শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দুই যুগের অবহেলা : পরিত্যক্ত গলাচিপা সদর ইউপি ভবন

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৩ নং গলাচিপা (সদর) ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দ্বিতল কমপ্লেক্স ভবনটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ব্যবহারহীন পড়ে আছে। প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালে নির্মিত এ ভবনটি এখন গরু-ছাগলের আশ্রয়স্থল ও মাদকাসক্তদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। ফলে স্থানীয় জনগণ নাগরিক সেবার জন্য অতিরিক্ত খরচ করে পৌর শহরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২০:২৩

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ৩ নং গলাচিপা (সদর) ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) দ্বিতল কমপ্লেক্স ভবনটি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে ব্যবহারহীন পড়ে আছে। প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০০৬ সালে নির্মিত এ ভবনটি এখন গরু-ছাগলের আশ্রয়স্থল ও মাদকাসক্তদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। ফলে স্থানীয় জনগণ নাগরিক সেবার জন্য অতিরিক্ত খরচ করে পৌর শহরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের মো. শাহ আলী তালুকদারের দানকৃত এক একর জমিতে ইউপি কমপ্লেক্স ভবনটি নির্মাণ করা হয়। ভবনে চেয়ারম্যানের কক্ষ, সচিবের কক্ষ, ইউপি সদস্যদের কক্ষ, হলরুম, আনসার-ভিডিপি ও গ্রাম পুলিশের জন্য আলাদা কক্ষসহ প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা রাখা হলেও কোনো কার্যক্রম চালু হয়নি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের দরজা-জানালার অধিকাংশ ভাঙা, কক্ষগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভর্তি। মেঝেতে ছড়ানো প্রাণীর মলমূত্র, নেশাজাত দ্রব্যের খালি প্যাকেট আর গরুর খড়কুটো। ছাদ ও দেয়ালে শেওলা জমে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবেশপথ কাদা-পানিতে অগম্য হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় যুবক মো. সগীর হোসাইন বলেন, “ভবনটি ব্যবহার না করার কারণে এখানে পার্শ্ববর্তী এলাকার জুয়াড়ি ও মাদকসেবিরা আড্ডা বসায়। ফলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।”

স্থানীয় সাইদুজ্জামান সোহেল তালুকদার জানান, “সাবেক চেয়ারম্যান আবুল হোসেন তালুকদার গলাচিপা সদর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী এ গ্রামে ইউপি ভবন নির্মাণ করলেও গলাচিপা পৌরশহরে নিজস্ব জায়গা ও পুরনো টিনসেট ভবন থাকার কারণে যে-ই চেয়ারম্যান হয়েছে, সে-ই সেখানে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। ফলে জনগণকে বাধ্য হয়ে সময় ও অর্থ ব্যয় করে উপজেলা শহরে যেতে হচ্ছে।”

স্থানীয় কুদ্দুস মুন্সী বলেন, “জনপ্রতিনিধিরা নির্বাচিত হয়েই পৌর শহরের কার্যালয়ে বসতি স্থাপন করেন। ফলে জনগণ নাগরিক সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। গলাচিপা সদর ইউনিয়ন পরিষদ সংস্কার করে যদি এখান থেকেই যাবতীয় নাগরিক সেবা দেওয়া হয়, তাহলে জনগণের সময়, অর্থ ও পরিশ্রমের সাশ্রয় হবে এবং এলাকাটির পরিবেশ উন্নত হবে।”

ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মোহাম্মদ জাফর রানা বলেন, “আমি যোগদানের পর ভবনটি পরিদর্শন করেছি। ২০ বছর ধরে ব্যবহার না হওয়ায় এটি এখন প্রাণীর আশ্রয়স্থল হয়ে গেছে। আমি আবার পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।”

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহামুদুল হাসান বলেন, “খুব শিগগির সরেজমিনে পরিদর্শন করে জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংস্কার ও সচল করা হলে গলাচিপা সদর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি জনগণের জন্য আশীর্বাদে পরিণত হতে পারে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।