হাফিজুর রহমান , সাতক্ষীরা
জোরপূর্বক জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ, ভুক্তভোগীদের মধ্যে চরম ক্ষোভ
যশোরের কেশবপুর উপজেলার ২নং সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের শেখপুরা গ্রামে জমি দখল ও জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ী ইউনিয়নের শেখপুরা গ্রামের মাষ্টার মোঃ আব্দুস সাত্তার (৬০) বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের বিবাদী,আজিবার রহমান মোড়ল, মোজব্বার মোড়ল, নইমুদ্দিন মোড়ল, ছহিল উদ্দিন মোড়ল, ওয়াজেদ আলী মোড়ল(উভয়ের পিতা মৃতঃবিশি মোড়ল)ও হালিম মোড়ল(পিতা,মোজব্বার মোড়ল) জোরপূর্বক তার জমির উপর রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা চালায়। এসময় তারা উত্তর-দক্ষিণ পাশে পোতা দুটি সিমেন্টের সীমানা পিলার উপড়ে ফেলে দেয় এবং জমির উপর ইটের খোয়া সুরখি ফেলে যাতায়াতের রাস্তা তৈরি করে।
ঘটনার সময় ভয়ে আব্দুস সাত্তারের পরিবারের সদস্যরা প্রতিবাদ করতে পারেননি।
ভুক্তভোগী পরিবার বর্তমানে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
ঘটনাটি শেখপুরা গ্রামের ইমরান হোসেন, মর্জিনা বেগম এবং পাশ্ববর্তী চিংড়া গ্রামের তানজিলা বেগমসহ আরও অনেকে প্রত্যক্ষ করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য: উক্ত বিরোধী জমি নিয়ে ইতিপূর্বে ২থেকে ৩ বার স্থানীয়ভাবে সমাধান করার চেষ্টা করা হয়েছে,,,,,,,সর্বশেষ গত রমজান মাসে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান, সেক্রেটারি মোঃ সিরাজুল ইসলাম,৮নং ওয়াড সভাপতি কাজী মনোয়ার আবু তাহের(বাবু)সেক্রেটারি আব্দুল হালিম মোড়ল,আরও ছিলেন কাজী রকীবুল ইসলাম(মনা)হাজী আমীর আলী মোড়ল,আঃ জব্বার,আঃ করীম,মুকুল হোসেন,আফসার আলী সরদার,ডা:আব্দুস সালাম,রাজ্জাক আহম্মেদ রাজু সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও উভয় পক্ষের আমীন দিয়ে মাপজরিপ করে মীমাংসিত হয় এবং সকলের উপস্থিতিতে সিমেন্টের সীমানা পিলার স্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযোগকারী জানান, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশ বৈঠকে মীমাংসিত হওয়ার পরেও তারা একবার জবরদখলের আসার চেষ্টা করে ও বিভিন্ন ধরনের উস্কানিমূলক কথা ও ভয়ভীতি প্রদান করেন,সেটা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম খান সুস্থ ও সম্মানজনক একটি সমাধান করেন,
পুনরায় আবার উক্ত মীমাংসায় উপস্থিতির গণ্যমান্য ব্যক্তিদের তোয়াক্কা না করে উস্কানি মূলক কথা বলে গায়ের জোরে আবারও জবরদখলে আসে এবং রাস্তায় ইট,খোয়া,সুরখি,দিয়ে রাস্তা তৈরি করে।
অবশেষে সকলের সম্মতিক্রমে ও সুস্থ বিচারের দাবিতে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।
কেশবপুর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।