সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

১ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে পোশাক শ্রমিককে পেটাল ছাত্রদল নেতা

গাজীপুরের টঙ্গীতে চাঁদা না দেওয়ায় বাহারুল ইসলাম (৩০) নামে এক পোশাক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন ওরফে দিপু দেওয়ান টঙ্গী পশ্চিম থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আসন্ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। বাহারুলের অভিযোগ, প্রায় ছয় মাস আগে তিনি ২.৫ কাঠা জমির ওপর বাড়ি নির্মাণ করে পরিবারসহ বসবাস […]

১ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে পোশাক শ্রমিককে পেটাল ছাত্রদল নেতা

১ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে পোশাক শ্রমিককে পেটাল ছাত্রদল নেতা

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:৫২

গাজীপুরের টঙ্গীতে চাঁদা না দেওয়ায় বাহারুল ইসলাম (৩০) নামে এক পোশাক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের সাবেক এক নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন ওরফে দিপু দেওয়ান টঙ্গী পশ্চিম থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং আসন্ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।

বাহারুলের অভিযোগ, প্রায় ছয় মাস আগে তিনি ২.৫ কাঠা জমির ওপর বাড়ি নির্মাণ করে পরিবারসহ বসবাস করেন। ছাত্রদল নেতা দিপু গত কয়েকদিন ধরে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

বাহারুল জানান, ৫ আগস্ট কারখানা বন্ধ থাকায় সকাল প্রায় সাড়ে ১০টায় তিনি ভাদাম বাজারে বাজার করতে যান। এ সময় দিপু তাকে রাস্তায় পেয়ে আবারও এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তিনি অস্বীকৃতি জানালে, ছাত্রদল নেতা হাতে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত হত্যার উদ্দেশ্যে তার মাথায় আঘাত করতে গেলে তিনি দুই হাত দিয়ে তা প্রতিহত করেন। এতে আঘাত তার দুই হাতের কব্জির ওপরে লেগে গুরুতর হাড়ভাঙা জখম হয়।

এছাড়া, বাজার করার জন্য তার পকেটে থাকা নগদ ৩ হাজার ৮৫০ টাকা ছিনিয়ে নেয় ওই ছাত্রদল নেতা। বাহারুলের চিৎকারে বাজারের লোকজন এগিয়ে এলে দিপু বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করে বলেও জানান তিনি। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার দুই হাতের এক্স-রে করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে ছাত্রদল নেতা দিপু দেওয়ান বলেন, বাহার একজন অনলাইন জুয়ার এজেন্ট, যার কারণে অনেক তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে গেছে। তিনি দাবি করেন, ‘এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আমি ছাত্রনেতা হিসেবে সবসময় সোচ্চার থাকব।’ চাঁদা দাবির অভিযোগকে তিনি ষড়যন্ত্র ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কারসাজি বলে উল্লেখ করেন। তবে বাহারুলকে প্রকাশ্যে মারধরের বিষয়ে তিনি কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর দেননি।

স্থানীয় অনুসন্ধানে জানা গেছে, দিপু দেওয়ান প্রভাবশালী ও অর্থবিত্তশালী পরিবারের সন্তান। এলাকাবাসীর একাংশ জানান, মেজাজী স্বভাবের কারণে দিপু পূর্বেও একাধিকবার মানুষকে মারধর করেছেন, যদিও তার বিরুদ্ধে আগে চাঁদাবাজির অভিযোগ শোনা যায়নি। বাদাম এলাকার ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ জানান, ‘২০২৪ সালে আমার ছেলে রাফিজকে তুচ্ছ ঘটনায় দিপু অনেক মারধর করেছিল। তখন সামাজিকভাবে মীমাংসা হয়। কিন্তু এখনকার ঘটনা খুবই দুঃখজনক।’

অন্যদিকে, দিপুর পক্ষেও এলাকাবাসীর একটি অংশ বলছে, তিনি মাঝে মাঝে আইন নিজের হাতে তুলে নিলেও চাঁদা চাওয়ার মতো কাজ করেননি।

ভুক্তভোগী বাহারুলের অতীত নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। স্থানীয় রফিকুল নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘বাহার আগে জুয়ায় আসক্ত ছিল এবং জুয়ার এজেন্ট হিসেবেও কাজ করত। যদিও এখন সে জড়িত কি না জানি না, তবুও প্রকাশ্যে এভাবে মারধরের অধিকার কারও নেই।’ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজও বলেন, ‘যদি বাহার সত্যিই জুয়ায় জড়িত থাকে, তাহলে আইন আছে, তাকে পুলিশে দেওয়া উচিত ছিল। এভাবে মারধর অন্যায়।’

জুয়ার এজেন্ট হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বাহারুল স্বীকার করেন, ‘আমি দুই-তিন বছর আগে এসবের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, তবে বর্তমানে কোনোভাবে জড়িত নই।’ দিপু দেওয়ান টঙ্গী পশ্চিম থানা বিএনপির আহ্বায়ক প্রভাষক বশির উদ্দিনের ঘনিষ্ঠ বলে এলাকায় পরিচিত। তার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসকান্দর হাবীবুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।