শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে সোনালী আশের জোয়ার : জমজমাট পাটের হাটে কৃষকের মুখে হাসি

“৮০ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেছি। প্রায় ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বিক্রি করেছি ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মতো। লাভ দেখে মনটা ভরে গেছে।”

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২৩:৫৮

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার শতবর্ষী দিঘীরপাড় পাটের হাট আবারও জমজমাট হয়ে উঠেছে। সোনালী আঁশে ছেয়ে গেছে হাটের প্রতিটি কোণ, নদীর ঘাট থেকে শুরু করে বাজারের ভেতর পর্যন্ত। ভোরের আলো ফুটতেই কৃষকরা মাথায় করে, আবার কেউবা নৌকায় বোঝাই করে পাট নিয়ে ভিড় জমাচ্ছেন এই প্রাচীন বাজারে। পাইকারদের হাঁকডাক, ক্রেতাদের দরদাম আর কৃষকদের তৃপ্তি—সব মিলিয়ে পুরো এলাকা যেন এক উৎসবে পরিণত হয়েছে।

পদ্মার শাখা নদীর তীরে অবস্থিত দিঘীরপাড় হাটের ইতিহাস দুই শত বছরেরও বেশি পুরোনো। ব্রিটিশ আমল থেকে চলা এই হাট এখনও দেশের অন্যতম বড় পাটের আড়ত হিসেবে পরিচিত। সপ্তাহে দুই দিন—সোম ও শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয় বেচাকেনা। বর্তমানে প্রতিটি হাটে গড়ে দেড় হাজার থেকে দুই হাজার মণ পাট কেনাবেচা হচ্ছে।

এ হাটে শুধু মুন্সিগঞ্জ নয়, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুরসহ আশপাশের জেলার কৃষকরাও পাট নিয়ে আসেন। নৌ-ট্রলারেই পাটের বোঝা ওঠা-নামা হয়, আর সেখানেই দরদাম ঠিক হয়ে যায়। এই ভিন্নধর্মী বেচাকেনা যেন পাটের সাথে জড়িয়ে থাকা গ্রামীণ অর্থনীতির স্পন্দনকে আজও বাঁচিয়ে রেখেছে।

পাট চাষিদের মতে, কয়েক বছর ধরে পাটের দাম ও চাহিদা কিছুটা কম থাকলেও এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। কৃষকদের উৎপাদন খরচ যেখানে প্রতি মণে প্রায় ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা, সেখানে বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ২০০ থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায়। অর্থাৎ মণপ্রতি কৃষকরা পাচ্ছেন গড়ে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ।

কৃষক জুলহাস দেওয়ান জানালেন,

“৮০ শতাংশ জমিতে পাট চাষ করেছি। প্রায় ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। বিক্রি করেছি ১ লাখ ১০ হাজার টাকার মতো। লাভ দেখে মনটা ভরে গেছে।”

রহিম বেপারী অভিজ্ঞতাও একই রকম। তিনি বলেন,

“এক একর জমিতে পাট করেছি। খরচ হয়েছে ১৫-১৬ হাজার টাকা। বিক্রি করেছি প্রায় ৪০ হাজার টাকার মতো। এখনো কিছু পাট আছে। এভাবে দাম থাকলে আগামীতে আরও জমিতে পাট করব।”

আব্বাস আলী নামে আরেক কৃষক বলেন,

“এমন দাম যদি থাকে, তাহলে কৃষকরা আবারও পাট চাষে ঝুঁকবে। হারিয়ে যাওয়া পাটের ঐতিহ্য আবার ফিরে আসবে।”

পাট ব্যবসায়ী লুৎফর রহমান বলেন,

“দিঘীরপাড় হাটের সুনাম অনেক পুরোনো। প্রতি হাটে কয়েক হাজার মণ পাট কেনাবেচা হয়। এখানে কৃষক যেমন খুশি, ব্যবসায়ীরাও খুশি। এ বছর দামে যেমন স্থিতিশীলতা এসেছে, তাতে সবাই লাভবান হচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, ট্রলারেই অধিকাংশ কেনাবেচা সম্পন্ন হয়। পাইকাররা দূর-দূরান্ত থেকে এখানে ভিড় জমান। ফলে এ হাট শুধু স্থানীয় অর্থনীতিই সচল করছে না, বরং বৃহত্তর অঞ্চলের কৃষি-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এ বছর মুন্সিগঞ্জে ২ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদ হয়েছে। যদিও গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ কম হয়েছে, তবে উৎপাদন ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে। শুধু দিঘীরপাড় হাটেই এ মৌসুমে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ হাজার মণ পাট কেনাবেচা হতে পারে। এখানকার পাট নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলার কারখানায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক খুরশীদ আলম বলেন,

“পাট উৎপাদন এবার ভালো হয়েছে। কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন। সরকারও পাটের ব্যবহার বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। চটের ব্যাগ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। এতে বাজার চাহিদা বাড়বে এবং দামও স্থিতিশীল থাকবে।”

কৃষকরা আশা করছেন, যদি ধারাবাহিকভাবে এমন দাম থাকে, তবে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে পাট আবারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। হারানো দিনের মতো সোনালী আঁশের দিন ফিরবে। শুধু তাই নয়, স্থানীয় অর্থনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও নতুন করে বাংলাদেশের পাটের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে।

দিঘীরপাড় হাট তাই শুধু পাটের বেচাকেনার জায়গা নয়, বরং কৃষক-ব্যবসায়ীদের স্বপ্ন, ইতিহাস আর অর্থনীতির এক মিলনমেলা।

বিষয়ঃ

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।