বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নিজ বাড়ির সীমানা যেন সীমান্তের কাঁটাতার, মই বেয়ে মা-ছেলের পারাপার

স্থানীয় এক প্রভাবশালীর কাছে জমি বিক্রি না করায় দীর্ঘ ৯ মাস ধরে একটি হতদরিদ্র পরিবারের বাড়ির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন পঞ্চাশোর্ধ বিধবা নারী শামসুন্নাহার ও তার ছেলে। মই ও গাছ বেয়ে দেয়াল টপকে ঝুঁকি নিয়ে নিজ বাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। ঘটনাটি গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্বখণ্ড […]

নিজ বাড়ির সীমানা যেন সীমান্তের কাঁটাতার, মই বেয়ে মা-ছেলের পারাপার

নিজ বাড়ির সীমানা যেন সীমান্তের কাঁটাতার, মই বেয়ে মা-ছেলের পারাপার

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:০৯

স্থানীয় এক প্রভাবশালীর কাছে জমি বিক্রি না করায় দীর্ঘ ৯ মাস ধরে একটি হতদরিদ্র পরিবারের বাড়ির চারপাশে বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন পঞ্চাশোর্ধ বিধবা নারী শামসুন্নাহার ও তার ছেলে। মই ও গাছ বেয়ে দেয়াল টপকে ঝুঁকি নিয়ে নিজ বাড়িতে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের।

ঘটনাটি গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্বখণ্ড এলাকার সচিব গেট এলাকায়।

মা-ছেলের অভিযোগ, নামমাত্র দামে জমিটি কিনে নিতে উঠে পড়ে লাগেন নূরুল হুদা। কিন্তু প্রয়াত স্বামীর কেনা জমি শামসুন্নাহার বিক্রি করবেন না বলে নূরুল হুদাকে জানিয়ে দেওয়ার পর থেকে শুরু হয় অত্যাচার। ওই বাড়ির চার দিকেই নূরুল হুদার জমি। নিজের জমিতে বাঁশ, কাঠ ও তারের বেড়া দিয়ে সব পথ বন্ধ করে দেন। গৃহবন্দি হয়ে পড়েন শামসুন্নাহার ও দীপু। গত ৯ মাস ধরে শামসুন্নাহারকে বের হতে দিচ্ছেন না নূরুল হুদা। মই বেয়ে বাড়ির বাইরে বের হয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন শামসুন্নাহার। কিন্তু কেউ তাঁকে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেননি বলে অভিযোগের সুরে বললেন তিনি।

শামসুন্নাহার বলেন, ২০০৫ সালে জমি কিনে এখানে বাড়ি করেছি। ৫ বছর আগে মারা গেছেন আমার স্বামী আমিরুল ইসলাম। নূরুল হুদা চাইছেন এই জমিটি অন্য কোনো এক ধনাঢ্য লোককে কিনে দিতে। কারণ আমার বাড়ির চারপাশের সব জমি কিনে নিয়েছেন ওই লোকটি। শুধু আমাদেরটাই বাকি। তাতে রাজি না হওয়ায় গত ৯ মাস ধরে চারপাশে বাঁশ, কাঠ ও তারের বেড়া দিয়েছেন। বিশেষ কোনো দরকারে মই বেয়ে দেয়াল টপকে বাইরে বের হতে হয়, কিন্তু তা নিরাপদ না। তেড়ে আসেন নূরুল হুদা।

ভুক্তভোগী আরও বলেন- গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন করতাম। বাধ্য হয়ে সেগুলো বিক্রি করে ফেলেছি। সম্প্রতি নূরুল হুদা হুমকির মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে ভয়ে দেয়াল টপকেও বের হই না। ঘরে চাল, ডাল, তেল, নুন কিছুই নেই। অনাহারে কাটছে আমাদের দিনগুলো।

শামসুন্নাহারের ছেলে সাইফুল ইসলাম দীপু বলেন, এত অমানবিক মানুষ হতে পারে কী করে! ৯ মাস ধরে আমাদের ঘরবন্দি করে রেখেছে। বাড়িছাড়া করতে কয়েকবার মাকে মারধর হয়েছে। কিন্তু মা বলছে, তিনি বাবার বসতভিটা ছেড়ে যাবেন না। প্রায় ২০ বছর আগে বাবা সাড়ে ৩ শতাংশ জমি কিনেছিলেন। জমির দাম বেড়ে গেছে। আমি এখন কারখানায় কাজেও যেতে পারি না। উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। বসতবাড়ির চারপাশে বেড়া। মই দিয়ে খুবই কষ্টে যাতায়াত করি। মার খুবই কষ্ট হয়। জমি ছেড়ে দিতে প্রতিদিন হুমকি দিচ্ছে। মা অসুস্থ হয়ে গেছেন।

অভিযুক্ত নূরুল হুদা গণমাধ্যমকে বলেন,‘আমি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে বাধ্য নই। আমি তাদের রাস্তা দেব না, দেখি কে রাস্তা দেয়। সাংবাদিকদের সঙ্গে আমার কোনো কথা নেই।’

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ব্যারিস্টার সজীব আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, এর আগে একবার নূরুল হুদাকে নোটিশ করা হয়েছে। সাড়া দেননি। দ্বিতীয়বার নোটিশ করেছেন। আগামী সোমবার তাকে ডাকা হয়েছে। যদি এতেও সাড়া না দেন, নিয়মা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।