শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

পল্লী বিদ্যুৎ কর্মচারীদের গণছুটি: ভোগান্তিতে গলাচিপার গ্রাহকরা

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ৪২ জন কর্মচারী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে গেছেন। এতে অফিসের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার সংক্রান্ত জটিলতা, বিল সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে বহু গ্রাহক ফিরে যাচ্ছেন। যদিও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, যে কয়জন উপস্থিত আছেন তাদের দিয়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০০:৪৭

পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গলাচিপা জোনাল অফিসের ৪২ জন কর্মচারী সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের গণছুটিতে গেছেন। এতে অফিসের সব ধরনের দাপ্তরিক কার্যক্রম প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার সংক্রান্ত জটিলতা, বিল সংশোধনসহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধান না পেয়ে বহু গ্রাহক ফিরে যাচ্ছেন। যদিও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার বলছেন, যে কয়জন উপস্থিত আছেন তাদের দিয়ে নির্বিঘ্ন সেবা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে।

গত শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংস্কার, চাকরি বৈষম্য দূরীকরণ ও হয়রানিমূলক পদক্ষেপ বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলনের অংশ হিসেবে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গণছুটিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। আন্দোলন চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ যাতে বিঘ্নিত না হয়, সেজন্য উপকেন্দ্রগুলোতে দু’জন করে বিদ্যুৎ কর্মী অবস্থান করবেন বলে জানানো হয়। গলাচিপা জোনাল অফিস থেকে জানা গেছে, এই আন্দোলনের সাথে সংহতি জানিয়ে ৮১ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে ৪২ জন একযোগে দরখাস্ত দিয়ে গণছুটিতে গেছেন। সকালে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মচারীরা একত্র হয়ে ছুটির দরখাস্ত জমা দেন এবং পরে অফিস ত্যাগ করেন।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা চলছে। কিন্তু আমাদের দাবি মানা তো দূরের কথা, উল্টো অন্যায়ভাবে বরখাস্ত, বদলি ও চাকরিচ্যুতি করা হচ্ছে। এতে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। কর্মরতদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত ও বরখাস্তদের পুনর্বহাল, অব্যবস্থাপনার অবসান, বদলির নামে হয়রানি বন্ধ, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ।

এদিকে অফিসগুলোর দাপ্তরিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বিপুলসংখ্যক গ্রাহকের সেবায় ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। সেবা না পেয়ে ফিরে যাওয়া গ্রাহকদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম, নিখিল মাল, আলমগীর সহ অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কারো মিটার নষ্ট, কারো বিদ্যুৎ বিল বেশি আসা, আবার কারো নতুন সংযোগের আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলে আছে। কিন্তু কর্মকর্তারা না থাকায় এসব সমস্যার কোনো সমাধান হচ্ছে না। গ্রাহকরা বলছেন, সময়, শ্রম ও অর্থ—সবই নষ্ট হচ্ছে। অথচ জরুরি সেবা বন্ধ থাকার কারণে আমরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছি। তারা বলেন, অফিস থেকে বলা হচ্ছে আন্দোলন চলছে গণছুটিতে গেছে কর্মচারীরা তাই সেবা বন্ধ।

সরেজমিনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে গলাচিপা জোনাল অফিসে গিয়ে দেখা যায় বিভিন্ন কক্ষের চেয়ার ফাঁকা কোন কর্মকর্তা কর্মচারী নেই। বিল গ্রহণ বিভাগে ক্যাশিয়ার ও বিল গ্রহণের সাথে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সদস্য রয়েছেন। অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও এজিএমকে পাওয়া গেলোও কোন সেবা দিতে দেখা যায়নি। এছাড়া ২জন লাইনম্যান, ১জন টেকনিশিয়ান কে দেখতে পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে গলাচিপা জোনাল অফিস ও উপকেন্দ্র মিলিয়ে ৩৯ জন কর্মস্থলে উপস্থিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন গলাচিপা জোনাল অফিসের ডিজিএম ছিদ্দিুকুর রহমান তালুকদার।

তিমি বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গণছুটিতে গেছেন। কর্মরত ৮১ জনের মধ্যে ৪২জন পটুয়াখালী জিএম স্যারের কাছে দরখাস্ত দিয়ে গণছুটিতে চলে গেছেন। তবে সেবা না পেয়ে ফিরে গেছেন যারা, তাদের ব্যাপারে তিনি বলেন, আমি অফিসের কাজে বাহিরে ছিলাম বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করলে হয়তো সেবা পেতো। তবে তিনি সেবা যে ব্যহত হচ্ছে সেটি স্বীকার করেন।

তিনি আরও জানান, এ অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কোনো কারণে ট্রিপ না করলে নির্বিঘ্ন বিদ্যুৎ সচল রাখা যাবে। যে কজন উপস্থিত আছে তাই দিয়ে সেবা চালানোর চেষ্টা চলছে বলে জানান। তিনি আশা করেন দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে।

যদিও গ্রাহক ও স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বিদ্যুৎ সেবায় বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে। বিশেষ করে লোডশেডিং, লাইন মেরামত বা আকস্মিক বিপর্যয়ের সময় পর্যাপ্ত কর্মী না থাকলে গ্রাহকরা আরও ভয়াবহ সংকটে পড়বেন। গত রোববার ০৭ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ৭ ঘন্টার বেশি সময় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন ছিলো গলাচিপা উপজেলায়। যদিও বিদ্যুৎ অফিস বলছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ ছিলো।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।