শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে ক্যান্সারে আক্রান্ত জান্নাতের পাশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির

‎মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর প্রতিনিধি) ‎নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের এক হতভাগ্য কন্যা জান্নাত ক্যান্সারে আক্রান্ত। দিন দিন তার জীবনীশক্তি কমছে এবং পরিবারের আর্থিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তার মা আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমার কন্যা দিন দিন হারাচ্ছে জীবনীশক্তি। আমরা নিঃশব্দে কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছি।” এই আহাজারি শুনে মানুষের […]

সুবর্ণচরে ক্যান্সারে আক্রান্ত জান্নাতের পাশে ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ অক্টোবর ২০২৫, ০০:০২

‎মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর প্রতিনিধি)

‎নোয়াখালীর সুবর্ণচরের ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের এক হতভাগ্য কন্যা জান্নাত ক্যান্সারে আক্রান্ত। দিন দিন তার জীবনীশক্তি কমছে এবং পরিবারের আর্থিক ও মানসিক সীমাবদ্ধতার কারণে তারা এক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তার মা আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, “আমার কন্যা দিন দিন হারাচ্ছে জীবনীশক্তি। আমরা নিঃশব্দে কষ্টের মধ্যে দিনযাপন করছি।”

এই আহাজারি শুনে মানুষের প্রতি সহমর্মিতা এবং মানবিকতার উদাহরণ হিসেবে এগিয়ে আসেন নাছির উদ্দীন নাছির, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক। তিনি জানান, অসহায় ও অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব।

‎নাছির উদ্দীন নাছির চট্টগ্রামের বাইরে থাকলেও দ্রুত সুবর্ণচরে ছুটে আসেন। তিনি সরাসরি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ নেন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেন।

প্রাথমিকভাবে জান্নাতের চিকিৎসা ও সহযোগিতার জন্য উপস্থিত ছিলেন সুবর্ণচর উপজেলা সমিতি, চট্টগ্রামের পিবিআই সভাপতি আবু জাফর মোঃ ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মোঃ অহিদের রহমান নয়ন, , এবং মানবিক আব্দুল করিম,ছাত্রনেতা দিদারুল আলম। তারা প্রাথমিকভাবে জান্নাতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করেন।

‎চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালে নাছির উদ্দীন নাছির চিকিৎসকদের পরামর্শ গ্রহণ করেন, রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি পরিবারের মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বিশেষ গুরুত্ব দেন। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, জান্নাত বর্তমানে কেমোথেরাপি ও সহায়ক যত্ন নিচ্ছেন।

পরিবারের মানসিক সহায়তা এবং স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতা তার চিকিৎসার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নাছির উদ্দীন নাছির ডাক্তারদের সঙ্গে আলোচনার পরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “আমরা জান্নাতের সুস্থতার জন্য সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি এবং পরিবারের পাশে থাকবো।”

‎উপস্থিত নেতারা প্রত্যেকেই জান্নাতের পাশে থাকার জন্য গুরুত্বারোপ করেছেন।

‎আবু জাফর মোঃ ওমর ফারুক বলেন, “নাছির উদ্দীনের এই উদ্যোগ আমাদের সকলের জন্য শিক্ষণীয়। একজন নেতার দায়িত্ব কেবল রাজনৈতিক নয়, মানবিক ও সামাজিক দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

‎সাধারণ সম্পাদক মোঃ অহিদের রহমান নয়ন বলেন, “আমরা এই ধরনের মানবিক কর্মকাণ্ডে পাশে থাকার জন্য সবসময় প্রস্তুত। এটি কেবল জান্নাতের পরিবার নয়, পুরো এলাকার জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করছে।”

‎মানবিক আব্দুল করিম বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক চেতনা বৃদ্ধি করে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার কর্তব্য। আমরা নাছির উদ্দীনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জান্নাতের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি।”

‎দিদারুল আলম বলেন, “একটি শিশু যখন অসুস্থ থাকে, তখন আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়। আমরা চেষ্টা করব জান্নাতের দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।”

‎নাছির উদ্দীন নাছিরের এই মানবিক পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তার সহমর্মিতা ও সহায়তা শুধু জান্নাতের পরিবারের জন্য নয়, পুরো এলাকার মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

‎ স্থানীয়রা বলেন, “নাছির উদ্দীন ভাই শুধু রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি মানবতারও একজন দৃষ্টান্ত।” তার মানবিক উদ্যোগ এলাকার অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতাদের মধ্যে অনুপ্রেরণা জাগিয়েছে।

‎নাছির উদ্দীন নাছির প্রমাণ করেছেন, রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক নেতৃত্ব মানেই কেবল ক্ষমতা নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ানোও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তার এই কাজ এলাকাবাসীর মধ্যে মানবিক চেতনা ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। জান্নাতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে, তিনি মানবিকতা ও দায়িত্বের চিরন্তন মূল্যবোধের উদাহরণ স্থাপন করেছেন।

‎উপস্থিত অন্যান্য সমাজসেবী এবং স্থানীয় নেতা-কর্মীরাও তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, “এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক চেতনা বৃদ্ধি করে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার কর্তব্য।” এটি প্রমাণ করে যে, মানবিক দায়িত্ব রাজনৈতিক পরিচয় বা অবস্থান নির্বিশেষে সকলের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।

‎অনেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেে নাছির উদ্দীন নাছির এর কার্যক্রম নিয়ে পোস্টে তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

‎নাছির উদ্দীন নাছিরের এই উদ্যোগ কেবল জান্নাতের পরিবারকে নয়, পুরো সম্প্রদায়কে সহমর্মিতার অনুপ্রেরণা দিয়েছে। তার এই মানবিক পদক্ষেপ স্থানীয় জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী প্রভাব ফেলবে এবং ভবিষ্যতে এলাকার অন্যান্য নেতাদের জন্যও দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।