সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সমাজসেবার আড়ালে ভয়ংকর চাঁদাবাজির অভিযোগ জেলা বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

শেখ সবুজ আহমেদ,কুষ্টিয়া : বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া। এই কুষ্টিয়া এখন অশান্ত জনপদ হিসেবে দেশবাসীর কাছে পরিচিত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতেও উঠে আসছে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসীসহ একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য। আর এর নেপথ্যের নায়ক হিসাবে অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের দিকে।  একসময়ের ছাত্র-শিবিরের রাজনীতি থেকে উঠে আসা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৪৭

শেখ সবুজ আহমেদ,কুষ্টিয়া :

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী খ্যাত কুষ্টিয়া। এই কুষ্টিয়া এখন অশান্ত জনপদ হিসেবে দেশবাসীর কাছে পরিচিত।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতেও উঠে আসছে চাঁদাবাজি,সন্ত্রাসীসহ একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য। আর এর নেপথ্যের নায়ক হিসাবে অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের দিকে। 

একসময়ের ছাত্র-শিবিরের রাজনীতি থেকে উঠে আসা ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার বিএনপি’র রাজনীতিতে তার উত্থান কেন্দ্রীয় এক নেতার হাত ধরে।

এবং গত বছরে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব পদের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তার বেপরোয়া চলাচল শুরু হয়।

জেলার সমস্ত বালু মহল থেকে নিয়মিত চাঁদা উত্তোলন, সরকারি ঠিকাদারি কাজে টেন্ডার বাণিজ্য, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি বাণিজ্য ও নিয়োগ-বাণিজ্য সহ কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র অন্তর্গত বিভিন্ন কমিটি বাণিজ্য একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার।

ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগে জানা যায়, “কুষ্টিয়া গ্রিন সিটি” সামাজিক কর্মকাণ্ডের নামে শহরের ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ডনেট এর নামে মোটা অংকের অর্থ নেওয়া হয় এবং কেউ দিতে অস্বীকার হলে তার ওপর রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ ও সামাজিকভাবে তাকে হেনস্তা করা হয়।

এ বিষয়ে কেউ মুখ না খুললেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গার্মেন্টস ব্যবসায়িক জানান,ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে ২৫ লক্ষ টাকা দিয়েছে তিনি।

এবং বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠান বিআরবি গ্রুপের কাছ থেকে এককালীন মোটা অংকের টাকা নিলেও প্রত্যেক মাসের ১০ তারিখের মধ্যে নির্দিষ্ট পরিমাণের একটি অর্থ মাসোহারা নিয়ে থাকে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার। 

অনুসন্ধানে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর বিরুদ্ধে আরো ভয়াবহ তথ্য পাওয়া যায়, জেলার বিভিন্ন চরমপন্থী সংগঠনকে নিয়ন্ত্রণ করে তিনি এবং এদেরকে দিয়ে জেলার বিভিন্ন বালু মহলে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালানো হয় আধিপত্য ও ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য। যা বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। 

স্থানীয় বিএনপি’র নেতা কর্মীরা বলে, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপিকে কলঙ্কিত করার মিশনে নেমেছে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার।

কারণ আমরা অতীতে দেখেছি ছাত্রলীগের এক সভাপতির বেপরোয়া কর্মকাণ্ডে সংগঠনটি বিতর্কিত হয় এবং পরবর্তীতে জানা যায় ছাত্রলীগের সভাপতি আসলে সেই ছেলেটি ছাত্র শিবির কর্মী আর এটিই ছিল তার মিশন ছাত্রলীগ’কে কলঙ্কিত করার।

অতএব আমরা ভাবতে পারি ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার একসময় ছাত্রশিবির কর্মী ছিল এবং তার পরিবার জামাত ঘরোনা রাজনীতিতে বিশ্বাসী, তাহলে কি বিএনপি কলঙ্কিত করার মিশনে নেমেছে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার সেই ছাত্রলীগের সভাপতি শিবির কর্মীর মত।

তিনি কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র অন্তর্গত সকল কমিটি তে বাণিজ্য করছে এবং আওয়ামী লীগের পদ ধারী নেতাকর্মীদেরকে টাকার বিনিময়ে বিএনপিতে দায়িত্বশীল পদে বসাচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের এক নিকটবর্তী আত্মীয় বলেন, গত বছরের ৫-ই আগস্ট এর পর থেকে তার বিভিন্ন শুভাকাঙ্ক্ষী ও আত্মীয়দের ব্যাংক একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন লক্ষ করা যাচ্ছে।

এবং তার বিভিন্ন আত্মীয় ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা জামাত ও আওয়ামী লীগ ঘরোনার হলেও তাদেরকে বিএনপিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়া হচ্ছে। 

অনুসন্ধানের স্বার্থে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন ব্যাংকে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের নিজের একাউন্টে তেমন একটা লেনদেন না করলেও তার বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনদের একাউন্টে লেনদেনের সময় তাকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় এবং সে সমস্ত ব্যাংক একাউন্টে ৮ মাস যাবত অস্বাভাবিকভাবে লেনদেন শুরু হয়েছে যা আগে কখনো দেখা যায়নি। 

ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর বিষয়ে কুষ্টিয়ার এক প্রবীন রাজনৈতিক নেতা আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম আনসার প্রামানিক বলেন, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার টাকার বিনিময়ে আওয়ামী লীগের পদ ধারী নেতাকর্মীদেরকে বিএনপিতে বিভিন্ন পদে বসাচ্ছে। যা রাজনীতিতে এক সময় অনেক বড় বিপদ ডেকে আনবে।

এবং বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ও সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দের নামে রাজনৈতিক নেতা ও বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা আদায় করছেন নিয়মিত। আর এতে প্রমাণ হচ্ছে আওয়ামী লীগের সময়ের স্বৈরাচার ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এর উপর ভর করেছে। 

এ সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারের সঙ্গে যোগাযোগে এ ব্যর্থ হলে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক কুতুবুদ্দিন আহমেদ বলেন, তার এমন কর্মকাণ্ডে লজ্জিত আমরা এবং এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলমান এবং পরবর্তীতে আপনাদেরকে সকল তথ্য জানানো হবে।  

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।