বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টুঙ্গিপাড়ায় কমিউনিটি ক্লিনিকে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা

শান্ত শেখ, টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধিঃ প্রয়োজনীয় ওষুধ সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবার প্রধান ভরসাস্থল কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা। ওষুধের নিয়মিত বরাদ্দ কমিয়ে দেয়ায় ও চাহিদা অনুয়ায়ী পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকায় মাসের অর্ধেক দিনেই শেষ হচ্ছে বরাদ্দকৃত ওষুধ। ফলে ক্লিনিকে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল নিম্ম আয়ের মানুষের। গ্রামের দরিদ্র মানুষদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ আগস্ট ২০২৫, ১৯:০৪

শান্ত শেখ, টুঙ্গিপাড়া প্রতিনিধিঃ

প্রয়োজনীয় ওষুধ সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামীন স্বাস্থ্য সেবার প্রধান ভরসাস্থল কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যসেবা। ওষুধের নিয়মিত বরাদ্দ কমিয়ে দেয়ায় ও চাহিদা অনুয়ায়ী পর্যাপ্ত ওষুধ না থাকায় মাসের অর্ধেক দিনেই শেষ হচ্ছে বরাদ্দকৃত ওষুধ।

ফলে ক্লিনিকে গিয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল নিম্ম আয়ের মানুষের। গ্রামের দরিদ্র মানুষদের বিনা খরচে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ দেয়ায় এসব ক্লিনিক সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা হয়ে উঠলেও এখন ওষুধ সংকটে বিপাকে পড়েছে এসব ক্লিনিকের ওপর নির্ভরশীল মানুষ।

এসব ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে রোগীরা জানান, সর্দি, জ্বর, আমাশয়, ডায়রিয়া, উচ্চ রক্তচাপ, মাথাব্যথাসহ নানা রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা ও ওষুধ নেন তারা। প্রতি মাসের প্রথম দিকে ক্লিনিক থেকে বিভিন্ন রোগের কিছু পরিমাণ ওষুধ পাওয়া গেলেও মাসের শেষের দিকে ফিরতে হয় খালে হাতে। সম্প্রতি এ সমস্যা বেড়ে গেছে কয়েকগুন সঙ্গে অ্যমোক্যাসিলিন, কট্রিম, মেট্রো, পিনিসিলিনসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ একেবারেই পাচ্ছেন না তারা।

আমাশয়, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের প্রয়োজনীয় ওষুধ না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল গ্রামীন নিম্ম আয়ের মানুষ।

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার কুশলি ইউনিয়নের চরকুশলি গ্রামের মো. দুলু মিয়া বলেন, ‘আগে প্রাথমিক চিকিৎসার সব ওষুধ পাওয়া গেলেও এখন পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা সাধারণ মানুষ টাকার অভাবে ওষুধ কিনতে না পেরে বিনা চিকিৎসায় ভুগছি। ক্লিনিকে যেয়ে ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।

কুশলি হাঁটের পাসের গ্রামের, রাবেয়া বেগম জানান, সর্দি, জ্বরের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপসহ গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ আগে দেয়া হতো। কিন্তু এখন আগের মতো ওষুধ নেই।

মাসের ১০ দিন না যেতেই ওষুধ সংকটের কথা স্বীকার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার চরকুশলি গ্রামের কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইড রাজিয়া সুলতা ওরফে ( মিতা ) জনান, প্রত্যকটি ক্লিনিকে প্রতি মাসের জন্য ২৭ প্রকার ওষুধ দুটি বক্স দেয়া হতো।

যা দিয়েই স্থানীয় রোগীদের সামাল দিতে বেগ পেতে হতো। বেশ কিছু দিন থেকে দুটির জায়গায় দেয়া হচ্ছে একটি। যে কারণে মাসের অর্ধেক যেতেই শেষ হয় ওষুধ।

ওষুধ সংকটে রোগীদের হয়রানির কথা স্বীকার করে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সিভিল সার্জন ডা. মোঃ জসিম উদ্দিন , জানান, টুঙ্গিপাড়ায় ক্লিনিকের সংখ্যা ১৭ টি সরকারি সিদ্ধান্তে সম্প্রতি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে এন্টিবায়োটিক ওষুধ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

পূর্বের চেয়ে এসব ক্লিনিকের নির্ধারিত এলাকার জনসাধারণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব জনগণের চাহিদার তুলনায় ওষুধ বরাদ্দ কম হওয়ায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।