মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রায়পুরা হাসপাতালে প্রসব পরবর্তী মুমূর্ষু রোগীর জীবন বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ডা. ফাহিমা

নরসিংদীতে সুমা নামে এক নারী প্রসব-পরবর্তী রক্ত খরনে মুমূর্ষু অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে। তখনই চিকিৎসক ফাহিমার সাহসী পদক্ষেপে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সুমা (২৫) নামে ওই গৃহবধূকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে তোলেন। এমন মানবিক কাজে প্রশংসায় ভাসছেন। ডা ফাহিমা শারমিন হানি রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।মঙ্গলবার রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহিলা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৫, ০২:০৯

নরসিংদীতে সুমা নামে এক নারী প্রসব-পরবর্তী রক্ত খরনে মুমূর্ষু অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে জীবন মৃত্যুর সন্নিকটে। তখনই চিকিৎসক ফাহিমার সাহসী পদক্ষেপে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সুমা (২৫) নামে ওই গৃহবধূকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে তোলেন। এমন মানবিক কাজে প্রশংসায় ভাসছেন।

ডা ফাহিমা শারমিন হানি রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।মঙ্গলবার রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহিলা ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় চিকিৎসাধীন সুমা হাসি খুশি।সুমা বলেন,আল্লাহর রহমতে ডাক্তার-নার্সদের কারণে আজ বেঁচে আছে। ডা ফাহিমাসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

জানা যায়, বেলাব উপজেলার হোসেননগর গ্রামের বাবুল মিয়ার স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী সুমা গত রোববার সন্তান জন্মের পর রক্তক্ষরণে মারাত্মক সংকটে পড়েন। রক্তের পরিমাণ (Hb%) মাত্র ১-এ নেমে গেলে সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতালই তাকে ভর্তি নেয়নি।

শেষ পর্যন্ত মুমূর্ষু অবস্থায় রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হলে প্রথমে রেফার্ড করা হয়। কিন্তু অন্য হাসপাতালে নেয়ার পথে তার জীবন চলে যেতে পারতো। রোগীর স্বজনদের অনুরোধে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ফাহিমা শারমিন হানি দায়িত্ব নেন।

তিনি জেলা সিভিল সার্জনের পরামর্শে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. ইসমাইল আল রাজীবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও অভিজ্ঞ নার্সদের সহযোগিতায় দ্রুত চিকিৎসা দেন। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও সাহসী পদক্ষেপে শেষ পর্যন্ত ২ ঘন্টার চেষ্টায় সুস্থ হয়ে ওঠেন ওই গৃহবধূ নারী।

স্থানীয়রা বলছেন, ডাক্তারদের আন্তরিকতা ও সাহসী পদক্ষেপই আবারও প্রমাণ করেছে সঠিক সেবা পেলে সরকারি হাসপাতালেও রোগীরা জীবনের নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পান তারি বাস্তব উদাহরণ।

সুমার শাশুড়ি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “তার অবস্থা সংকটাপন্য ছিলো। ওই সময় বৌ’মা আমার হাতে নাতনী গুলো দিয়ে বলে মা আমার কিছু হলে সন্তান গুলোকে দেখবেন। তিনটা নাতনী নিয়ে কী যে বিপদে পড়েছিলাম।

তা বলে বোঝানো যাবে না। আল্লাহর রহমতে আর ডাক্তার-নার্সদের কারণে আমার পুত্রবধূ আজ বেঁচে আছে। তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।”

সুমার বাবা মুমতাজ মিয়া বলেন, “ডাক্তারদের কারণে আমার মেয়ের প্রাণ বেঁচেছে। খুদার পরেই পরেই ফেরেস্তা হয়ে ডাক্তার এসেছে। এখন সে সুস্থ আছে।”

সেচ্ছাসেবী শফিকুল ইসলাম বলেন, মানবিক ডাক্তারের এমন মানবিক কাজে এগিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ কৃতজ্ঞতা।

নার্সিং সুপারভাইজার রেহেনা বেগম জানান, রোগীটির অবস্থা ছিল একেবারেই আশঙ্কাজনক। এমন রোগী আগে কখনোই দেখিনি। তবে ডা: ফাহিমা শারমিন হানি ডাক্তারের সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা দেওয়ায় রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।

ডা. ফাহিমা শারমিন হানি বলেন, সুমা নামে রোগীটি প্রসব পরবর্তী ফুল না পরায় বিভিন্ন হাসপাতালে না ধরায় মূমুর্ষ অবস্থায় আমার নিকট নিয়ে এসে অনুরোধ করে। প্রশিক্ষণের সময় অভিজ্ঞতা কাজে কাগিয়ে সিভিল সার্জন সারের সাথে কথা বলে রোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা শুরু করি।

পাশাপাশি আমার স্বামী আরএমও ইসমাইল আল রাজীব সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে তাৎক্ষণিক চ্যানেল অপেন করে প্লাসেন্টা আউট করি। রোগী খুব রিক্সে ছিল। ওই সময় জীবন বাঁচাতে রিক্সটা নিতেই হলো। সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত ও সবার টিমওয়ার্কের

সহযোগিতায় রোগীকে বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। রোগীকে বাঁচাতে পেরে ভালো লাগছে খুবই আনন্দিত। একটি জীবন বাঁচাতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন “ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ও ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ভ্রান্ত ধারনার কথা শুনি থাকেন। আশাকরি সেই ধারণা পরিবর্তন হবে। সব সময় ডাক্তাররা রোগীর সোবায় নিবেদিত প্রাণ।”

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. ইসমাইল আল রাজীব বলেন, “রোগীটির অবস্থার কারণে তাকে অন্য কোথাও নেওয়ার সুযোগ ছিল না। ডা. ফাহিমার দূরদর্শী চিন্তা ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই মা ও সন্তান দু’জনই এখন নিরাপদ।”

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খান নূরুদ্দিন মো জাহাঙ্গীর বলেন, এমন একটি কাজে ডা ফাহিমাসহ টিমে যারা ছিলেন তাদেরকে ধন্যবাদ।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।