রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আট বছর পরে সিডরম্যান জয়দেব দত্তের হত্যার বিচার চেয়ে ছেলের মামলা!

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ আট বছর পরে সিডরম্যান খ্যাত জয়দেব দত্তকে হত্যার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার ছেলে প্রসেনজিৎ দত্ত আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় নিহতের শ্যালক সঞ্জীব দাস, তালতলী উপজেলা পরিষদ সাবেক দুই চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার, মনিরুজ্জামান মিন্টু ও তিন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনকে আসামী করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মোঃ ইফতি হাসান […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৫৮

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

আট বছর পরে সিডরম্যান খ্যাত জয়দেব দত্তকে হত্যার বিচার চেয়ে বৃহস্পতিবার ছেলে প্রসেনজিৎ দত্ত আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

মামলায় নিহতের শ্যালক সঞ্জীব দাস, তালতলী উপজেলা পরিষদ সাবেক দুই চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার, মনিরুজ্জামান মিন্টু ও তিন ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪ জনকে আসামী করা হয়েছে।

আদালতের বিচারক মোঃ ইফতি হাসান ইমরান মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআই তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানাগেছে, ২০০৭ সালের ১৫ ই নভেম্বর প্রলয়ংকারী ঘুর্ণিঝড় সিডরে উপকুলীয় অঞ্চল লন্ডভন্ড করে দেয়।

ওই ঘুর্ণিঝড়ের রাতে তালতলী উপজেলা ঘুৃর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসুচীর উপজেলা টিম লিটার জয়দেব দত্ত তার জীবন বাজি রেখে সারা রাত উপকুলের হাজার হাজার মানুষকে মাইকিং করে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসেন। তার এমন সাহসী ভুমিকার জন্য ইত্যাদি কর্তৃপক্ষ তাকে সিডরম্যান ঘোষনা করেন।

ওই সময় থেকেই তিনি সিডরম্যান হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পরিচিতি। ঘুর্ণিঝড় সিডরের ১০ বছর পরে ২০১৭ সালের ২ আগষ্ট রাতে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

কিন্তু তৎতালিন সাংসদ বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর নগ্ন হস্তক্ষেপে পরিবার মামলা করতে পারেনি।

পরিকল্পিত হত্যাকান্ডকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়। এ হত্যার ৮ বছর পরে তার ছেলে প্রসেনজিৎ দত্ত বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

নিহত জয়দেব দত্তের শ্যালক সঞ্জীব দাশকে প্রধান আসামী করে তালতলী উপজেলা পরিষদ সাবেক দুই চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার, মনিরুজ্জামান মিন্টু, তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ছোটবগী ইউপি চেয়ারম্যান তৌফিকুজ্জামান তনু,

বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আলম মুন্সি ও নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান দুলাল ফরাজীসহ ১৪ জনকে আসামী করা হয়।

আদালতের বিচারক মোঃ ইফতি হাসান ইমরান মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সিডরম্যান জয়দেব দত্ত তালতলী শহরে স্বর্ণের বড় ব্যবসায়ী ছিলেন। এছাড়াও তার তালতলী শহরে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি ছিল।

ওই সম্পত্তি দখল করতেই মামলার প্রধান আসামী নিহত জয়দেব দত্তের শ্যালক সঞ্জীব দত্ত ও তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার, মনিরুজ্জামান মিন্টুসহ আসামীরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে।

মামলার বাদী নিহত জয়দেব দত্তের ছেলে প্রসেনজিৎ দত্ত বলেন, বাবার হত্যার ঘটনায় মামলা করতে পারবো তা কোন দিন ভাবিনি। কিন্তু আল্লাহ সত্য ঘটনা উৎঘাটন করবে বলেই আমি মামলা করার সুযোগ পেয়েছি।

তিনি আরো বলেন, প্রধান আসামী আমার মামা সঞ্জীব দাশের পরিকল্পনায় আসামীরা আমার বাবার সম্পত্তি দখল করতেই পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। তারা হত্যা করেই খ্যান্ত হয়নি আমার বাবা আত্মহত্যা করেছে বলে অপবাদ দিয়ে তৎকালিন সময়ে মামলা করতে দেয়নি।

সাংসদ ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর নগ্ন হস্তক্ষেপে দ্রুত লাশের সৎকার করার নির্দেশ দেন। আমার বিশ্বাস আমি বাবার হত্যার বিচার পাব।  

মামলার প্রধান আসামী সঞ্জীব দাশ বলেন, আমাকে হয়রানী করতেই মামলায় আসামী করা হয়েছে।

আমতলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পেশকার মোঃ কালাম হোসেন বলেন, বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পটুয়াখালী পুলিশ সুপার মোঃ কামরুজ্জামান বলেন, এখনো আদালতের নথিপত্র পাইনি। আদালতের নির্দেশনা মতে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়া হবে। 

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।