি উল্লেখ করেন তা হলো:

স্বল্পমেয়াদী কর্মসূচি (দফা)

১. আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে হাসপাতাল এবং হাসপাতাল-সংলগ্ন এলাকার সকল ধরনের বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করিতে হইবে।

২. আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে টয়লেট, বাথরুম এবং বেসিনসহ সকল ধরনের স্যানিটেশন ব্যবস্থা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ব্যবহার উপযোগী করিতে হইবে।

৩. আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রোগীদের জন্য মাসিক খাদ্যতালিকা ও সরকারি বরাদ্দের হালনাগাদ তালিকা বোর্ডে প্রকাশ করিতে হইবে।

দীর্ঘমেয়াদী কর্মসূচি (দফা)

১. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে শূন্য পদে কর্মকর্তা/কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করিতে হইবে।

২. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে পুরাতন এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবনসমূহের সংস্কারের কাজ শুরু করিতে হইবে।

৩. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে গর্ভবতী মায়েদের জন্য সিজার ব্যাবস্থা এবং রোগীদের জন্য আধুনিক ল্যাব. ও এক্স-রে রুম স্থাপন করিতে হইবে।

৪. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে হাসপাতালে আধুনিক স্টোর রুম, ডিজিটাল টোকেন ও অনলাইন রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম চালু করিতে হইবে।

৫. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের ডিউটি টাইম মনিটরিং এবং অন্তত দুটি সচল অ্যাম্বুলেন্স ব্যাবস্থা নিশ্চিত করিতে হইবে।

৬. আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে জরুরি এবং বহিঃ বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসার সকল সরঞ্জামাদি যথাযথ ভাবে হাসপাতালে সরবরাহ রাখিতে হইবে।

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ” হাসাপাতালের জনবল সংকট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। স্থানীয়ভাবে যে সংস্কার করা সম্ভব তা দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করবো।”

মানববন্ধন শেষে উপস্থিতরা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।