সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সিলেটে যুবদল কর্মীকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদলের সাবেক নেতার বিরুদ্ধে

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ছুরিকাঘাতে রনি হোসাইন (৩০) নামে এক যুবদল কর্মীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলার গোলাপগঞ্জ পৌর শহরের কদমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এদিকে এ হত্যার সঙ্গে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাজুর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাকে ধরতে অভিযান […]

সিলেটে যুবদল কর্মীকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদলের সাবেক নেতার বিরুদ্ধে

সিলেটে যুবদল কর্মীকে হত্যার অভিযোগ ছাত্রদলের সাবেক নেতার বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৫, ১৩:৩৩

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ছুরিকাঘাতে রনি হোসাইন (৩০) নামে এক যুবদল কর্মীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (১০ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে জেলার গোলাপগঞ্জ পৌর শহরের কদমতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে এ হত্যার সঙ্গে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাজুর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ১১টার দিকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রাজুকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন যুবদল কর্মী রনি হোসাইন। পোস্টে রাজুর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে তার সঙ্গে এক নারীর অন্তরঙ্গ ছবি প্রকাশ করেন রনি। এর ঘণ্টাখানেক পর রাত ১২টার দিকে গোলাপগঞ্জ পৌরসদরের কদমতলা এলাকায় ছুরিকাঘাতে খুন হন তিনি।

ফেসবুক পোস্টে রনি লেখেন, ‘এই কুলাঙ্গার দুইটা বাচ্চা রেখে অন্য আরেকজনের বিবাহিত বউ নিয়ে হোটেলে হোটেলে ঘুরতেছে আর পরকীয়া করতেছে। এর প্রতিবাদ করেছিলাম, এইজন্য ফেক আইডি চালু করে আমার নামে মিথ্যা বানোয়াট কথা প্রচার করছে সে এখন।’

এই লেখার সঙ্গে রাজু ও এক নারীর ছবি আপলোড করেন রনি। এর আগেও একই বিষয়ে একাধিকবার পোস্ট করেছিলেন তিনি।

পুলিশের ধারণা, এ ঘটনার জের ধরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে।

এ বিষয়ে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জামাল উদ্দিন আহমদ রোববার বলেন, রাজু নামের এক তরুণ এই হত্যার সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পুরো বিষয় তদন্ত করে প্রকৃত দোষী ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে। তবে নিহত রনি ও অভিযুক্ত রাজুর রাজনৈতিক পরিচয় পুলিশ এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি।

জানা যায়, ছুরিকাঘাতের পর রনিকে স্বজনেরা রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফটক তালাবদ্ধ ছিল। আধা ঘণ্টার বেশি সময় ডাকাডাকির পর তারা তালা ভাঙার চেষ্টা করেন। তখন একজন এসে ফটক খুলে দেন। পরে চিকিৎসক রনিকে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে নিহত রনি যুবদল কর্মী কি না, তা নিশ্চিত হতে জেলা যুবদলের সভাপতি মোমিনুল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি রনিকে সক্রিয় যুবদল কর্মী হিসেবে চেনেন বলে জানিয়েছেন।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট নগরের কিনব্রিজ এলাকায় ছিনতাইকারীদের হাতে ডালিম নামের এক যুবক খুন হন। ছিনতাইসংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।