সজিব রেজা, দিনাজপুর প্রতিনিধি:
আমদানি শুরুর তিন দিনের মাথায় হঠাৎ করে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি পারমিট) বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দাম নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা।
সেইসঙ্গে আইপির ক্ষেত্রে ৩০ টনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। অনুমতি অব্যাহত না রাখলে আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তারা।
বুধবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের পক্ষ থেকে সংগঠনটির কার্যালয়ে জরুরী সংবাদ সন্মেলনে এই দাবি জানান আমদানিকারকরা।
লিখিত বক্তব্য বলা হয়, চলতি মাসের ১৪ তারিখে আইপি উম্মুক্ত করে দেওয়ার পর হঠাৎ করেই ১৯ তারিখে তা বন্ধ করে দেয় সরকার। এমন সিদ্ধান্তের ফলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বেন ব্যবসায়ীয়া।
এরইমধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে ১৫০টি পেঁয়াজবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় রয়েছে। সেসব পেঁয়াজ আমদানি করতে না পারলে বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি শিকার হবেন তারা।
এছাড়াও দেশের বাজারে আবারো সিন্ডিকেটে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাবে। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ যেকোনো সিদ্ধান্তে স্থিতিশীল ও সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ নেওয়া।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাহিলি সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফেরদৌস রহমান, হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম, আমদানিকারক রিপন।