আজাদ শিবলু : সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নোয়াখালীর সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী উপজেলার সীমান্তে ছাতারপাইয়া বাজার এলাকায় সরকারি খাল দখলমুক্ত করতে বৃহৎ যৌথ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন। সোনাইমুড়ী উপজেলার ৪৩ টি সেনবাগের শতাধিক স্থাপনা উচ্ছেদ।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল থেকে তিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্য অভিযানে অংশ নেয়। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি তেমুহনী থেকে ছাতারপাইয়া,
কাশিপুর হয়ে চৌমুহনী পর্যন্ত প্রধান খালসহ ছাতারপাইয়া থেকে সোনাইমুড়ী ও কানকির হাট পর্যন্ত খালের জমি দখল করে দোকানপাট, ঘরবাড়ি ও ইটভাটা নির্মাণ করে আসছিল। দখলকারীদের বারবার নোটিশ দিলেও তারা অবৈধ স্থাপনা সরায়নি।
এ অবস্থায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাওছারী আক্তার, সেনবাগ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুল ইসলাম ও সোনাইমুড়ী সহকারী কমিশনার (ভূমি) সৈয়দ মুরাদ ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান শুরু হয়।
সহায়তায় ছিলেন সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ইনচার্জ ক্যাপ্টেন পারভেজ মোশারফ ও সেনবাগ থানার ওসি এস এম মিজানুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
প্রথমে ছাতারপাইয়া পূর্ব বাজার থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এরপর পশ্চিম বাজারে তিন খালের মোহনায় বড় ভেকু মেশিন দিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম চলে। বিকেল পর্যন্ত দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ হয়।
সেনবাগ সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুল ইসলাম বলেন,সেনবাগ উপজেলার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার সমস্যা লাঘব করতে ১০ খালের তালিকা আমরা করি। এর মধ্যে অবৈধ সকল স্থাপনের ৭ থেকে ৮টি খালের অবৈধ সকল স্থাপনা আমরা উচ্ছেদ করেছি।
আজকে ছাতারপাইয়া বাজারে উচ্ছেদ অভিযান চলছে, এটি সফলভাবে শেষ হলে পরবর্তীতে গাজীরহাট কানকিরহাটের যে খালটি রয়েছে সেখানে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।