বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

প্রভাব খাঁটিয়ে বিদ্যালয়ের জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন কৃষকলীগ নেতা

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলাধীন বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়াবাএ.বি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন জমি দখল করে প্রায় ১৫ বছর যাবত জোরপূর্বক দোকান ঘর উঠিয়ে ব্যবসা চালানো অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কৃষক লীগের সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে। আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তোয়াক্কা না করে তার দোকানের পার্শে আবু বক্কর সরদার নামক আরেকজনকে দিয়ে আরো একটি দোকান বসিয়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৫, ১৯:৫৪

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলাধীন বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের গুয়াবাএ.বি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মালিকানাধীন জমি দখল করে প্রায় ১৫ বছর যাবত জোরপূর্বক দোকান ঘর উঠিয়ে ব্যবসা চালানো অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কৃষক লীগের সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন মোল্লার বিরুদ্ধে।

আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তোয়াক্কা না করে তার দোকানের পার্শে আবু বক্কর সরদার নামক আরেকজনকে দিয়ে আরো একটি দোকান বসিয়ে দিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও জমি উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় দশক আগে বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন মোল্লা বিদ্যালয়ের জমির একটি অংশ দখল করে সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করেন। দোকানটিতে চা, পান, সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে আসছেন তিনি।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনসাধারণ বহুবার তাকে দোকান সরিয়ে নিতে অনুরোধ করলেও সে নানা অজুহাত ও প্রভাব খাটিয়ে বিদ্যালয়ের জমি তার দখলে রেখেছেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং ২১৭৭/৫ তারিখ ২৫/০৬/২৫ এক চিঠিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর ও অধিদপ্তরের আওতাধীন যেসকল দপ্তর/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্থাবর সম্পত্তি প্রতিষ্ঠানের দখলে

ও দলিলাদি সংরক্ষণে নেই সেসকল প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় প্রভাবের কারণে অত্র বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার করতে পারছেন না বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোশাররফ হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের খতিয়ানভুক্ত জমি- মৌজা: গুয়াবাড়িয়া, জেএল নং- ৫৭, খতিয়ান নং-৪৪, দাগ নং ২৫৪৩, ২৫৫৪২৫৫৫২৫৫৭২৫৫৮, মোট জমির পরিমাণ : ১.৪৫ একর-এর মধ্যে ওই দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা করে আসছেন।

পাকা সড়ক ঘেঁষে বিদ্যালয়ের অবস্থান হলেও দখলের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

জমির মালিকানার সকল কাগজপত্র বিদ্যালয়ের নামে রয়েছে তারপরও অবৈধভাবে দখল করে রেখেছেন শাহাবুদ্দিন মোল্লা ও আবুবক্কর সরদার।

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের আশপাশে বিড়ি-সিগারেট বিক্রি, আড্ডাবাজি, ও বখাটেপনার মতো ঘটনা বেড়ে গেছে যা শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়কের পাশে বিদ্যালয়ের পুকুর। পুকুরের পাড় ঘেঁষে জমির ওপর গড়ে উঠেছে দোকান, যেখানে চা, পান, বিড়ি-সিগারেটসহ খাদ্যসামগ্রী বিক্রি হচ্ছে।

যা শিক্ষার্থীদের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। বিদ্যালয়ের কিছু অংশে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হলেও দোকানের কারণে সম্পূর্ণ করতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মোল্লার ছেলে সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের বাবা-দাদার নামের সম্পত্তি আমরা ব্যবহার করতেছি। আমরা কোনো জমি দখল করিনি। এখন আইনিভাবে বিষয়টি সমাধান হবে।

অভিযুক্ত শাহাবুদ্দিন মোল্লার শ্যালক মো. জাহিদুল ইসলাম দাবি করেন, জমিটি তারা ক্রয়সূত্রে পেয়েছেন এবং বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয় এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা স্বার্থে আইনি প্রক্রিয়ায় অবিলম্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে বিদ্যালয়ের প্রকৃত জমি উদ্ধার করতে হবে। তারা মনে করেন, প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ছাড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মানসম্মত পরিবেশ বজায় রাখা সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মো. ওহাব মিয়া জানান, কিছুদিন আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। যেহেতু বিষয়টি দখল উচ্ছেদ পর্যায়ে, তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে।

গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।