বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গলাচিপায় জব্দকৃত ট্টলিং বোটের সেই মাছ উন্মুক্ত নিলামে ৩ লাখ টাকায় বিক্রি

পটুয়াখালীর গলাচিপায় তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ জব্দকৃত আনুমানিক ১২০ ক্যারেট সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আদালতের নির্দেশে উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় গলাচিপা খেয়াঘাট সংলগ্ন নদীর তীরে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ১৬:০৫

পটুয়াখালীর গলাচিপায় তেতুলিয়া নদী থেকে অবৈধ ট্রলিং বোটসহ জব্দকৃত আনুমানিক ১২০ ক্যারেট সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আদালতের নির্দেশে উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টায় গলাচিপা খেয়াঘাট সংলগ্ন নদীর তীরে এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা, স্থানীয় সরকার শাখা ও প্রবাসী কল্যাণ শাখা) সাজন বসাক।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত নিলামে মাছগুলো ৩ লাখ টাকায়, অতিরিক্ত ২০% ভ্যাটসহ, সর্বোচ্চ দরদাতা গলাচিপার বিশিষ্ট মৎস্য ব্যবসায়ী মো. মহিউদ্দিন ক্রয় করেন।

নিলাম কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী, গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশাদুর রহমান ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ এবং মৎস্য ব্যবসায়ীরা।

প্রসঙ্গত, গত ৫ আগস্ট রাতে গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী মৎস্য অফিসের যৌথ অভিযান ও চরমোন্তাজ ফাঁড়ি নৌ পুলিশের সহায়তায় চরবিশ্বাস ইউনিয়নের তেতুলিয়া নদী থেকে এফ বি মায়ের আশীর্বাদ-৩ নামে একটি অবৈধ ট্রলিং বোটসহ ১৫ জেলেকে আটক করা হয়।

ট্রলিং বোটে থাকা মাছ ও অবৈধ জাল, অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছিল, যার মধ্যে এই মাছগুলো ছিল। আটক জেলেদের নিয়মিত মামলায় গলাচিপা থানা পুলিশ বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠায়।

জব্দকৃত মালামালের মধ্যে ছিল—প্রায় ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা মূল্যের ফিশিং বোট, ৪১৭ এইচপি মেশিন (মূল্য ৫ লাখ), ৬টি ট্রয়নেট (মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার), ৪০টি লাল সূতার জাল (মূল্য ৪ লাখ), ১২০ মণ বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ (মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার)

এবং ৫ ব্যারেল ডিজেল (মূল্য ১ লাখ ১০ হাজার)। সবমিলিয়ে জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩৩ লাখ টাকা।জব্দকৃত মাছের মধ্যে ছিলো ইলিশ, চিংড়ি, লইট্টা, ছুরি, ক্যাট ফিস, রূপচাঁদা ও কোড়াল ।

গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আশাদুর রহমান বলেন, আদালতের নির্দেশে জব্দকৃত মাছ নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।

ট্রলিং বোট ও অন্যান্য জব্দ সরঞ্জামাদি বর্তমানে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নৌ পুলিশের হেফাজতে আলামত হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য জানান, সামুদ্রিক মাছ রক্ষার্থে অবৈধভাবে মাছ আহরণকারীদের রিরুদ্ধে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজন বসাক বলেন, আদালতের নির্দেশে আজকের উন্মুক্ত নিলাম পরিচালনা করেছি।

সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে মো. মহিউদ্দিন ৩ লাখ টাকা ও ২০% ভ্যাট প্রদান করে মাছ ক্রয় করেছেন এবং টাকা পরিশোধ করে মাছ বুঝে নিয়েছেন। নিলামে বিক্রি হওয়া মাছের অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, অবৈধ ট্রলিংয়ের মাধ্যমে নির্বিচারে মাছ আহরণ দেশের সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য এবং প্রজনন চক্রের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তাই নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে জেলে আটক ও মাছসহ অন্যান্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।