মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভালো পোস্টিং পেতে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেন এসপি হান্নান

নরসিংদীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল হান্নান। পুলিশের ২৭তম ব্যাচের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পোস্টিংয়ের জন্য ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ভালো জেলায় পোস্টিংয়ের জন্য রবিউল মুন্সি নামে এক ব্যক্তিকে তিনি ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি সেই টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করেন। লেনদেনের নথিপত্রে তার […]

ভালো পোস্টিং পেতে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেন এসপি হান্নান

ভালো পোস্টিং পেতে ৫০ লাখ টাকা ঘুষ দেন এসপি হান্নান

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:১৬

নরসিংদীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আব্দুল হান্নান। পুলিশের ২৭তম ব্যাচের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পোস্টিংয়ের জন্য ৫০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ভালো জেলায় পোস্টিংয়ের জন্য রবিউল মুন্সি নামে এক ব্যক্তিকে তিনি ৫০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তিনি সেই টাকা উদ্ধারের চেষ্টা করেন। লেনদেনের নথিপত্রে তার স্বাক্ষরের প্রমাণও মিলেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক পরীক্ষায়। এরপর তাকে চাকরি থেকে কেন বরখাস্ত করা হবে না- জানতে চেয়ে ১০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

গত ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত একটি চিঠি আব্দুল হান্নানের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় পাঠানো হয়। সেই চিঠি থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ঘুষ লেনদেন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠির বিষয়ে আমাদের সময়ের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে এসপি আব্দুল হান্নান বলেন, ‘নরসিংদী আসেন কথা বলব।’ অভিযোগের বিষয়ে আপনার কিছু বলার আছে কিনা? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘না’।

জননিরাপত্তা বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩০ আগস্ট নরসিংদী জেলায় যোগদানের আগে ২০২৩ সালে পুলিশ সুপার হিসেবে জেলায় পদায়ন পেতে আপনি (আব্দুল হান্নান) রবিউল মুন্সিকে ৫০ লাখ টাকা দেন। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে রবিউল মুন্সি আপনাকে পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়নের ব্যবস্থা করে দিতে ব্যর্থ হন। পরবর্তী সময় আপনি গত বছরের ৩০ আগস্ট নরসিংদী জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন। এরপর রবিউল মুন্সির কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রবিউল মুন্সি।

জননিরাপত্তা বিভাগের চিঠিতে আরও বলা হয়, রবিউল মুন্সির কাছ থেকে টাকা উদ্ধারের জন্য ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর আপনি এবং আপনার অধীন ডিবি ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) এসএম কামরুজ্জামান ঢাকায় আসেন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই। তেজগাঁওয়ের মনিপুরিপাড়ার বিজয় সরণির রবিউল মুন্সির অফিসে গিয়ে ৫ লাখ টাকা আদায় করেন। অবশিষ্ট ৪৫ লাখ টাকা উদ্ধারের জন্য পুলিশ পরিদর্শক এসএম কামরুজ্জামান নিজ হাতে একটি লিখিত ডকুমেন্ট তৈরি করেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে জোরপূর্বক রবিউল মুন্সির স্বাক্ষর নেন এবং আপনিও গ্রহণকারী হিসেবে স্বাক্ষর দেন। সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষায় স্বাক্ষরের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। আপনার কাজে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হয়েছে। সরকারি দায়িত্ব-বহির্ভূতভাবে অধস্তন পুলিশ সদস্যকে অবৈধ পন্থায় ব্যক্তিগত কাজে নিয়োজিত করেছেন, যা কাম্য নয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আপনার এ ধরনের কর্মকা- অকর্মকর্তাসুলভ ও দুর্নীতিপরায়ণতা, শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি। যা সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৩ (খ) বিধি অনুসারে অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণতার পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আপনাকে অসদাচরণ ও দুর্নীতিপরায়ণতার দায়ে অভিযুক্ত করা হলো। চিঠিতে আরও বলা হয়, আপনাকে চাকরি হতে কেন বরখাস্ত অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত দ- প্রদান করা হবে না, তা অভিযোগনামা প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর জন্য বলা হলো। আত্মপক্ষ সমর্থনে আপনি ব্যক্তিগত শুনানির ইচ্ছা পোষণ করেন কিনা, সেটিও বর্ণিত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে লিখিতভাবে জানানোর জন্য আপনাকে নির্দেশ দেওয়া হলো।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।