বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ

মজনুর রহমান, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ সরকারি খাল বিল ও নদী নালা ইজারা দেয়া ও উম্মুক্ত জলাশয়ে পাট জাগ দিতে নিষেধ করায় কারণে যত্রতত্র সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দিচ্ছেন মেহেরপুরের পাট চাষিরা। পুকুর ও ডোবার পানিতে কাদামাটি আর কলাগাছ চাপা দিয়ে পাট পচানোর কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ হচ্ছে কলুষিত। সেই সাথে জন্ম নিচ্ছে মশা মাছি। বাড়ছে রোগ বালাই। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৫, ১৯:২৬

মজনুর রহমান, মেহেরপুর প্রতিনিধিঃ

সরকারি খাল বিল ও নদী নালা ইজারা দেয়া ও উম্মুক্ত জলাশয়ে পাট জাগ দিতে নিষেধ করায় কারণে যত্রতত্র সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দিচ্ছেন মেহেরপুরের পাট চাষিরা। পুকুর ও ডোবার পানিতে কাদামাটি আর কলাগাছ চাপা দিয়ে পাট পচানোর কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ হচ্ছে কলুষিত।

সেই সাথে জন্ম নিচ্ছে মশা মাছি। বাড়ছে রোগ বালাই। কৃষকরা বলছে, তারা বাধ্য হয়েই যত্রতত্র পাট জাগ দিচ্ছেন। আর কৃষি অফিস বলছে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষিরা পাট পচানোয় অভ্যস্ত নয়।

গাংনীর মরা নদীসহ কয়েকটি বিল বাওড় সরকারিভাবে লীজ দেওয়া হয়েছে। সেখানে পাট পঁচানো নিষিদ্ধ। ফলে পাট চাষিরা বিভিন্ন পুকুর ও ডোবা লীজ নিয়ে পাট পচাচ্ছেন। পর্যাপ্ত পানি না থাকায় ব্যবহার করতে হচ্ছে স্যালো মেশিন।

এতে করে চাষিদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে এক থেকে দেড় হাজার টাকা। ফলে লোকসানের আশঙ্কা করছে পাট চাষিরা। তাছাড়া বাড়ির আশেপাশেও নীচু জায়গাতে পাট জাগ দেয়ায় দুর্গন্ধ চড়াচ্ছে। মশা মাছির প্রজনন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে পাট পচানোর জায়গা।

অপরদিকে কলাগাছ, লতাপাতা আর কাদা দিয়ে পাট জাগ দেয়ার কারণে পাটের রং কালো হওয়ায় গুণগত মানও হারাচ্ছে। ফলে কাঙ্খিত মূল্য পাচ্ছেন না চাষিরা।

বানিয়া পুকুরের পাট চাষি আব্বাছ জানান, তিনি এবছর ১২ জমিতে পাট চাষ করেছেন। বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি না পাওয়ায় বাড়ির পাশের পুকুর লীজ নিয়ে পাট জাগ দিয়েছেন। দূরের মাঠ থেকে পাট নিয়ে এসে পুকুর লীজ ও স্যালো মেশিন দিয়ে পানি দেয়াতে খরচ বেড়েছে দেড় থেকে দু হাজার টাকা।

মশা মাছি জন্ম নিচ্ছে আর দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে এ কথা স্বীকার করে তিনি জানান, অর্থকারী ফসল পাট পচানোর বিকল্প পদ্ধতি তাদের জানা নেই তাই সনাতন পদ্ধতিতেই পাট পচাচ্ছেন তারা।

সিন্দুর কৌটা গ্রামের মোতালেব জানান, তিনি আট বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। মরা নদীতে পাট জাগ দেয়া নিষেধ তাই বাড়ির পাশে গর্ত করে পাট জাগ দিতে হয়েছে। মাঠ থেকে পাট এনে পাট পচাতে যে খরচ হচ্ছে তাতে বিঘা প্রতি খরচ বেড়ে দাড়াচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা। কিন্তু কাঙ্খিত মূল্য পাচ্ছেন তা চাষিরা।

ব্যবসায়িরা বলছেন, কাদা মাটি দিয়ে পাট জাগ দেয়ায় পাটের গুণগত মান কমে গেছে। কিন্তু কৃষি অফিসের পরামর্শে পাট পচাতে পলিথিন আর ইট বালি যোগাড় করতেও অনেক খরচ।

গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক এমকে রেজা জানান, পাট পচানোর কারণে দুর্গন্ধে পরিবেশ কলুষিত হবার পাশাপাশি মশা মাছি বংশ বৃদ্ধি করে। পানি বাহিত রোগের প্রাদূর্ভাব ঘটে। প্রবহমান জলাধারে পাট পচালে কোন প্রভাব পড়বে না প্রকৃতির উপর।

গাংনী উপজেলা কৃষি অফিসার ইমরান হোসেন জানান, জেলায় পাট চাষ হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে। চাষিদেরকে পলিথিন ও ইট চাপা দিয়ে পাট জাগ দিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এতে করে পাটের মান গুণগত বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু চাষিরা অনেকটা অবহেলা করছে। তাছাড়া পানির অভাবেও অনেকে ছোটখাটো গর্তে পাটজাগ দিচ্ছে। কৃষি অফিস সব সময় তৎপর চাষিদের পরামর্শ দিতে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।