বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আওয়ামী মবের বাধায় খুলনায় কবর দেওয়া যায়নি আল্লামা সাঈদীকে

অছিয়ত ছিল খুলনার বসুপাড়ায় নিজ হাতে গড়া দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা ও দাফন হবে। নিজের ও স্ত্রীর জন্য দুটি কবরের জায়গা মসজিদের কাছ থেকে কিনেও নিয়েছিলেন। তবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে খুলনায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরে কবর দেওয়া […]

আওয়ামী মবের বাধায় খুলনায় কবর দেওয়া যায়নি আল্লামা সাঈদীকে

আল্লামা সাঈদী

নিউজ ডেস্ক

১৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:১৭

অছিয়ত ছিল খুলনার বসুপাড়ায় নিজ হাতে গড়া দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে তার জানাজা ও দাফন হবে। নিজের ও স্ত্রীর জন্য দুটি কবরের জায়গা মসজিদের কাছ থেকে কিনেও নিয়েছিলেন। তবে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সশস্ত্র বিরোধিতার কারণে খুলনায় দাফন করা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত তাকে পিরোজপুরে কবর দেওয়া হয়। ফলে ১৪ আগস্ট এলেই খুলনার সাঈদীভক্তরা বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েন।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৩ সালের ১৪ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আল্লামা সাঈদী। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিনি আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন। জানা যায়, জনপ্রিয় এই ইসলামি ব্যক্তিত্বের মৃত্যুর পর খুলনার দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি বৈঠকে বসে। বৈঠকে লাশ মাদরাসায় আনা এবং অছিয়ত অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে দাফনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

মাদরাসার কামিল বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ ফেরদাউস হোসেন এবং ফাজিল তৃতীয় বর্ষের ছাত্র মোহাম্মদ বায়েজিদ ঘটনার রাতে মাদরাসায় ছিলেন। তারা জানান, তখন এশার নামাজ চলছে। নামাজ শেষে মসজিদের মাইকে ওনার মৃত্যুর খবর ঘোষণা দেওয়া হয়। রাত ১০টার দিকে হঠাৎ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা মাদরাসার সামনে অবস্থান নেয়। তাদের মিছিল, স্লোগান, উত্তেজক বক্তব্য ও হুমকি ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। মাদরাসা ও হেফজখানার ছাত্রদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে প্রধান ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু তারা গেটে আঘাত করতে থাকে। মনে হয় গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়বে। সে সময় প্রায় দেড়শ শিক্ষার্থী ভেতরে ছিল। আতঙ্কে সবাই উপরের তলা ও ছাদে উঠে যায়। রাত সাড়ে ১২টা বা ১টার দিকে তারা চলে যায়। তবে সারা রাত পাহারায় ছিল পুলিশ।

সে সময়কার পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ ও ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, সোনাডাঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক তসলিম আহমেদ আশা মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মিছিলে মহানগর যুবলীগের সভাপতি শফিকুর রহমান পলাশ, সিটি করপোরেশনের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রাজুল হাসান রাজু, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাকির হোসেন বিপ্লব, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জাহিদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাওলাদার (বর্তমানে মৃত), ১৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা অপু খান, যুবলীগ নেতা মো. হাসান শেখ, পারভেজ আহমেদ পলাশসহ কয়েকশ নেতাকর্মী ছিলেন।

স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু মিডিয়ায় দেওয়া সাক্ষাৎকারে এক সাংবাদিক নেতার নাম উল্লেখ করে বলেছিলেন, তারাই পারিবারিকভাবে এ জমির মালিক। এখানে যাতে সাঈদীর কবর না হয়, সেজন্য ওই সাংবাদিকের ভাই সোনাডাঙ্গা থানায় একটি জিডি করেছেন।

মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান মনি বলেন, বসুপাড়াবাসী একটি বীভৎস রাত পার করেছিল। হঠাৎ করেই শত শত সশস্ত্র মানুষ, তাদের জঙ্গি আচরণ, মাদরাসা ঘিরে ফেলে উত্তেজিত স্লোগান- এখনো অনেকে ওই রাতের কথা চিন্তা করলে ভয়ে আঁতকে ওঠেন। ওই রাতে বিনা অপরাধে ওরা আমার কাউন্সিলর অফিস ভেঙে তছনছ করে দেয়।

সেদিনের একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, মিছিলে জাকির হোসেন বিপ্লব দুটি শটগান নিয়ে অংশ নেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের শীর্ষ প্রায় সব নেতার হাতে হাতে ছিল পিস্তল। এছাড়া বিভিন্ন অলিগলিতে মজুত রাখা ছিল বিপুল পরিমাণ হকিস্টিক, রামদা ও চাপাতি। তবে সাঈদীকে পিরোজপুরে দাফনের সিদ্ধান্ত জানানোর পর তারা ফিরে যান।

শেখ হাসিনার পতনের পর আওয়ামী নেতাদের সবাই আত্মগোপনে চলে যান। কেউ কেউ বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়েছে। এদের মধ্যে জাকির হোসেন বিপ্লব গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে বেরিয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন।

খুলনায় আল্লামা সাঈদী প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা (পুরুষ ও নারী), হেফজখানা ও মসজিদ পরিচালিত হয় দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া মাদানিয়া ট্রাস্টের অধীন। ট্রাস্টের বর্তমান চেয়ারম্যান শামীম বিন সাঈদী বলেন, আব্বার অছিয়ত ছিল এখানে তার ও আম্মার দাফন হবে। এজন্য তিনি কবরের জায়গা কিনে নিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার চায়নি বিভাগীয় শহর খুলনায় আব্বার দাফন হোক। তাহলে অনেক বেশি মানুষ কবর জিয়ারতে আসবে। এখানে অনেক লোকসমাগম হবে। মানুষ বেশি বেশি তাকে স্মরণে রাখবে। সরকারের এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল দলটির স্থানীয় কর্মীরা। তাদের নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কবরের জায়গা সেভাবেই আছে। কী করব এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ভালো কোনো কাজে লাগানো হবে। একটি স্মৃতি জাদুঘর করা হতে পারে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।