মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নদী ভাঙনের কবলে প্রধান সড়ক, পটুয়াখালীর সঙ্গে গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্নের আশঙ্কা

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে রামনাবাদ নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়েছে জেলা সদরের সঙ্গে উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম গলাচিপা-পটুয়াখালী মহাসড়ক। নদীর করাল গ্রাসে সড়কের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিলীন হওয়ার পথে, যা যেকোনো মুহূর্তে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সরেজমিনে দেখা গেছে, আমখোলা লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় মহাসড়কের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৪০

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নে রামনাবাদ নদীর ভয়াবহ ভাঙনের কবলে পড়েছে জেলা সদরের সঙ্গে উপজেলার যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম গলাচিপা-পটুয়াখালী মহাসড়ক। নদীর করাল গ্রাসে সড়কের একটি বড় অংশ ইতোমধ্যে বিলীন হওয়ার পথে, যা যেকোনো মুহূর্তে পুরো যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, আমখোলা লঞ্চঘাট সংলগ্ন এলাকায় মহাসড়কের পাশে নির্মিত গাইড ওয়ালের একাংশ জোয়ারের পানির স্রোতে ধসে গেছে। ওয়ালের নিচের মাটি সরে গিয়ে পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে গভীর ফাটল। রাস্তার একটি অংশ এখন বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রামনাবাদ নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙন দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এভাবে চলতে থাকলে সড়কটির প্রায় ৫০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে। এর ফলে গলাচিপা উপজেলা সদরের সাথে পার্শ্ববর্তী পাঁচটি ইউনিয়নসহ জেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে, যা হাজারো মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ও অর্থনীতিতে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করবে।

নদী ভাঙনে শুধু সড়ক নয়, ভিটেমাটি ও ফসলি জমিও হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছেন নদীপাড়ের শত শত পরিবার। এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে স্থায়ী মুক্তির দাবিতে সম্প্রতি আমখোলা ইউনিয়নের ভাংড়া গ্রামের নদীর তীরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষজন। তারা দ্রুত নদী শাসন ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক ও জনপদ রক্ষার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ভুক্তভোগীরা বলছেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জরুরি ভিত্তিতে বালুর বস্তা (জিওব্যাগ) ফেলে ভাঙন মোকাবিলার চেষ্টা করা হলেও তা প্রবল স্রোতের কাছে যথেষ্ট নয়। একটি স্থায়ী সমাধানই কেবল এই জনপদকে রক্ষা করতে পারে।

জনগুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক এবং নদীর তীরবর্তী এলাকা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়বে এবং গলাচিপার অর্থনীতিতে মারাত্মক আঘাত হানবে।

নদীর ভাঙন ঠেকানো না গেলে হুমকির মুখে পড়বে তিন উপজেলার মানুষের জীবন-জীবিকা।

এ বিষয়ে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব জামিল আক্তার লিমন সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বলেন, “এই রাস্তাটি মূলত পানি উন্নায়ন বোর্ডের বেরিবাধ হওয়ার কারণে আমরা একক কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিনা তবে আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করেছি এবং তারা আমাকে আসস্থ করেছেন এক সপ্তাহের মধ্যে মেরামতের জন্য একটা বরাদ্দের ব্যাবস্থা করবেন এবং আগামী তিন মাসের মধ্যে রাস্তাটির স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষের বরাবর বরাদ্দের জন্য আবেদন করা হয়েছে।”

পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “এখন বর্ষা মৌসুম চলমান তাই আপাতত জরুরী ভিত্তিতে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ অংশে জিও ব্যাগ ফেলানো শুরু করেছি।”

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।